Dhaka ০৫:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হয়েও চাকরি হয়নি ক্লীন্টনের, নদীভাঙনে হারিয়েছেন স্থায়ী ঠিকানা পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীদের কড়া বার্তা দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে পাসপোর্ট করতে গিয়ে অকল্পনীয় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি মাদরাসাছাত্র বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুর সবচেয়ে অকর্মা সন্তানগুলোই সাংবাদিক হয়: সাবেক ছাত্রদল নেতা প্রশিক্ষণ নিতে জাপানে যাচ্ছেন দেশের ১৭ বিচারক ও ৬ আইনজীবী বাঁচতে চায় ৭ বছরের অনুষ্কা, প্রয়োজন ৫–৬ লাখ টাকা অতিদরিদ্রদের বরাদ্দের মাল ভাগাভাগি নিয়ে দুই পক্ষের হাতাহাতি ১১ মাসে কোরআনের হাফেজ মুগ্ধ, বড় হয়ে হতে চান ডাক্তার

রাশিয়া-ইউক্রেনের রাতভর পাল্টাপাল্টি হামলায় নিহত ১৩

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে রাতভর পাল্টাপাল্টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় উভয় পক্ষে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

রোববার রাতে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেন। রুশ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মস্কো ও আশপাশের এলাকায় চালানো হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। রোস্তভ অঞ্চলে পাঁচজন এবং মস্কো অঞ্চলে আরও একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, হামলায় ৮২২টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানান, রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ৬০০ ড্রোন পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে ২০১টি ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

রুশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত দুই বছরের মধ্যে মস্কোর ওপর এটি অন্যতম বড় আকাশপথে হামলা। হামলায় বিভিন্ন স্থাপনা ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় রোস্তভ অঞ্চলেও ব্যাপক ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরেও রাতভর ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, এসব হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। মধ্যাঞ্চলীয় ক্রিভি রিহ শহরে রুশ হামলায় দুজন নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছেন।

কিয়েভসহ বিভিন্ন এলাকায় রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ভবনে আগুন ধরে যায়। রাজধানীর ওবোলনস্কি এলাকায় পেত্রোভকা বইবাজারের একটি বড় অংশও আগুনে পুড়ে যায়। এতে ব্যবসায়ীদের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

যুদ্ধের এই পর্যায়ে রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষই দূরপাল্লার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি জ্বালানি অবকাঠামো, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে। ফলে দুই দেশের বেসামরিক জনগণের হতাহতের ঝুঁকিও ক্রমেই বাড়ছে।

আরও পড়ুনঃ  ভূমিধস জয়ের পথে জেন-জি নেতা বালেন্দ্র শাহ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হয়েও চাকরি হয়নি ক্লীন্টনের, নদীভাঙনে হারিয়েছেন স্থায়ী ঠিকানা

রাশিয়া-ইউক্রেনের রাতভর পাল্টাপাল্টি হামলায় নিহত ১৩

Update Time : ০১:০০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে রাতভর পাল্টাপাল্টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় উভয় পক্ষে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

রোববার রাতে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেন। রুশ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মস্কো ও আশপাশের এলাকায় চালানো হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। রোস্তভ অঞ্চলে পাঁচজন এবং মস্কো অঞ্চলে আরও একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, হামলায় ৮২২টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানান, রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ৬০০ ড্রোন পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে ২০১টি ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

রুশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত দুই বছরের মধ্যে মস্কোর ওপর এটি অন্যতম বড় আকাশপথে হামলা। হামলায় বিভিন্ন স্থাপনা ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় রোস্তভ অঞ্চলেও ব্যাপক ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরেও রাতভর ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, এসব হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। মধ্যাঞ্চলীয় ক্রিভি রিহ শহরে রুশ হামলায় দুজন নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছেন।

কিয়েভসহ বিভিন্ন এলাকায় রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ভবনে আগুন ধরে যায়। রাজধানীর ওবোলনস্কি এলাকায় পেত্রোভকা বইবাজারের একটি বড় অংশও আগুনে পুড়ে যায়। এতে ব্যবসায়ীদের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

যুদ্ধের এই পর্যায়ে রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষই দূরপাল্লার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি জ্বালানি অবকাঠামো, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে। ফলে দুই দেশের বেসামরিক জনগণের হতাহতের ঝুঁকিও ক্রমেই বাড়ছে।

আরও পড়ুনঃ  লিবিয়ার উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে নিহত ৫৩