Dhaka ০৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় সারাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ‘বড় পরিকল্পনা’ গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালেন পুলিশ সদস্য যে কারণে হল বিবাহবিচ্ছেদ, জানালেন প্রীতম-শেহতাজ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে ভারতকে শামা ওবায়েদের বার্তা দ্বীপে দেখা মিললো দৃষ্টিনন্দন ভেরডিটার ফ্লাইক্যাচার পাখি নদী দিয়ে ভেসে যাচ্ছিল মাথা.বিহীন নারীর মরদেহ প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে হাতেনাতে ধরা পুলিশ কর্মকর্তা, অতঃপর… ৯ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩ হাজারের বেশি প্রেমিকাকে নিয়ে ফাঁকা বাড়িতে আশিক, ‘প্রস্তুত’ ছিলেন আরও ২ জন

যুবদলের সাবেক নেতাকে পিটিয়ে হ ত্যা

ময়মনসিংহ নগরীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে আহত সাবেক যুবদল নেতা রাজা মিয়া (৪০) মারা গেছে। এ ঘটনায় তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।নিহত রাজা মিয়া নগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষ্টপুর এলাকার মমরোজ মিয়ার ছেলে। তিনি মহানগর যুবদল ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।এর আগে, ২২ সেপ্টেম্বর সকালে নগরীর কৃষ্টপুর এলাকায় রাজা মিয়াকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটে।কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম রাজা মিয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এ ঘটনায় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহত রাজা মিয়ার স্ত্রী জোসনা আক্তার ১১ জনের নামে ও অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামি করে কোতোয়ালী মডেল থানায় ৩২৬ ধারায় মামলা দায়ের করেন।মামলার প্রধান আসামি কবিরসহ (৩০) তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্য দুজন হলেন- বিনু (৩৮) ও নিশাত (২৫)। গ্রেপ্তার প্রত্যেকেই একই এলাকার বাসিন্দা।

 

স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, ২২ সেপ্টেম্বর সকালে নাস্তা খেয়ে রাজা মিয়া ঘরে শুয়ে ছিলেন। এ সময় গ্রেপ্তার কবিরের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন হামলা চালায়। হামলার সময় কবির শাবল দিয়ে রাজা মিয়ার মাথায় আঘাত করে। এতে গুরুতর আহত হন রাজা মিয়া। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
তবে, সেখানে আইসিইউ খালি না থাকায় রাজা মিয়াকে আবারও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পরে শনিবার বিকেলে রাজা মিয়া আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

 

সূত্র আরও জানায়, সম্প্রতি রাজা মিয়া কবির ও তার লোকজনকে মাদক ব্যবসা করতে নিষেধ করেন। এ নিয়ে তাদের মাঝে বিরোধ চলছিল। এই ঘটনার জেরে ২২ সেপ্টেম্বর রাজা মিয়ার উপর হামলার ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুনঃ  জামিন পেলেন ঢাবির হল সংসদের সাবেক ভিপি ইমি

 

পুলিশের একটি পক্ষ দাবি করছে দুটি পক্ষই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তবে, কার নামে কতগুলো মাদক মামলা আছে- তা জানাতে পারেনি।

 

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের হোসেন শাকিল বলেন, রাজা মিয়া মহানগরের ৩১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। আন্দোলন সংগ্রামে সবসময় দলের সঙ্গে ছিল। তাকে যে বা যারাই হত্যা করেছে- দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। তবে, রাজা মিয়া মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল না বলেও জানান তিনি।

 

ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মরদেহ মর্গে আছে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে নিহতের স্ত্রী বাদি হয়ে ৩২৬ ধারায় মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হবে বলেও জানান তিনি।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় সারাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ‘বড় পরিকল্পনা’

যুবদলের সাবেক নেতাকে পিটিয়ে হ ত্যা

Update Time : ১১:৫২:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ময়মনসিংহ নগরীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে আহত সাবেক যুবদল নেতা রাজা মিয়া (৪০) মারা গেছে। এ ঘটনায় তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।নিহত রাজা মিয়া নগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষ্টপুর এলাকার মমরোজ মিয়ার ছেলে। তিনি মহানগর যুবদল ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।এর আগে, ২২ সেপ্টেম্বর সকালে নগরীর কৃষ্টপুর এলাকায় রাজা মিয়াকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটে।কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম রাজা মিয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এ ঘটনায় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহত রাজা মিয়ার স্ত্রী জোসনা আক্তার ১১ জনের নামে ও অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামি করে কোতোয়ালী মডেল থানায় ৩২৬ ধারায় মামলা দায়ের করেন।মামলার প্রধান আসামি কবিরসহ (৩০) তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্য দুজন হলেন- বিনু (৩৮) ও নিশাত (২৫)। গ্রেপ্তার প্রত্যেকেই একই এলাকার বাসিন্দা।

 

স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, ২২ সেপ্টেম্বর সকালে নাস্তা খেয়ে রাজা মিয়া ঘরে শুয়ে ছিলেন। এ সময় গ্রেপ্তার কবিরের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন হামলা চালায়। হামলার সময় কবির শাবল দিয়ে রাজা মিয়ার মাথায় আঘাত করে। এতে গুরুতর আহত হন রাজা মিয়া। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
তবে, সেখানে আইসিইউ খালি না থাকায় রাজা মিয়াকে আবারও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পরে শনিবার বিকেলে রাজা মিয়া আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

 

সূত্র আরও জানায়, সম্প্রতি রাজা মিয়া কবির ও তার লোকজনকে মাদক ব্যবসা করতে নিষেধ করেন। এ নিয়ে তাদের মাঝে বিরোধ চলছিল। এই ঘটনার জেরে ২২ সেপ্টেম্বর রাজা মিয়ার উপর হামলার ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুনঃ  জামিন পেলেন ঢাবির হল সংসদের সাবেক ভিপি ইমি

 

পুলিশের একটি পক্ষ দাবি করছে দুটি পক্ষই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তবে, কার নামে কতগুলো মাদক মামলা আছে- তা জানাতে পারেনি।

 

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের হোসেন শাকিল বলেন, রাজা মিয়া মহানগরের ৩১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। আন্দোলন সংগ্রামে সবসময় দলের সঙ্গে ছিল। তাকে যে বা যারাই হত্যা করেছে- দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। তবে, রাজা মিয়া মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল না বলেও জানান তিনি।

 

ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মরদেহ মর্গে আছে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে নিহতের স্ত্রী বাদি হয়ে ৩২৬ ধারায় মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হবে বলেও জানান তিনি।