Dhaka ০৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, জরিমানা ৩ জনকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, গরম খুন্তি দিয়ে দুই ছাত্রকে ছ্যাঁকা; পরিচালকসহ গ্রেপ্তার ৩ কুড়িয়ে পাওয়া টাকা ফেরত দিতে মালিকের সন্ধানে দুদিন ধরে মাইকিং করছেন এক যুবক ৮ দফা দাবিতে রেলপথ অবরোধ, থামল কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ঢাকায় গোপন বৈঠক, যুবলীগের ৮ নেতা গ্রেপ্তার বিএনপির বিভিন্ন কমিটির শূন্যপদে পদোন্নতি হবে কীভাবে, জানালেন রিজভ রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি, সাজছে নগরী ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে বাংলাদেশ: বিমানমন্ত্রী

সিলেটে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা, মানুষের ঢল!

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১৬ Time View

আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছ


নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।

আরও পড়ুনঃ  ছাতকে রোটারেক্ট ক্লাব অব জালালাবাদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সিলেটে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা, মানুষের ঢল!

Update Time : ০৬:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছ


নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।

আরও পড়ুনঃ  যশোরে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার