Dhaka ০৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে কৌশলে টয়লেটে নিয়ে গেলেন শিক্ষক, অতঃপর… সাত মাসে ঢাকা-মাওয়া সড়কে ১১১ দুর্ঘটনা, প্রাণহানি ১৪ ফেসবুক লাইভে বিএনপিকে নিয়ে মন্তব্য, অবশেষে জামিন পেলেন নারী উদ্যোক্তা সাথী আক্তার সুনামগঞ্জে দুই সেতুর কাজ বন্ধ, এমপি নুরুলের বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ ঠিকাদারের সিলেট শাহী ঈদগাহকে আরও দৃষ্টিনন্দন করতে ৫ কোটি টাকার প্রকল্প—সিসিক প্রশাসক শি শু মুহিন হ ত্যার দায়ে ২ জনের মৃ ত্যুদণ্ড চাঁদা না পেয়ে ইউপি সদস্যকে বেদম পেটালেন নেতা ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বার্তা দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতের সমর্থন ছাড়ার ঘোষণা, ভিডিও ভাইরাল মাদকাসক্ত প্রধান শিক্ষকের নাচের ভিডিও ভাইরাল

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহার নিষিদ্ধ

সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, চিঠিপত্র ও বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্রীয় নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’সহ কোনো ধরনের সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় কাজ ও সরকারি দাপ্তরিক নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের পদবির আগে প্রচলিত ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব পদবি সরাসরি উল্লেখ করেই দাপ্তরিক যোগাযোগ সম্পন্ন করতে হবে।

পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি কাজের ক্ষেত্রে পদবি ব্যবহারে অভিন্নতা ও দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে এখন থেকে সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সব সরকারি প্রতিষ্ঠানের নথিপত্র ও যোগাযোগে এ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বুধবার থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। অর্থাৎ পরিপত্র জারির দিন থেকেই সরকারি দাপ্তরিক কাজে সংশ্লিষ্ট পদগুলোর আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনস্থ সব দপ্তর ও সংস্থাকেও নির্দেশনাটি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

এর ফলে সরকারি চিঠি, প্রজ্ঞাপন, পরিপত্র, অফিস আদেশ, নোটিশ, প্রতিবেদন, নথি এবং অন্যান্য দাপ্তরিক যোগাযোগে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবি উল্লেখের ক্ষেত্রে নতুন এ নিয়ম কার্যকর থাকবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ নির্দেশনার মাধ্যমে সরকারি দাপ্তরিক নথিপত্রে পদবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট ও অভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। এখন থেকে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে নথিপত্র প্রস্তুত ও দাপ্তরিক যোগাযোগের সময় এ নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে কৌশলে টয়লেটে নিয়ে গেলেন শিক্ষক, অতঃপর…

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহার নিষিদ্ধ

Update Time : ০৪:৩৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, চিঠিপত্র ও বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্রীয় নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’সহ কোনো ধরনের সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় কাজ ও সরকারি দাপ্তরিক নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের পদবির আগে প্রচলিত ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব পদবি সরাসরি উল্লেখ করেই দাপ্তরিক যোগাযোগ সম্পন্ন করতে হবে।

পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি কাজের ক্ষেত্রে পদবি ব্যবহারে অভিন্নতা ও দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে এখন থেকে সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সব সরকারি প্রতিষ্ঠানের নথিপত্র ও যোগাযোগে এ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বুধবার থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। অর্থাৎ পরিপত্র জারির দিন থেকেই সরকারি দাপ্তরিক কাজে সংশ্লিষ্ট পদগুলোর আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনস্থ সব দপ্তর ও সংস্থাকেও নির্দেশনাটি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

এর ফলে সরকারি চিঠি, প্রজ্ঞাপন, পরিপত্র, অফিস আদেশ, নোটিশ, প্রতিবেদন, নথি এবং অন্যান্য দাপ্তরিক যোগাযোগে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবি উল্লেখের ক্ষেত্রে নতুন এ নিয়ম কার্যকর থাকবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ নির্দেশনার মাধ্যমে সরকারি দাপ্তরিক নথিপত্রে পদবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট ও অভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। এখন থেকে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে নথিপত্র প্রস্তুত ও দাপ্তরিক যোগাযোগের সময় এ নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  মাদরাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এবার সহকারী জজ হলেন আব্দুল্লাহ