Dhaka ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, জরিমানা ৩ জনকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, গরম খুন্তি দিয়ে দুই ছাত্রকে ছ্যাঁকা; পরিচালকসহ গ্রেপ্তার ৩ কুড়িয়ে পাওয়া টাকা ফেরত দিতে মালিকের সন্ধানে দুদিন ধরে মাইকিং করছেন এক যুবক ৮ দফা দাবিতে রেলপথ অবরোধ, থামল কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ঢাকায় গোপন বৈঠক, যুবলীগের ৮ নেতা গ্রেপ্তার বিএনপির বিভিন্ন কমিটির শূন্যপদে পদোন্নতি হবে কীভাবে, জানালেন রিজভ রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি, সাজছে নগরী ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে বাংলাদেশ: বিমানমন্ত্রী ফ্ল্যাটের চেয়েও কবরের দাম বেশি, এক টুকরো কবরস্থানের দাম সাড়ে ৪ কোটি

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহার নিষিদ্ধ

সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, চিঠিপত্র ও বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্রীয় নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’সহ কোনো ধরনের সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় কাজ ও সরকারি দাপ্তরিক নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের পদবির আগে প্রচলিত ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব পদবি সরাসরি উল্লেখ করেই দাপ্তরিক যোগাযোগ সম্পন্ন করতে হবে।

পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি কাজের ক্ষেত্রে পদবি ব্যবহারে অভিন্নতা ও দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে এখন থেকে সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সব সরকারি প্রতিষ্ঠানের নথিপত্র ও যোগাযোগে এ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বুধবার থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। অর্থাৎ পরিপত্র জারির দিন থেকেই সরকারি দাপ্তরিক কাজে সংশ্লিষ্ট পদগুলোর আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনস্থ সব দপ্তর ও সংস্থাকেও নির্দেশনাটি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

এর ফলে সরকারি চিঠি, প্রজ্ঞাপন, পরিপত্র, অফিস আদেশ, নোটিশ, প্রতিবেদন, নথি এবং অন্যান্য দাপ্তরিক যোগাযোগে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবি উল্লেখের ক্ষেত্রে নতুন এ নিয়ম কার্যকর থাকবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ নির্দেশনার মাধ্যমে সরকারি দাপ্তরিক নথিপত্রে পদবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট ও অভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। এখন থেকে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে নথিপত্র প্রস্তুত ও দাপ্তরিক যোগাযোগের সময় এ নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  ভারতের ঝাড়খন্ডে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ৭
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহার নিষিদ্ধ

Update Time : ০৪:৩৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, চিঠিপত্র ও বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্রীয় নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’সহ কোনো ধরনের সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় কাজ ও সরকারি দাপ্তরিক নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের পদবির আগে প্রচলিত ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব পদবি সরাসরি উল্লেখ করেই দাপ্তরিক যোগাযোগ সম্পন্ন করতে হবে।

পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি কাজের ক্ষেত্রে পদবি ব্যবহারে অভিন্নতা ও দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে এখন থেকে সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সব সরকারি প্রতিষ্ঠানের নথিপত্র ও যোগাযোগে এ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বুধবার থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। অর্থাৎ পরিপত্র জারির দিন থেকেই সরকারি দাপ্তরিক কাজে সংশ্লিষ্ট পদগুলোর আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনস্থ সব দপ্তর ও সংস্থাকেও নির্দেশনাটি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

এর ফলে সরকারি চিঠি, প্রজ্ঞাপন, পরিপত্র, অফিস আদেশ, নোটিশ, প্রতিবেদন, নথি এবং অন্যান্য দাপ্তরিক যোগাযোগে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবি উল্লেখের ক্ষেত্রে নতুন এ নিয়ম কার্যকর থাকবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ নির্দেশনার মাধ্যমে সরকারি দাপ্তরিক নথিপত্রে পদবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট ও অভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। এখন থেকে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে নথিপত্র প্রস্তুত ও দাপ্তরিক যোগাযোগের সময় এ নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  সিলেটে জন্মাষ্টমীর আয়োজনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সজাগ থাকবে পুলিশ