Dhaka ০৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিন দিনের তেল বিক্রি হয়েছে একদিনে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ৫১৪ Time View

সরেজমিন পেট্রোল পাম্প

রাজধানীর অনেক ফিলিং স্টেশনেই ঠিকঠাক মিলছে না তেল। মোটরবাইক চালকরা এ স্টেশন থেকে ও স্টেশনে ঘুরে ঘুরে পেট্রোল-অকটেন সংগ্রহ করছেন। আবার এও অভিযোগ আছে, বেধে দেওয়া পরিমান অনুযায়ীও তেল দেওয়া হচ্ছে না।রাজধানীর আগারগাঁও তালতলার একটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, তারা শুক্রবার রাত থেকেই বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন। স্টক ফুরিয়ে যাওয়ায় তারা এমন করতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক। তিনি বলেন, যে স্টক ছিল, তা ফুরিয়ে গেছে। তিন দিনের বিক্রি হয়ে গেছে একদিনে। আজ খোলার কোনো সুযোগ আছে কিনা এমন প্রশ্ন তিনি বলেন, পুরোটা নির্ভর করছে তেল আসার ওপর। এলেই বিক্রি শুরু হবে। চট্টগ্রামের তেল বিক্রিতেও সকাল থেকে কিছুটা অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। কোনোটিতে তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় বন্ধ রাখা হয়েছে। কোনোটি আবার নির্দিষ্ট টাকার তেল বিক্রি করে ক্রেতাদের শান্ত করছেন। একটি স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, পণ্য বা যাত্রীবাহী পরিবহনকে ৫০ থেকে ৬০ লিটার তেল একবারে দেওয়া হচ্ছে। সারাদিন যেন তাদের কাছে আসা পরিবহনকে ডিজেল সরবরাহ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই নিজেরাই ,ফেনীতে সকাল থেকে দেখা গেছে মোটরসাইকেল চালকদের দুই লিটার করে পেট্রোল-অকটেন দেওয়া হয়েছে। আবার একই স্টেশনে দেখা গেছে ‘ডিজেল শেষ’ লেখাও। 

জেলার ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতির সভাপতি জানিয়েছেন, ফেনীতে আড়াই লাখ লিটার তেলের যে চাহিদা, তার বিপরীতে অর্ধেক পেয়েছেন। যার কারণে শুক্রবার থেকেই সংকট দেখা দিয়েছে।রাজশাহীর পরিস্থিতিও অনেকটা একই। বাইক চালকদের চাহিদা বেশি সেখানে। তারা একটিতে পেট্রোল বা অকটেন না পেয়ে অন্যটিতে খোঁজ করছেন। তবে, কিছু কিছু ফিলিং স্টেশনে সামনে রশি টানিয়ে বিক্রি বন্ধ রাখতে দেখা গেছে

আরও পড়ুনঃ  ছুটির দিনে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে বই পাচার
Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ, ফের অসুস্থ ২১ শিক্ষার্থী

তিন দিনের তেল বিক্রি হয়েছে একদিনে

Update Time : ০২:০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

সরেজমিন পেট্রোল পাম্প

রাজধানীর অনেক ফিলিং স্টেশনেই ঠিকঠাক মিলছে না তেল। মোটরবাইক চালকরা এ স্টেশন থেকে ও স্টেশনে ঘুরে ঘুরে পেট্রোল-অকটেন সংগ্রহ করছেন। আবার এও অভিযোগ আছে, বেধে দেওয়া পরিমান অনুযায়ীও তেল দেওয়া হচ্ছে না।রাজধানীর আগারগাঁও তালতলার একটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, তারা শুক্রবার রাত থেকেই বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন। স্টক ফুরিয়ে যাওয়ায় তারা এমন করতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক। তিনি বলেন, যে স্টক ছিল, তা ফুরিয়ে গেছে। তিন দিনের বিক্রি হয়ে গেছে একদিনে। আজ খোলার কোনো সুযোগ আছে কিনা এমন প্রশ্ন তিনি বলেন, পুরোটা নির্ভর করছে তেল আসার ওপর। এলেই বিক্রি শুরু হবে। চট্টগ্রামের তেল বিক্রিতেও সকাল থেকে কিছুটা অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। কোনোটিতে তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় বন্ধ রাখা হয়েছে। কোনোটি আবার নির্দিষ্ট টাকার তেল বিক্রি করে ক্রেতাদের শান্ত করছেন। একটি স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, পণ্য বা যাত্রীবাহী পরিবহনকে ৫০ থেকে ৬০ লিটার তেল একবারে দেওয়া হচ্ছে। সারাদিন যেন তাদের কাছে আসা পরিবহনকে ডিজেল সরবরাহ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই নিজেরাই ,ফেনীতে সকাল থেকে দেখা গেছে মোটরসাইকেল চালকদের দুই লিটার করে পেট্রোল-অকটেন দেওয়া হয়েছে। আবার একই স্টেশনে দেখা গেছে ‘ডিজেল শেষ’ লেখাও। 

জেলার ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতির সভাপতি জানিয়েছেন, ফেনীতে আড়াই লাখ লিটার তেলের যে চাহিদা, তার বিপরীতে অর্ধেক পেয়েছেন। যার কারণে শুক্রবার থেকেই সংকট দেখা দিয়েছে।রাজশাহীর পরিস্থিতিও অনেকটা একই। বাইক চালকদের চাহিদা বেশি সেখানে। তারা একটিতে পেট্রোল বা অকটেন না পেয়ে অন্যটিতে খোঁজ করছেন। তবে, কিছু কিছু ফিলিং স্টেশনে সামনে রশি টানিয়ে বিক্রি বন্ধ রাখতে দেখা গেছে

আরও পড়ুনঃ  ছুটির দিনে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে বই পাচার