Dhaka ১০:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টম ক্রুজের পদবি বাদ দিলেন মেয়ে সুরি, মায়ের মধ্যনাম ‘নোয়েল’ এখন তার শেষ নাম সীমান্তের প্রান্তিক জনপদে শিক্ষার প্রদীপ জ্বালাচ্ছে গুচ্ছগ্রাম বিদ্যালয়: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ কালীগঞ্জে বিধবা ও প্রতিবন্ধী পরিবারের সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ডোপ টেস্টে ইতিবাচক ফল, অভিযুক্তের ৫ মাসের জেল সহ জরিমানা আদমদীঘি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারী সহ গ্রেপ্তার-৮!! ভূরুঙ্গামারীতে যৌথ অভিযানে ১৫ ফুটের গাঁজাগাছসহ মাদককারবারি গ্রেপ্তার রাজশাহীতে পদ্মা নদীতে নৌকাডুবি বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু করেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি Coronavirus disease 2019 ভারতের পর এবার চীনে গেলেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

সিলেটের ডিসিসহ তিন কর্মকর্তাকে হাইকোর্টের শোকজ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:১৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫০১ Time View

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর হাইকোর্ট বিভাগ সিলেট নগরীর কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেটের দোকান উচ্ছেদ ও তালাবদ্ধ করার ঘটনায় জেলা প্রশাসক (ডিসি)সহ তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশনা অমান্য করার অভিযোগে এই আদেশ দেওয়া হয়, যা স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন সিলেট কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেটের কিছু দোকান উচ্ছেদ ও তালাবদ্ধ করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকরা দাবি করেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় প্রশাসন এই পদক্ষেপ নেয়, যা আদালতের নির্দেশনার পরিপন্থী। তারা আদালতের শরণাপন্ন হলে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে হাইকোর্ট।

শুনানিতে আদালত প্রাথমিকভাবে দেখতে পান যে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আদালতের আদেশ যথাযথভাবে অনুসরণ করেননি। এর ফলে আদালত ডিসিসহ তিন কর্মকর্তাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেন—কেন তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালতের আদেশ অমান্য করা গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় এবং এর মাধ্যমে আইনের শাসন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এই ধরনের ঘটনায় আদালত সাধারণত কঠোর অবস্থান নেয়, যাতে ভবিষ্যতে কোনো প্রশাসনিক সংস্থা আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা না করে।

এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ প্রশাসনের পদক্ষেপকে সমর্থন করলেও, অনেকেই এটিকে আইনবিরোধী ও অযৌক্তিক বলে উল্লেখ করেছেন। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান এবং ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন।

বর্তমানে সকলের দৃষ্টি আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। কর্মকর্তাদের ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে, তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আরও পড়ুনঃ  ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে নির্বাচনে , আশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
Tag :
About Author Information

টম ক্রুজের পদবি বাদ দিলেন মেয়ে সুরি, মায়ের মধ্যনাম ‘নোয়েল’ এখন তার শেষ নাম

সিলেটের ডিসিসহ তিন কর্মকর্তাকে হাইকোর্টের শোকজ

Update Time : ০৪:১৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর হাইকোর্ট বিভাগ সিলেট নগরীর কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেটের দোকান উচ্ছেদ ও তালাবদ্ধ করার ঘটনায় জেলা প্রশাসক (ডিসি)সহ তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশনা অমান্য করার অভিযোগে এই আদেশ দেওয়া হয়, যা স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন সিলেট কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেটের কিছু দোকান উচ্ছেদ ও তালাবদ্ধ করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকরা দাবি করেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় প্রশাসন এই পদক্ষেপ নেয়, যা আদালতের নির্দেশনার পরিপন্থী। তারা আদালতের শরণাপন্ন হলে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে হাইকোর্ট।

শুনানিতে আদালত প্রাথমিকভাবে দেখতে পান যে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আদালতের আদেশ যথাযথভাবে অনুসরণ করেননি। এর ফলে আদালত ডিসিসহ তিন কর্মকর্তাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেন—কেন তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালতের আদেশ অমান্য করা গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় এবং এর মাধ্যমে আইনের শাসন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এই ধরনের ঘটনায় আদালত সাধারণত কঠোর অবস্থান নেয়, যাতে ভবিষ্যতে কোনো প্রশাসনিক সংস্থা আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা না করে।

এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ প্রশাসনের পদক্ষেপকে সমর্থন করলেও, অনেকেই এটিকে আইনবিরোধী ও অযৌক্তিক বলে উল্লেখ করেছেন। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান এবং ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন।

বর্তমানে সকলের দৃষ্টি আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। কর্মকর্তাদের ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে, তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আরও পড়ুনঃ  লে. কর্নেল মো. আফজাল নাছের গ্রেপ্তার হয়েছেন