Dhaka ১২:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টম ক্রুজের পদবি বাদ দিলেন মেয়ে সুরি, মায়ের মধ্যনাম ‘নোয়েল’ এখন তার শেষ নাম সীমান্তের প্রান্তিক জনপদে শিক্ষার প্রদীপ জ্বালাচ্ছে গুচ্ছগ্রাম বিদ্যালয়: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ কালীগঞ্জে বিধবা ও প্রতিবন্ধী পরিবারের সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ডোপ টেস্টে ইতিবাচক ফল, অভিযুক্তের ৫ মাসের জেল সহ জরিমানা আদমদীঘি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারী সহ গ্রেপ্তার-৮!! ভূরুঙ্গামারীতে যৌথ অভিযানে ১৫ ফুটের গাঁজাগাছসহ মাদককারবারি গ্রেপ্তার রাজশাহীতে পদ্মা নদীতে নৌকাডুবি বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু করেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি Coronavirus disease 2019 ভারতের পর এবার চীনে গেলেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন নারী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫০২ Time View

শিশু নিখোঁজের খবরে হঠাৎই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো এলাকাজুড়ে। পুলিশ, দমকল বাহিনী ও প্রশাসনের টানা প্রায় তিন ঘণ্টার ব্যাপক উদ্ধার অভিযানের পর সামনে আসে ভিন্ন এক বাস্তবতা—ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ সাজানো। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা নোংরা ড্রেন পরিষ্কার করাতেই এমন নাটকীয় পরিকল্পনা করেছিলেন স্থানীয় এক নারী। খবর ডিএইচ ডেকান হেরাল্ডের।
ঘটনাটি ঘটে উত্তরপ্রদেশের মিরাট শহরের একটি এলাকায়। ওই নারী দাবি করেন, একটি শিশু খোলা ড্রেনে পড়ে গেছে এবং ভেতর থেকে কান্নার শব্দ শোনা যাচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ। পরে দমকল বাহিনী ও খননযন্ত্র এনে শুরু হয় উদ্ধার তৎপরতা। টানা কয়েক ঘণ্টা ড্রেন খুঁড়েও কোনো শিশুর সন্ধান মেলেনি। পরবর্তীতে এলাকাজুড়ে খোঁজ নিয়ে প্রশাসন নিশ্চিত হয়—কোনো শিশুই নিখোঁজ নয়। তদন্তে জানা যায়, ড্রেন পরিষ্কারের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা অভিযোগ করেছিলেন ওই নারী।
প্রশাসন জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাবাসী মৌখিকভাবে ড্রেন পরিষ্কারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন, তবে এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। শিশু নিখোঁজের মতো গুরুতর অভিযোগ পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযান চালাতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। একদিকে প্রশাসনের তৎপরতা ও অবহেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে জনস্বার্থের অজুহাতে ভুয়া আতঙ্ক ছড়ানোর নৈতিকতা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ ব্যঙ্গ করে মন্তব্য করছেন—‘কাজ আদায়ের এটাই বুঝি সবচেয়ে কার্যকর উপায়!’
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ভুয়া অভিযোগ জরুরি সেবাকে বিভ্রান্ত করে এবং প্রকৃত বিপদের সময় বড় ধরনের ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করে। পাশাপাশি সরকারি সময়, শ্রম ও অর্থের অপচয়ও ঘটে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  পিএসএল ফাইনাল খেলতে পাকিস্তান যাচ্ছেন নাহিদ রানা


সোর্স: kalbela web

Tag :
About Author Information

টম ক্রুজের পদবি বাদ দিলেন মেয়ে সুরি, মায়ের মধ্যনাম ‘নোয়েল’ এখন তার শেষ নাম

শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন নারী

Update Time : ০৪:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শিশু নিখোঁজের খবরে হঠাৎই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো এলাকাজুড়ে। পুলিশ, দমকল বাহিনী ও প্রশাসনের টানা প্রায় তিন ঘণ্টার ব্যাপক উদ্ধার অভিযানের পর সামনে আসে ভিন্ন এক বাস্তবতা—ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ সাজানো। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা নোংরা ড্রেন পরিষ্কার করাতেই এমন নাটকীয় পরিকল্পনা করেছিলেন স্থানীয় এক নারী। খবর ডিএইচ ডেকান হেরাল্ডের।
ঘটনাটি ঘটে উত্তরপ্রদেশের মিরাট শহরের একটি এলাকায়। ওই নারী দাবি করেন, একটি শিশু খোলা ড্রেনে পড়ে গেছে এবং ভেতর থেকে কান্নার শব্দ শোনা যাচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ। পরে দমকল বাহিনী ও খননযন্ত্র এনে শুরু হয় উদ্ধার তৎপরতা। টানা কয়েক ঘণ্টা ড্রেন খুঁড়েও কোনো শিশুর সন্ধান মেলেনি। পরবর্তীতে এলাকাজুড়ে খোঁজ নিয়ে প্রশাসন নিশ্চিত হয়—কোনো শিশুই নিখোঁজ নয়। তদন্তে জানা যায়, ড্রেন পরিষ্কারের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা অভিযোগ করেছিলেন ওই নারী।
প্রশাসন জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাবাসী মৌখিকভাবে ড্রেন পরিষ্কারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন, তবে এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। শিশু নিখোঁজের মতো গুরুতর অভিযোগ পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযান চালাতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। একদিকে প্রশাসনের তৎপরতা ও অবহেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে জনস্বার্থের অজুহাতে ভুয়া আতঙ্ক ছড়ানোর নৈতিকতা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ ব্যঙ্গ করে মন্তব্য করছেন—‘কাজ আদায়ের এটাই বুঝি সবচেয়ে কার্যকর উপায়!’
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ভুয়া অভিযোগ জরুরি সেবাকে বিভ্রান্ত করে এবং প্রকৃত বিপদের সময় বড় ধরনের ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করে। পাশাপাশি সরকারি সময়, শ্রম ও অর্থের অপচয়ও ঘটে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে তথ্য পাঠানো ওয়েবসাইট ও অ্যাপ চিনবেন যেভাবে


সোর্স: kalbela web