Dhaka ০১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
‘মহিলাদের আমার ভাল্লাগে না’—প্রতি রাতে ১/২ জন ছাত্রকে হুজুরের রুমে নিতেন পত্রিকা অফিস থেকে সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে ব্ল্যাকমেল, এআই দিয়ে নারীর ছবি বিকৃত করে ছড়ানোর অভিযোগ সাগর-রুনি হত্যা: সাড়ে ১৩ বছর কারাগারে সিলেটের এনাম, মেলেনি সম্পৃক্ততার প্রমাণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের পর ক্রীড়া সংস্থায় সাবেক ছাত্রদল নেতাদের জায়গা বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সিকৃবি ভিসির অপসারণ দাবিতে আন্দোলন, ১৮ অভিযোগ তুলে লিফলেট জৈন্তাপুরে লরি থেকে এস্কেভেটর পড়ে চালকের মৃত্যু শনিবার বিদ্যুৎ থাকবে না সিলেটের অর্ধশতাধিক এলাকায় টিকা না নেওয়া শিশুরাই নতুন করে হামে আক্রান্ত হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহার নিষিদ্ধ

সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, চিঠিপত্র ও বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্রীয় নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’সহ কোনো ধরনের সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় কাজ ও সরকারি দাপ্তরিক নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের পদবির আগে প্রচলিত ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব পদবি সরাসরি উল্লেখ করেই দাপ্তরিক যোগাযোগ সম্পন্ন করতে হবে।

পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি কাজের ক্ষেত্রে পদবি ব্যবহারে অভিন্নতা ও দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে এখন থেকে সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সব সরকারি প্রতিষ্ঠানের নথিপত্র ও যোগাযোগে এ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বুধবার থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। অর্থাৎ পরিপত্র জারির দিন থেকেই সরকারি দাপ্তরিক কাজে সংশ্লিষ্ট পদগুলোর আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনস্থ সব দপ্তর ও সংস্থাকেও নির্দেশনাটি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

এর ফলে সরকারি চিঠি, প্রজ্ঞাপন, পরিপত্র, অফিস আদেশ, নোটিশ, প্রতিবেদন, নথি এবং অন্যান্য দাপ্তরিক যোগাযোগে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবি উল্লেখের ক্ষেত্রে নতুন এ নিয়ম কার্যকর থাকবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ নির্দেশনার মাধ্যমে সরকারি দাপ্তরিক নথিপত্রে পদবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট ও অভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। এখন থেকে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে নথিপত্র প্রস্তুত ও দাপ্তরিক যোগাযোগের সময় এ নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  সালমান শাহ: ৩০ বছর পরও শেষ হয়নি অপেক্ষা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

‘মহিলাদের আমার ভাল্লাগে না’—প্রতি রাতে ১/২ জন ছাত্রকে হুজুরের রুমে নিতেন

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহার নিষিদ্ধ

Update Time : ০৪:৩৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, চিঠিপত্র ও বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্রীয় নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’সহ কোনো ধরনের সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় কাজ ও সরকারি দাপ্তরিক নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের পদবির আগে প্রচলিত ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব পদবি সরাসরি উল্লেখ করেই দাপ্তরিক যোগাযোগ সম্পন্ন করতে হবে।

পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি কাজের ক্ষেত্রে পদবি ব্যবহারে অভিন্নতা ও দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে এখন থেকে সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সব সরকারি প্রতিষ্ঠানের নথিপত্র ও যোগাযোগে এ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বুধবার থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। অর্থাৎ পরিপত্র জারির দিন থেকেই সরকারি দাপ্তরিক কাজে সংশ্লিষ্ট পদগুলোর আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনস্থ সব দপ্তর ও সংস্থাকেও নির্দেশনাটি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

এর ফলে সরকারি চিঠি, প্রজ্ঞাপন, পরিপত্র, অফিস আদেশ, নোটিশ, প্রতিবেদন, নথি এবং অন্যান্য দাপ্তরিক যোগাযোগে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবি উল্লেখের ক্ষেত্রে নতুন এ নিয়ম কার্যকর থাকবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ নির্দেশনার মাধ্যমে সরকারি দাপ্তরিক নথিপত্রে পদবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট ও অভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। এখন থেকে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে নথিপত্র প্রস্তুত ও দাপ্তরিক যোগাযোগের সময় এ নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভা দুপুরে