Dhaka ১১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মক্কা-মদিনার পবিত্রতা রক্ষায় কোনো আপস নয়, মক্কা চুক্তিতে আগ্রহী বাংলাদেশ

পবিত্র মক্কা ও মদিনার মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। এ বিষয়ে প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা তুলে ধরেছেন প্রতিমন্ত্রী।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহ

মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হুমায়ুন কবির বলেন, পবিত্র মক্কা ও মদিনা যে অঞ্চলে অবস্থিত, সেই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা মুসলিম দেশগুলোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে আমন্ত্রণ বা জবাব এসেছে কি না, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট—পবিত্র মক্কা ও মদিনার মর্যাদার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না।

সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের উদ্যোগ

সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের সম্পর্কের বড় একটি অংশ বাংলাদেশের শ্রমবাজার ও প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভরশীল ছিল। তবে বর্তমান সময়ে সেই সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজন রয়েছে।

বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, জ্বালানি এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ।

আরও পড়ুনঃ  সাধুসঙ্গে নিজেকে ও অজানাকে জানছেন লালন ভক্তরা

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সৌদি আরব বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করছে। এর মধ্যে স্টার রিফাইনারি-২ প্রকল্পে সৌদি বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর ও যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর মতে, পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা সম্ভব।

শুধু শ্রমবাজার নয়, বিনিয়োগেও গুরুত্ব

বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ককে আরও বহুমুখী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে হুমায়ুন কবির বলেন, শুধু সৌদি আরব নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ককে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে হবে।

শ্রমিক পাঠানো ও প্রবাসী আয়ের পাশাপাশি প্রযুক্তি, দক্ষতাভিত্তিক কর্মসংস্থান এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই নীতির ভিত্তিতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা গেলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।

জাপান সফরে বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতা গুরুত্ব পাবে

আগামী ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার প্রসঙ্গেও কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তিনি জানান, এ সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বিনিয়োগ অংশীদারত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষ করে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের বর্তমান জ্বালানি চাহিদা ও সংকট মোকাবিলায় জাপানের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতে জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়টিও আলোচনায় আসবে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের জ্বালানি পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার সুযোগ রয়েছে। জাপান সরকারের আগ্রহ এবং বাংলাদেশের জন্য সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়গুলোও সফরে গুরুত্ব পাবে।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের ভূমিকা

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে আসছে। এ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন উদ্যোগে ভূমিকা রাখার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ  জ্বালানি নিরাপত্তায় বহুমুখী উৎস খুঁজছে সরকার: শামা ওবায়েদ

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ, সৌদি আরবের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার এবং জাপানের সঙ্গে বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক অংশীদারত্বের গুরুত্বকে সামনে নিয়ে এসেছে।

তবে মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মক্কা-মদিনার পবিত্রতা রক্ষায় কোনো আপস নয়, মক্কা চুক্তিতে আগ্রহী বাংলাদেশ

Update Time : ০২:১১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

পবিত্র মক্কা ও মদিনার মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। এ বিষয়ে প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা তুলে ধরেছেন প্রতিমন্ত্রী।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহ

মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হুমায়ুন কবির বলেন, পবিত্র মক্কা ও মদিনা যে অঞ্চলে অবস্থিত, সেই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা মুসলিম দেশগুলোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে আমন্ত্রণ বা জবাব এসেছে কি না, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট—পবিত্র মক্কা ও মদিনার মর্যাদার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না।

সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের উদ্যোগ

সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের সম্পর্কের বড় একটি অংশ বাংলাদেশের শ্রমবাজার ও প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভরশীল ছিল। তবে বর্তমান সময়ে সেই সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজন রয়েছে।

বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, জ্বালানি এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ।

আরও পড়ুনঃ  রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি বানানোর ‘আঁতুড়ঘর’ নির্বাচন অফিস

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সৌদি আরব বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করছে। এর মধ্যে স্টার রিফাইনারি-২ প্রকল্পে সৌদি বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর ও যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর মতে, পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা সম্ভব।

শুধু শ্রমবাজার নয়, বিনিয়োগেও গুরুত্ব

বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ককে আরও বহুমুখী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে হুমায়ুন কবির বলেন, শুধু সৌদি আরব নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ককে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে হবে।

শ্রমিক পাঠানো ও প্রবাসী আয়ের পাশাপাশি প্রযুক্তি, দক্ষতাভিত্তিক কর্মসংস্থান এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই নীতির ভিত্তিতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা গেলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।

জাপান সফরে বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতা গুরুত্ব পাবে

আগামী ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার প্রসঙ্গেও কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তিনি জানান, এ সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বিনিয়োগ অংশীদারত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষ করে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের বর্তমান জ্বালানি চাহিদা ও সংকট মোকাবিলায় জাপানের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতে জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়টিও আলোচনায় আসবে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের জ্বালানি পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার সুযোগ রয়েছে। জাপান সরকারের আগ্রহ এবং বাংলাদেশের জন্য সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়গুলোও সফরে গুরুত্ব পাবে।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের ভূমিকা

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে আসছে। এ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন উদ্যোগে ভূমিকা রাখার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ  ৩৫ দিন পর খুলল শাহজালাল মাজারের দানবাক্স: মিলল ৮৮ লাখ টাকা ও বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ, সৌদি আরবের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার এবং জাপানের সঙ্গে বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক অংশীদারত্বের গুরুত্বকে সামনে নিয়ে এসেছে।

তবে মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।