Dhaka ১১:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টম ক্রুজের পদবি বাদ দিলেন মেয়ে সুরি, মায়ের মধ্যনাম ‘নোয়েল’ এখন তার শেষ নাম সীমান্তের প্রান্তিক জনপদে শিক্ষার প্রদীপ জ্বালাচ্ছে গুচ্ছগ্রাম বিদ্যালয়: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ কালীগঞ্জে বিধবা ও প্রতিবন্ধী পরিবারের সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ডোপ টেস্টে ইতিবাচক ফল, অভিযুক্তের ৫ মাসের জেল সহ জরিমানা আদমদীঘি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারী সহ গ্রেপ্তার-৮!! ভূরুঙ্গামারীতে যৌথ অভিযানে ১৫ ফুটের গাঁজাগাছসহ মাদককারবারি গ্রেপ্তার রাজশাহীতে পদ্মা নদীতে নৌকাডুবি বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু করেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি Coronavirus disease 2019 ভারতের পর এবার চীনে গেলেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

সিলেটে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা, মানুষের ঢল!

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫০১ Time View

আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছ


নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।

আরও পড়ুনঃ  আজ দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন’: বিরল চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী হচ্ছে বাংলাদেশ
Tag :
About Author Information

টম ক্রুজের পদবি বাদ দিলেন মেয়ে সুরি, মায়ের মধ্যনাম ‘নোয়েল’ এখন তার শেষ নাম

সিলেটে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা, মানুষের ঢল!

Update Time : ০৬:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছ


নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।

আরও পড়ুনঃ  আজ দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন’: বিরল চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী হচ্ছে বাংলাদেশ