Dhaka ০৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টম ক্রুজের পদবি বাদ দিলেন মেয়ে সুরি, মায়ের মধ্যনাম ‘নোয়েল’ এখন তার শেষ নাম সীমান্তের প্রান্তিক জনপদে শিক্ষার প্রদীপ জ্বালাচ্ছে গুচ্ছগ্রাম বিদ্যালয়: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ কালীগঞ্জে বিধবা ও প্রতিবন্ধী পরিবারের সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ডোপ টেস্টে ইতিবাচক ফল, অভিযুক্তের ৫ মাসের জেল সহ জরিমানা আদমদীঘি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারী সহ গ্রেপ্তার-৮!! ভূরুঙ্গামারীতে যৌথ অভিযানে ১৫ ফুটের গাঁজাগাছসহ মাদককারবারি গ্রেপ্তার রাজশাহীতে পদ্মা নদীতে নৌকাডুবি বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু করেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি Coronavirus disease 2019 ভারতের পর এবার চীনে গেলেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধনের দিনেই অ্যাকাউন্টে এসেছে টাকা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ৫০২ Time View

অনেকের মুঠোফোনেই অর্থ জমা হওয়ার সরকারি বার্তা পৌঁছানোর পর অনুষ্ঠানস্থলে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আসন্ন ঈদের আগে সরাসরি রাষ্ট্রীয় এই আর্থিক সহায়তা পেয়ে অনেক অসহায় মানুষের চোখে পানি চলে আসে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কোনো ধরনের দলীয় প্রভাব ছাড়াই এই অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসা সাধারণ মানুষ এই সহায়তার টাকা নিয়ে তাদের ব্যক্তিগত পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। কেউ এই অর্থ দিয়ে জরুরি ওষুধের ব্যয় মেটানোর স্বপ্ন দেখছেন, আবার কেউ সামান্য কিছু সঞ্চয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, স্বচ্ছ যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবার চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে এই ভাতার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি টাকা জমা হওয়ায় সুবিধাভোগীদের আর কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর দ্বারস্থ হতে হচ্ছে না, যা প্রান্তিক পর্যায়ে জনতুষ্টি বাড়িয়েছে।

সরকার এই মানবিক কর্মসূচিটি বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়ন করছে। মাঠ পর্যায়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত দুস্থদের তথ্য যাচাই করে এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। প্রকৃত হকদাররা যাতে কোনো হয়রানি ছাড়াই সরকারি এই সুবিধা পান, তা ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগটি দরিদ্র পরিবারের জীবনযাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। কড়াইল বস্তিসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা এই অর্থ সহায়তাকে তাদের জন্য বড় এক স্বস্তি হিসেবে দেখছেন। 

বিশেষ করে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে এই আড়াই হাজার টাকা সাধারণ মানুষের আনন্দকে দ্বিগুণ করে দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পরীক্ষামূলক পর্যায়ের এই সফল অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে কর্মসূচির পরিধি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  তেল না দেয়ায় এয়ারপোর্ট চৌকিদেখী পেট্রোল পাম্পে কর্মীকে ছুরিকাঘাত
Tag :
About Author Information

টম ক্রুজের পদবি বাদ দিলেন মেয়ে সুরি, মায়ের মধ্যনাম ‘নোয়েল’ এখন তার শেষ নাম

ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধনের দিনেই অ্যাকাউন্টে এসেছে টাকা

Update Time : ১২:১২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

অনেকের মুঠোফোনেই অর্থ জমা হওয়ার সরকারি বার্তা পৌঁছানোর পর অনুষ্ঠানস্থলে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আসন্ন ঈদের আগে সরাসরি রাষ্ট্রীয় এই আর্থিক সহায়তা পেয়ে অনেক অসহায় মানুষের চোখে পানি চলে আসে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কোনো ধরনের দলীয় প্রভাব ছাড়াই এই অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসা সাধারণ মানুষ এই সহায়তার টাকা নিয়ে তাদের ব্যক্তিগত পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। কেউ এই অর্থ দিয়ে জরুরি ওষুধের ব্যয় মেটানোর স্বপ্ন দেখছেন, আবার কেউ সামান্য কিছু সঞ্চয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, স্বচ্ছ যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবার চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে এই ভাতার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি টাকা জমা হওয়ায় সুবিধাভোগীদের আর কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর দ্বারস্থ হতে হচ্ছে না, যা প্রান্তিক পর্যায়ে জনতুষ্টি বাড়িয়েছে।

সরকার এই মানবিক কর্মসূচিটি বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়ন করছে। মাঠ পর্যায়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত দুস্থদের তথ্য যাচাই করে এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। প্রকৃত হকদাররা যাতে কোনো হয়রানি ছাড়াই সরকারি এই সুবিধা পান, তা ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগটি দরিদ্র পরিবারের জীবনযাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। কড়াইল বস্তিসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা এই অর্থ সহায়তাকে তাদের জন্য বড় এক স্বস্তি হিসেবে দেখছেন। 

বিশেষ করে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে এই আড়াই হাজার টাকা সাধারণ মানুষের আনন্দকে দ্বিগুণ করে দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পরীক্ষামূলক পর্যায়ের এই সফল অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে কর্মসূচির পরিধি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সিএজি’র ৩৮ অডিট রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ