Dhaka ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টম ক্রুজের পদবি বাদ দিলেন মেয়ে সুরি, মায়ের মধ্যনাম ‘নোয়েল’ এখন তার শেষ নাম সীমান্তের প্রান্তিক জনপদে শিক্ষার প্রদীপ জ্বালাচ্ছে গুচ্ছগ্রাম বিদ্যালয়: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ কালীগঞ্জে বিধবা ও প্রতিবন্ধী পরিবারের সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ডোপ টেস্টে ইতিবাচক ফল, অভিযুক্তের ৫ মাসের জেল সহ জরিমানা আদমদীঘি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারী সহ গ্রেপ্তার-৮!! ভূরুঙ্গামারীতে যৌথ অভিযানে ১৫ ফুটের গাঁজাগাছসহ মাদককারবারি গ্রেপ্তার রাজশাহীতে পদ্মা নদীতে নৌকাডুবি বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু করেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি Coronavirus disease 2019 ভারতের পর এবার চীনে গেলেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

১৪ হাজার সাংবাদিকের ‘তথ্য ফাঁস’, যা বললো ইসি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫০২ Time View

ইসি ওয়েবসাইটে তথ্য ফাঁসের অভিযোগ নাকচ, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতেই কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইট থেকে সাংবাদিকদের তথ্য ফাঁস হয়েছে—এমন অভিযোগকে সঠিক নয় বলে জানিয়েছে কমিশন। ইসির দাবি, এটি তথ্য ফাঁস নয়; বরং ওয়েবসাইটে কাজ চলাকালে স্বল্প সময়ের জন্য কিছু তথ্য দৃশ্যমান হয়েছিল।

ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক জানান, সাংবাদিকদের আপত্তির মুখে গত বৃহস্পতিবার কমিশনের ওয়েবসাইটে সাংবাদিকদের আবেদন গ্রহণ কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে শনিবার পর্যবেক্ষকদের আবেদন প্রক্রিয়াও বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছিল।

তিনি বলেন, এ সময় যেসব আবেদনকারী আগে নিবন্ধন করে নিজ নিজ ড্যাশবোর্ডে লগইন করেছিলেন, তারা অনিচ্ছাকৃতভাবে কিছু প্রশাসনিক অপশন দেখতে পেয়েছেন। ফলে অল্প সময়ের জন্য আবেদনকারীদের নাম ও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরের মতো কিছু তথ্য দৃশ্যমান হলেও সেগুলো ডাউনলোড করার কোনো সুযোগ ছিল না।

রুহুল আমিন মল্লিক আরও বলেন, “এটি কোনোভাবেই তথ্য ফাঁস নয়। সাইটে কাজ চলার সময় কিছু তথ্য ওপেন ছিল। হ্যাকিং বা অবৈধভাবে তথ্য সংগ্রহ করে কেউ অপব্যবহার করেছে—এমন কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি।”

গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ইসির ওয়েবসাইট থেকে প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য ফাঁস হয়েছে—এমন অভিযোগ ওঠার পর কমিশন এ ব্যাখ্যা দেয়।

ওয়েবসাইটটি পেশাদার কোনো আইটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে—এমন অভিযোগের বিষয়ে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন, “এই ওয়েবসাইট আমাদের নিজস্ব প্রোগ্রামাররাই তৈরি করেছেন। এত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্ল্যাটফর্ম এআই দিয়ে বানানো হয়েছে—এমন অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।”

উল্লেখ্য, সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন pr.ecs.gov.bd নামে একটি ওয়েবসাইট চালু করে। আসন্ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য এই প্রথম সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের অনলাইনে আবেদন নেওয়ার উদ্যোগ নেয় কমিশন।

তবে আবেদন প্রক্রিয়ায় নানা তথ্যসংক্রান্ত জটিলতা ও আপত্তি ওঠায় কমিশন সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। ফলে আগের মতোই এবারও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন যাচাই শেষে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ঈদুল আজহায় কোন সিনেমার কেমন প্রস্তুতি

ইসির আগের নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদনকারীদের প্রথমে ওয়েবসাইটে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করতে হতো। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র আপলোড করে আবেদন শেষ করার নিয়ম ছিল। ইতোমধ্যে অনেক সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক সেই আবেদন সম্পন্ন করেছিলেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চলতি সপ্তাহেই সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের জন্য পাস ইস্যু করতে পারে নির্বাচন কমিশন। এবারের নির্বাচনে সারা দেশে প্রায় সাড়ে ৫৫ হাজার দেশীয় পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালনের কথা রয়েছে।

Tag :
About Author Information

টম ক্রুজের পদবি বাদ দিলেন মেয়ে সুরি, মায়ের মধ্যনাম ‘নোয়েল’ এখন তার শেষ নাম

১৪ হাজার সাংবাদিকের ‘তথ্য ফাঁস’, যা বললো ইসি

Update Time : ০৫:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইসি ওয়েবসাইটে তথ্য ফাঁসের অভিযোগ নাকচ, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতেই কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইট থেকে সাংবাদিকদের তথ্য ফাঁস হয়েছে—এমন অভিযোগকে সঠিক নয় বলে জানিয়েছে কমিশন। ইসির দাবি, এটি তথ্য ফাঁস নয়; বরং ওয়েবসাইটে কাজ চলাকালে স্বল্প সময়ের জন্য কিছু তথ্য দৃশ্যমান হয়েছিল।

ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক জানান, সাংবাদিকদের আপত্তির মুখে গত বৃহস্পতিবার কমিশনের ওয়েবসাইটে সাংবাদিকদের আবেদন গ্রহণ কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে শনিবার পর্যবেক্ষকদের আবেদন প্রক্রিয়াও বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছিল।

তিনি বলেন, এ সময় যেসব আবেদনকারী আগে নিবন্ধন করে নিজ নিজ ড্যাশবোর্ডে লগইন করেছিলেন, তারা অনিচ্ছাকৃতভাবে কিছু প্রশাসনিক অপশন দেখতে পেয়েছেন। ফলে অল্প সময়ের জন্য আবেদনকারীদের নাম ও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরের মতো কিছু তথ্য দৃশ্যমান হলেও সেগুলো ডাউনলোড করার কোনো সুযোগ ছিল না।

রুহুল আমিন মল্লিক আরও বলেন, “এটি কোনোভাবেই তথ্য ফাঁস নয়। সাইটে কাজ চলার সময় কিছু তথ্য ওপেন ছিল। হ্যাকিং বা অবৈধভাবে তথ্য সংগ্রহ করে কেউ অপব্যবহার করেছে—এমন কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি।”

গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ইসির ওয়েবসাইট থেকে প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য ফাঁস হয়েছে—এমন অভিযোগ ওঠার পর কমিশন এ ব্যাখ্যা দেয়।

ওয়েবসাইটটি পেশাদার কোনো আইটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে—এমন অভিযোগের বিষয়ে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন, “এই ওয়েবসাইট আমাদের নিজস্ব প্রোগ্রামাররাই তৈরি করেছেন। এত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্ল্যাটফর্ম এআই দিয়ে বানানো হয়েছে—এমন অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।”

উল্লেখ্য, সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন pr.ecs.gov.bd নামে একটি ওয়েবসাইট চালু করে। আসন্ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য এই প্রথম সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের অনলাইনে আবেদন নেওয়ার উদ্যোগ নেয় কমিশন।

তবে আবেদন প্রক্রিয়ায় নানা তথ্যসংক্রান্ত জটিলতা ও আপত্তি ওঠায় কমিশন সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। ফলে আগের মতোই এবারও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন যাচাই শেষে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম সিলেট আসছেন আগামীকাল

ইসির আগের নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদনকারীদের প্রথমে ওয়েবসাইটে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করতে হতো। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র আপলোড করে আবেদন শেষ করার নিয়ম ছিল। ইতোমধ্যে অনেক সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক সেই আবেদন সম্পন্ন করেছিলেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চলতি সপ্তাহেই সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের জন্য পাস ইস্যু করতে পারে নির্বাচন কমিশন। এবারের নির্বাচনে সারা দেশে প্রায় সাড়ে ৫৫ হাজার দেশীয় পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালনের কথা রয়েছে।