
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, দেশের মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুসরণ করলে রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার।
রিজার্ভ বৃদ্ধির পেছনে প্রবাসী আয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৯ দিনে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৮৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল প্রায় ১৮৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার।
চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৭৭০ কোটি ২০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৬৭৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার।
অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বাড়াতে সহায়তা করছে।
বাংলাদেশের বৈদেশিক লেনদেনের সক্ষমতা ও আমদানি ব্যয় মেটানোর ক্ষেত্রে রিজার্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে রেমিট্যান্সের ধারাবাহিক প্রবাহের সঙ্গে রিজার্ভের বর্তমান পরিস্থিতিও অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অর্থনীতি ডেস্ক 


















