Dhaka ০৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গ্যাস অনুসন্ধানে শেভরনকে আরও বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, জরিমানা ৩ জনকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, গরম খুন্তি দিয়ে দুই ছাত্রকে ছ্যাঁকা; পরিচালকসহ গ্রেপ্তার ৩ কুড়িয়ে পাওয়া টাকা ফেরত দিতে মালিকের সন্ধানে দুদিন ধরে মাইকিং করছেন এক যুবক ৮ দফা দাবিতে রেলপথ অবরোধ, থামল কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ঢাকায় গোপন বৈঠক, যুবলীগের ৮ নেতা গ্রেপ্তার বিএনপির বিভিন্ন কমিটির শূন্যপদে পদোন্নতি হবে কীভাবে, জানালেন রিজভ রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি, সাজছে নগরী

এবার জাপানে বড় ধরনের পাহাড় ধসের শঙ্কা, সতর্কতা জারি

পর্যটনের জন্য বিখ্যাত জাপানের ইয়াকুশিমা দ্বীপের পাহাড়ি এলাকাগুলো ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। টানা ভারী বৃষ্টিতে সেখানে একের পর এক পাহাড়ধস ও ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় কাগশিমা অঞ্চলের এই এলাকায় সর্বোচ্চ স্তরের বিপদসংকেত জারি করেছে জাপানের আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ।

জাপান মেটিওরোলজিক্যাল এজেন্সি (জেএমএ) জানিয়েছে, ইয়াকুশিমা অঞ্চলে এ ধরনের তীব্র বৃষ্টিপাত আগে খুব কমই দেখা গেছে। অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।

টানা বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। পাহাড়ের ঢাল, খাড়া সড়ক ও নিচু এলাকাগুলোতে বসবাসকারী মানুষের জন্য প্রতিটি মুহূর্তেই ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে আকস্মিক পাহাড়ধস বা পাহাড়ি ঢল নেমে এলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন বাসিন্দাদের দেরি না করে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। আবহাওয়াবিদরাও সতর্ক করে বলেছেন, আনুষ্ঠানিকভাবে বড় ধরনের কোনো উচ্ছেদ নির্দেশের অপেক্ষায় থাকলে অনেক ক্ষেত্রে নিরাপদে সরে যাওয়ার পর্যাপ্ত সময় নাও পাওয়া যেতে পারে।

কর্তৃপক্ষের পরামর্শ, নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে যত দ্রুত সম্ভব সরে যেতে হবে। বিশেষ করে পাহাড়ের পাদদেশ, ঢালু এলাকা, খাড়া পাহাড়ি পথ এবং পানি জমে থাকা ছড়া বা জলপ্রবাহের কাছাকাছি অবস্থান না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

তবে অতিবৃষ্টির কারণে দূরের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথও কোথাও কোথাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দূরে যাওয়ার চেষ্টা না করে কাছাকাছি কোনো শক্ত ও উঁচু ভবনে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে ভূমিধস ও আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই ইয়াকুশিমার বাসিন্দা ও পর্যটকদের স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ভূমিকম্প নয়, হিমবাহ ধসেই নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

গ্যাস অনুসন্ধানে শেভরনকে আরও বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

এবার জাপানে বড় ধরনের পাহাড় ধসের শঙ্কা, সতর্কতা জারি

Update Time : ০৬:২৭:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পর্যটনের জন্য বিখ্যাত জাপানের ইয়াকুশিমা দ্বীপের পাহাড়ি এলাকাগুলো ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। টানা ভারী বৃষ্টিতে সেখানে একের পর এক পাহাড়ধস ও ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় কাগশিমা অঞ্চলের এই এলাকায় সর্বোচ্চ স্তরের বিপদসংকেত জারি করেছে জাপানের আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ।

জাপান মেটিওরোলজিক্যাল এজেন্সি (জেএমএ) জানিয়েছে, ইয়াকুশিমা অঞ্চলে এ ধরনের তীব্র বৃষ্টিপাত আগে খুব কমই দেখা গেছে। অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।

টানা বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। পাহাড়ের ঢাল, খাড়া সড়ক ও নিচু এলাকাগুলোতে বসবাসকারী মানুষের জন্য প্রতিটি মুহূর্তেই ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে আকস্মিক পাহাড়ধস বা পাহাড়ি ঢল নেমে এলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন বাসিন্দাদের দেরি না করে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। আবহাওয়াবিদরাও সতর্ক করে বলেছেন, আনুষ্ঠানিকভাবে বড় ধরনের কোনো উচ্ছেদ নির্দেশের অপেক্ষায় থাকলে অনেক ক্ষেত্রে নিরাপদে সরে যাওয়ার পর্যাপ্ত সময় নাও পাওয়া যেতে পারে।

কর্তৃপক্ষের পরামর্শ, নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে যত দ্রুত সম্ভব সরে যেতে হবে। বিশেষ করে পাহাড়ের পাদদেশ, ঢালু এলাকা, খাড়া পাহাড়ি পথ এবং পানি জমে থাকা ছড়া বা জলপ্রবাহের কাছাকাছি অবস্থান না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

তবে অতিবৃষ্টির কারণে দূরের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথও কোথাও কোথাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দূরে যাওয়ার চেষ্টা না করে কাছাকাছি কোনো শক্ত ও উঁচু ভবনে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে ভূমিধস ও আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই ইয়াকুশিমার বাসিন্দা ও পর্যটকদের স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে সরকার