
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নের টেকনাগুল এলাকায় একটি স্থায়ী সেতুর অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন কয়েকটি গ্রামের প্রায় ১৪ হাজার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে একটি বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করেই তাদের দৈনন্দিন চলাচল করতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, এলাকার গুরুত্বপূর্ণ একটি খালের ওপর সেতু না থাকায় নিজেদের উদ্যোগে বাঁশ দিয়ে সাঁকো তৈরি করা হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সাঁকোটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়লেও বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই এটি ব্যবহার করছেন এলাকাবাসী।
সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতায়াত করেন। বর্ষা মৌসুমে পানি বেড়ে গেলে পারাপারের সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বাড়ে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও শিক্ষার্থীদের সাঁকো পারাপারে বেশি ঝুঁকি নিতে হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী জানান, জরুরি প্রয়োজনে অসুস্থ ব্যক্তি ও প্রসূতি নারীদেরও এই সাঁকো পার করে নিতে হয়। এতে অনেক সময় রোগী নিয়ে স্বজনদের বিপাকে পড়তে হয়।
যোগাযোগ সমস্যার কারণে স্থানীয় কৃষকরাও ক্ষতির মুখে পড়ছেন। উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে নেওয়ার সময় বাড়তি ঝুঁকি ও পরিবহন ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। ব্যবসায়ীদেরও পণ্য পরিবহনে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হলে কয়েকটি গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যা দূর হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন ও স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যেও গতি আসবে।
এলাকাবাসী দ্রুত জায়গাটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে দ্রুত একটি টেকসই সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি 


















