Dhaka ০৪:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, জরিমানা ৩ জনকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, গরম খুন্তি দিয়ে দুই ছাত্রকে ছ্যাঁকা; পরিচালকসহ গ্রেপ্তার ৩ কুড়িয়ে পাওয়া টাকা ফেরত দিতে মালিকের সন্ধানে দুদিন ধরে মাইকিং করছেন এক যুবক ৮ দফা দাবিতে রেলপথ অবরোধ, থামল কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ঢাকায় গোপন বৈঠক, যুবলীগের ৮ নেতা গ্রেপ্তার বিএনপির বিভিন্ন কমিটির শূন্যপদে পদোন্নতি হবে কীভাবে, জানালেন রিজভ রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি, সাজছে নগরী ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে বাংলাদেশ: বিমানমন্ত্রী ফ্ল্যাটের চেয়েও কবরের দাম বেশি, এক টুকরো কবরস্থানের দাম সাড়ে ৪ কোটি ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী, হুমায়ূন কবীরের ঘোষণার পরই বিদ্যুৎ নিয়ে আদানির তালবাহানা!

শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন নারী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫২৬ Time View

শিশু নিখোঁজের খবরে হঠাৎই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো এলাকাজুড়ে। পুলিশ, দমকল বাহিনী ও প্রশাসনের টানা প্রায় তিন ঘণ্টার ব্যাপক উদ্ধার অভিযানের পর সামনে আসে ভিন্ন এক বাস্তবতা—ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ সাজানো। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা নোংরা ড্রেন পরিষ্কার করাতেই এমন নাটকীয় পরিকল্পনা করেছিলেন স্থানীয় এক নারী। খবর ডিএইচ ডেকান হেরাল্ডের।
ঘটনাটি ঘটে উত্তরপ্রদেশের মিরাট শহরের একটি এলাকায়। ওই নারী দাবি করেন, একটি শিশু খোলা ড্রেনে পড়ে গেছে এবং ভেতর থেকে কান্নার শব্দ শোনা যাচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ। পরে দমকল বাহিনী ও খননযন্ত্র এনে শুরু হয় উদ্ধার তৎপরতা। টানা কয়েক ঘণ্টা ড্রেন খুঁড়েও কোনো শিশুর সন্ধান মেলেনি। পরবর্তীতে এলাকাজুড়ে খোঁজ নিয়ে প্রশাসন নিশ্চিত হয়—কোনো শিশুই নিখোঁজ নয়। তদন্তে জানা যায়, ড্রেন পরিষ্কারের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা অভিযোগ করেছিলেন ওই নারী।
প্রশাসন জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাবাসী মৌখিকভাবে ড্রেন পরিষ্কারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন, তবে এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। শিশু নিখোঁজের মতো গুরুতর অভিযোগ পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযান চালাতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। একদিকে প্রশাসনের তৎপরতা ও অবহেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে জনস্বার্থের অজুহাতে ভুয়া আতঙ্ক ছড়ানোর নৈতিকতা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ ব্যঙ্গ করে মন্তব্য করছেন—‘কাজ আদায়ের এটাই বুঝি সবচেয়ে কার্যকর উপায়!’
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ভুয়া অভিযোগ জরুরি সেবাকে বিভ্রান্ত করে এবং প্রকৃত বিপদের সময় বড় ধরনের ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করে। পাশাপাশি সরকারি সময়, শ্রম ও অর্থের অপচয়ও ঘটে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  ১৩ দিন পর ভারত থেকে দেশে ফিরল মানসিক প্রতিবন্ধী যুবক


সোর্স: kalbela web

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, জরিমানা ৩ জনকে

শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন নারী

Update Time : ০৪:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শিশু নিখোঁজের খবরে হঠাৎই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো এলাকাজুড়ে। পুলিশ, দমকল বাহিনী ও প্রশাসনের টানা প্রায় তিন ঘণ্টার ব্যাপক উদ্ধার অভিযানের পর সামনে আসে ভিন্ন এক বাস্তবতা—ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ সাজানো। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা নোংরা ড্রেন পরিষ্কার করাতেই এমন নাটকীয় পরিকল্পনা করেছিলেন স্থানীয় এক নারী। খবর ডিএইচ ডেকান হেরাল্ডের।
ঘটনাটি ঘটে উত্তরপ্রদেশের মিরাট শহরের একটি এলাকায়। ওই নারী দাবি করেন, একটি শিশু খোলা ড্রেনে পড়ে গেছে এবং ভেতর থেকে কান্নার শব্দ শোনা যাচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ। পরে দমকল বাহিনী ও খননযন্ত্র এনে শুরু হয় উদ্ধার তৎপরতা। টানা কয়েক ঘণ্টা ড্রেন খুঁড়েও কোনো শিশুর সন্ধান মেলেনি। পরবর্তীতে এলাকাজুড়ে খোঁজ নিয়ে প্রশাসন নিশ্চিত হয়—কোনো শিশুই নিখোঁজ নয়। তদন্তে জানা যায়, ড্রেন পরিষ্কারের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা অভিযোগ করেছিলেন ওই নারী।
প্রশাসন জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাবাসী মৌখিকভাবে ড্রেন পরিষ্কারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন, তবে এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। শিশু নিখোঁজের মতো গুরুতর অভিযোগ পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযান চালাতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। একদিকে প্রশাসনের তৎপরতা ও অবহেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে জনস্বার্থের অজুহাতে ভুয়া আতঙ্ক ছড়ানোর নৈতিকতা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ ব্যঙ্গ করে মন্তব্য করছেন—‘কাজ আদায়ের এটাই বুঝি সবচেয়ে কার্যকর উপায়!’
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ভুয়া অভিযোগ জরুরি সেবাকে বিভ্রান্ত করে এবং প্রকৃত বিপদের সময় বড় ধরনের ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করে। পাশাপাশি সরকারি সময়, শ্রম ও অর্থের অপচয়ও ঘটে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়কে ডাকাত দলের তাণ্ডব: অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ব্যবসায়ী ও যাত্রীরা


সোর্স: kalbela web