Dhaka ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে রিসোর্টে আ গুন: বন্ধুদের সঙ্গে আর দেখা হবেনা ফাইজানের

 

চুয়াডাঙ্গার দক্ষিণ হাসপাতাল পাড়ার গলিতে আর কোনোদিন ফিরবেনা ফাইজান। বাড়ির সামনের ছোট্ট ফাঁকা মাঠেও বন্ধুদের সঙ্গে আর ক্রিকেট খেলবেনা সে। ফাইজানের মা ফারিয়া কবির কেক অর্ডার করেছিলেন। সেই কেকও আর কোনোদিন খাওয়া হবে না।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) কক্সবাজারের ইনানী এলাকায় টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন নিহত হয়েছেন।

নিহত মধ্যে রয়েছেন চুয়াডাঙ্গা শহরের দক্ষিণ হাসপাতালপাড়ার বাসিন্দা ফারিয়া কবীর (৩৩) ও তার পাঁচ বছরের ছেলে ফাইজান।

জানা গেছে, ফারিয়া কবীর ঔষধ কোম্পানি ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র মার্কেটিং অফিসার নুর আলমের স্ত্রী। চাকরির সূত্রে গত আট বছর ধরে নুর আলম পরিবার নিয়ে চুয়াডাঙ্গায় বসবাস করছিলেন। ফারিয়া কবীরের গ্রামের বাড়ি বরিশালে।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ অক্টোবর বেড়ানোর উদ্দেশ্যে যান। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ইনানী এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগলে প্রাণ হারান ফারিয়া কবীর ও তার শিশু সন্তান ফাইজান।

একই পরিবারের মা ও শিশুসন্তানের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্বজন ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গার দক্ষিণ হাসপাতাল পাড়ার হারুন অর রশিদের বাড়িতে সপরিবারে দীর্ঘ আট বছর ধরে ভাড়া থাকতেন নুরে আলম। চারতলা বিল্ডিংয়ের তিনতলায় ভাড়া থাকতেন তারা।

ওই ভবনের বাসিন্দারা বলেন, নুর আলমের পরিবার খুব ভালো ছিল। ফারিয়া কবীর একটু অসুস্থ থাকতো। শিশু ফাইজান বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে খেলতো। স্মৃতিগুলো ভুলতে পারছি না।

আরও পড়ুনঃ  কালীগঞ্জে বিধবা ও প্রতিবন্ধী পরিবারের সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কক্সবাজারে রিসোর্টে আ গুন: বন্ধুদের সঙ্গে আর দেখা হবেনা ফাইজানের

Update Time : ১১:৫৬:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

 

চুয়াডাঙ্গার দক্ষিণ হাসপাতাল পাড়ার গলিতে আর কোনোদিন ফিরবেনা ফাইজান। বাড়ির সামনের ছোট্ট ফাঁকা মাঠেও বন্ধুদের সঙ্গে আর ক্রিকেট খেলবেনা সে। ফাইজানের মা ফারিয়া কবির কেক অর্ডার করেছিলেন। সেই কেকও আর কোনোদিন খাওয়া হবে না।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) কক্সবাজারের ইনানী এলাকায় টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন নিহত হয়েছেন।

নিহত মধ্যে রয়েছেন চুয়াডাঙ্গা শহরের দক্ষিণ হাসপাতালপাড়ার বাসিন্দা ফারিয়া কবীর (৩৩) ও তার পাঁচ বছরের ছেলে ফাইজান।

জানা গেছে, ফারিয়া কবীর ঔষধ কোম্পানি ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র মার্কেটিং অফিসার নুর আলমের স্ত্রী। চাকরির সূত্রে গত আট বছর ধরে নুর আলম পরিবার নিয়ে চুয়াডাঙ্গায় বসবাস করছিলেন। ফারিয়া কবীরের গ্রামের বাড়ি বরিশালে।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ অক্টোবর বেড়ানোর উদ্দেশ্যে যান। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ইনানী এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগলে প্রাণ হারান ফারিয়া কবীর ও তার শিশু সন্তান ফাইজান।

একই পরিবারের মা ও শিশুসন্তানের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্বজন ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গার দক্ষিণ হাসপাতাল পাড়ার হারুন অর রশিদের বাড়িতে সপরিবারে দীর্ঘ আট বছর ধরে ভাড়া থাকতেন নুরে আলম। চারতলা বিল্ডিংয়ের তিনতলায় ভাড়া থাকতেন তারা।

ওই ভবনের বাসিন্দারা বলেন, নুর আলমের পরিবার খুব ভালো ছিল। ফারিয়া কবীর একটু অসুস্থ থাকতো। শিশু ফাইজান বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে খেলতো। স্মৃতিগুলো ভুলতে পারছি না।

আরও পড়ুনঃ  কক্সবাজার সৈকত বেলাভূমিতে ৫০ ফুটের প্লাস্টিক দানব