Dhaka ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটে সুইমিং পুলে সাঁতার কাটতে গিয়ে শাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু জাফর ইকবালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল সিলেটে সিএনজি অটোরিকশার সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত, আহত ১ ৭০ বছরের অভাবের সংসার, ৬ বছর ধরে শয্যাশায়ী স্ত্রী—তবুও ছেড়ে যাননি সাজু মিয়া; শেষ বয়সে পাশে দাঁড়াল প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে ফুল ফান্ডেড পিএইচডির সুযোগ পেলেন সিলেটের শাহ উসামা ক্ষণিকের পরিচয় থেকে যুবককে বিশ্বাস, অতঃপর যা হলো গৃহবধূর বিদ্যুতের সুইচ ভারতের হাতে, যে কোনো সময় বন্ধ করতে পারে: রিজভী প্রতিদিন অফিসে হাজিরা দিয়ে চলে যান কর্মকর্তার বাসায়, দুই নারী কর্মচারী সিলেটে হামে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৯৩ গোয়াইনঘাটে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোয় পারাপার ১৪ হাজার মানুষের

সিলেটে হামে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৯৩

 সিলেট বিভাগে হাম ও হামসদৃশ উপসর্গে আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ১৯৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মারা যাওয়া তিন শিশুর বয়স সাড়ে সাত মাস থেকে তিন বছর আট মাসের মধ্যে। তাদের মধ্যে দুজন সুনামগঞ্জের এবং একজন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। চিকিৎসকদের ভাষ্য, মৃত শিশুদের অপুষ্টিসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা ছিল।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭১ জন এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৬২ জন রয়েছেন। এছাড়া সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ২৫ জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১১ জন ভর্তি হয়েছেন। অন্যান্য কয়েকটি হাসপাতালেও রোগী ভর্তি হয়েছে।

বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও সংশ্লিষ্ট উপসর্গ নিয়ে পাঁচ শতাধিক রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৯২ জন এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৫৪ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, তিন শিশুর মৃত্যুর পর বিভাগে হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৮ জনে। তবে সব মৃত্যুর কারণ নিশ্চিতভাবে হাম হিসেবে শনাক্ত হয়নি। সিলেটে সন্দেহজনক মৃত্যুর পাশাপাশি পরীক্ষায় নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যাও আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

চিকিৎসকদের মতে, হাম ও সংশ্লিষ্ট উপসর্গে আক্রান্ত শিশুদের একটি বড় অংশ সিলেট ও সুনামগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে হাসপাতালে আসছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার পাশাপাশি টিকাদান ও পুষ্টি কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  পিএসএল ফাইনাল খেলতে পাকিস্তান যাচ্ছেন নাহিদ রানা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সিলেটে সুইমিং পুলে সাঁতার কাটতে গিয়ে শাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

সিলেটে হামে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৯৩

Update Time : ০৫:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 সিলেট বিভাগে হাম ও হামসদৃশ উপসর্গে আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ১৯৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মারা যাওয়া তিন শিশুর বয়স সাড়ে সাত মাস থেকে তিন বছর আট মাসের মধ্যে। তাদের মধ্যে দুজন সুনামগঞ্জের এবং একজন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। চিকিৎসকদের ভাষ্য, মৃত শিশুদের অপুষ্টিসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা ছিল।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭১ জন এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৬২ জন রয়েছেন। এছাড়া সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ২৫ জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১১ জন ভর্তি হয়েছেন। অন্যান্য কয়েকটি হাসপাতালেও রোগী ভর্তি হয়েছে।

বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও সংশ্লিষ্ট উপসর্গ নিয়ে পাঁচ শতাধিক রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৯২ জন এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৫৪ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, তিন শিশুর মৃত্যুর পর বিভাগে হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৮ জনে। তবে সব মৃত্যুর কারণ নিশ্চিতভাবে হাম হিসেবে শনাক্ত হয়নি। সিলেটে সন্দেহজনক মৃত্যুর পাশাপাশি পরীক্ষায় নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যাও আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

চিকিৎসকদের মতে, হাম ও সংশ্লিষ্ট উপসর্গে আক্রান্ত শিশুদের একটি বড় অংশ সিলেট ও সুনামগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে হাসপাতালে আসছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার পাশাপাশি টিকাদান ও পুষ্টি কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ইতালিতে বাঁধনকে হেনস্তা, বিস্ফোরক মন্তব্য পরীমনির