
‘এশিয়ার নোবেল’ খ্যাত র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন বেসরকারি সংস্থা ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক রুনা খান।
সোমবার (৩১ আগস্ট) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় চলতি বছরের পুরস্কারজয়ীদের নাম ঘোষণা করে র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন।
রুনা খান ২০০২ সালে ফ্রেন্ডশিপ প্রতিষ্ঠা করেন। দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে প্রয়োজনীয় সেবা পৌঁছে দেওয়াই সংস্থাটির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। দুই দশকের বেশি সময় ধরে দারিদ্র্য, বৈষম্য, পরিবেশগত সংকট ও সামাজিক অবিচারের মতো বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের জন্য কাজ করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।
ফ্রেন্ডশিপের ঘোষিত লক্ষ্য অনুযায়ী, এমন একটি সমাজ গড়ে তোলাই তাদের উদ্দেশ্য, যেখানে বিশেষ করে যেসব মানুষের কাছে সহজে পৌঁছানো যায় না বা যাদের প্রয়োজন অনেক সময় উপেক্ষিত থাকে, তারাও মর্যাদা ও আশা নিয়ে বেঁচে থাকার সমান সুযোগ পান।
এ বছর রুনা খানের সঙ্গে র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেয়েছেন আরও দুজন। তারা হলেন সিঙ্গাপুরের টমি কোহ এবং মিয়ানমারের বো চি।
পুরস্কারজয়ীদের নাম ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ৬৮তম র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার আয়োজন। আগামী ১৫ নভেম্বর ম্যানিলার মেট্রোপলিটন থিয়েটারে সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
র্যামন ম্যাগসাইসাই ছিলেন ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট। ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ একটি বিমান দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। একই বছর তার স্মৃতিতে র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরের বছর, ১৯৫৮ সাল থেকে তার নামে পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।
প্রতিবছর ৩১ আগস্ট ম্যাগসাইসাইয়ের জন্মদিনে ম্যানিলা থেকে ওই বছরের পুরস্কারজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এশিয়ায় মানুষের কল্যাণ, নেতৃত্ব ও সামাজিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার দেওয়া হয়ে থাকে।
রুনা খানের এই অর্জনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উন্নয়ন খাতে দীর্ঘদিনের কাজও নতুন করে স্বীকৃতি পেল।
desk news 



















