Dhaka ০৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, জরিমানা ৩ জনকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, গরম খুন্তি দিয়ে দুই ছাত্রকে ছ্যাঁকা; পরিচালকসহ গ্রেপ্তার ৩ কুড়িয়ে পাওয়া টাকা ফেরত দিতে মালিকের সন্ধানে দুদিন ধরে মাইকিং করছেন এক যুবক ৮ দফা দাবিতে রেলপথ অবরোধ, থামল কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ঢাকায় গোপন বৈঠক, যুবলীগের ৮ নেতা গ্রেপ্তার বিএনপির বিভিন্ন কমিটির শূন্যপদে পদোন্নতি হবে কীভাবে, জানালেন রিজভ রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি, সাজছে নগরী ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে বাংলাদেশ: বিমানমন্ত্রী

নওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর সুমন হোসেনের কঙ্কাল উদ্ধারনওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর সুমন হোসেনের কঙ্কাল উদ্ধার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৪১:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫১৪ Time View

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১৯ মাস পর সুমন হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কয়শা গ্রামের একটি ডোবার পানি সেচে ও মাটি খুঁড়ে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কয়শা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দুই দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে বাড়ির পাশে ইটের টুকরায় রক্তের দাগ পাওয়া গেলে পুলিশকে জানানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।

পরবর্তীতে সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন তথ্য দেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হাত ধরে টানাটানি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ২০২৪ সালের ২২ জুন রাতে ছোট ভাইয়ের সহযোগিতায় সুমনকে ডেকে নিয়ে গ্রামের নির্জন রাস্তায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ পাশের একটি শুকনো ডোবায় মাটিচাপা দেন। তার সহযোগী ছোট ভাই কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর সুমনের মোবাইল ফোন নিজের কাছে রেখে বন্ধ করে দেন আসামি। পরে সেটি চালু করে ব্যবহার শুরু করলে প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।

আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে রমজানের পুকুরের ডোবার পানি সেচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাড়গোড় ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১৯ মাস পর সুমন হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কয়শা গ্রামের একটি ডোবার পানি সেচে ও মাটি খুঁড়ে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  উপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শিক্ষিকার ধর্ষণ মামলা

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কয়শা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দুই দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে বাড়ির পাশে ইটের টুকরায় রক্তের দাগ পাওয়া গেলে পুলিশকে জানানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।

পরবর্তীতে সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন তথ্য দেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হাত ধরে টানাটানি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ২০২৪ সালের ২২ জুন রাতে ছোট ভাইয়ের সহযোগিতায় সুমনকে ডেকে নিয়ে গ্রামের নির্জন রাস্তায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ পাশের একটি শুকনো ডোবায় মাটিচাপা দেন। তার সহযোগী ছোট ভাই কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর সুমনের মোবাইল ফোন নিজের কাছে রেখে বন্ধ করে দেন আসামি। পরে সেটি চালু করে ব্যবহার শুরু করলে প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।

আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে রমজানের পুকুরের ডোবার পানি সেচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাড়গোড় ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১৯ মাস পর সুমন হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কয়শা গ্রামের একটি ডোবার পানি সেচে ও মাটি খুঁড়ে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  স্নাতক পর্যন্ত ছাত্রীদের উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কয়শা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দুই দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে বাড়ির পাশে ইটের টুকরায় রক্তের দাগ পাওয়া গেলে পুলিশকে জানানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।

পরবর্তীতে সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন তথ্য দেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হাত ধরে টানাটানি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ২০২৪ সালের ২২ জুন রাতে ছোট ভাইয়ের সহযোগিতায় সুমনকে ডেকে নিয়ে গ্রামের নির্জন রাস্তায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ পাশের একটি শুকনো ডোবায় মাটিচাপা দেন। তার সহযোগী ছোট ভাই কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর সুমনের মোবাইল ফোন নিজের কাছে রেখে বন্ধ করে দেন আসামি। পরে সেটি চালু করে ব্যবহার শুরু করলে প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।

আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে রমজানের পুকুরের ডোবার পানি সেচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাড়গোড় ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১৯ মাস পর সুমন হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কয়শা গ্রামের একটি ডোবার পানি সেচে ও মাটি খুঁড়ে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  উল্টোপথে মন্ত্রীর গাড়ি, দেওয়া হলো মামলা

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কয়শা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দুই দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে বাড়ির পাশে ইটের টুকরায় রক্তের দাগ পাওয়া গেলে পুলিশকে জানানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।

পরবর্তীতে সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন তথ্য দেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হাত ধরে টানাটানি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ২০২৪ সালের ২২ জুন রাতে ছোট ভাইয়ের সহযোগিতায় সুমনকে ডেকে নিয়ে গ্রামের নির্জন রাস্তায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ পাশের একটি শুকনো ডোবায় মাটিচাপা দেন। তার সহযোগী ছোট ভাই কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর সুমনের মোবাইল ফোন নিজের কাছে রেখে বন্ধ করে দেন আসামি। পরে সেটি চালু করে ব্যবহার শুরু করলে প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।

আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে রমজানের পুকুরের ডোবার পানি সেচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাড়গোড় ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর সুমন হোসেনের কঙ্কাল উদ্ধারনওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর সুমন হোসেনের কঙ্কাল উদ্ধার

Update Time : ১১:৪১:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১৯ মাস পর সুমন হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কয়শা গ্রামের একটি ডোবার পানি সেচে ও মাটি খুঁড়ে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কয়শা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দুই দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে বাড়ির পাশে ইটের টুকরায় রক্তের দাগ পাওয়া গেলে পুলিশকে জানানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।

পরবর্তীতে সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন তথ্য দেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হাত ধরে টানাটানি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ২০২৪ সালের ২২ জুন রাতে ছোট ভাইয়ের সহযোগিতায় সুমনকে ডেকে নিয়ে গ্রামের নির্জন রাস্তায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ পাশের একটি শুকনো ডোবায় মাটিচাপা দেন। তার সহযোগী ছোট ভাই কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর সুমনের মোবাইল ফোন নিজের কাছে রেখে বন্ধ করে দেন আসামি। পরে সেটি চালু করে ব্যবহার শুরু করলে প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।

আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে রমজানের পুকুরের ডোবার পানি সেচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাড়গোড় ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১৯ মাস পর সুমন হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কয়শা গ্রামের একটি ডোবার পানি সেচে ও মাটি খুঁড়ে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  নকল রোধে সংশোধন হচ্ছে পাবলিক পরীক্ষা আইন

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কয়শা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দুই দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে বাড়ির পাশে ইটের টুকরায় রক্তের দাগ পাওয়া গেলে পুলিশকে জানানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।

পরবর্তীতে সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন তথ্য দেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হাত ধরে টানাটানি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ২০২৪ সালের ২২ জুন রাতে ছোট ভাইয়ের সহযোগিতায় সুমনকে ডেকে নিয়ে গ্রামের নির্জন রাস্তায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ পাশের একটি শুকনো ডোবায় মাটিচাপা দেন। তার সহযোগী ছোট ভাই কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর সুমনের মোবাইল ফোন নিজের কাছে রেখে বন্ধ করে দেন আসামি। পরে সেটি চালু করে ব্যবহার শুরু করলে প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।

আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে রমজানের পুকুরের ডোবার পানি সেচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাড়গোড় ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১৯ মাস পর সুমন হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কয়শা গ্রামের একটি ডোবার পানি সেচে ও মাটি খুঁড়ে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  উল্টোপথে মন্ত্রীর গাড়ি, দেওয়া হলো মামলা

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কয়শা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দুই দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে বাড়ির পাশে ইটের টুকরায় রক্তের দাগ পাওয়া গেলে পুলিশকে জানানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।

পরবর্তীতে সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন তথ্য দেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হাত ধরে টানাটানি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ২০২৪ সালের ২২ জুন রাতে ছোট ভাইয়ের সহযোগিতায় সুমনকে ডেকে নিয়ে গ্রামের নির্জন রাস্তায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ পাশের একটি শুকনো ডোবায় মাটিচাপা দেন। তার সহযোগী ছোট ভাই কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর সুমনের মোবাইল ফোন নিজের কাছে রেখে বন্ধ করে দেন আসামি। পরে সেটি চালু করে ব্যবহার শুরু করলে প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।

আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে রমজানের পুকুরের ডোবার পানি সেচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাড়গোড় ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১৯ মাস পর সুমন হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কয়শা গ্রামের একটি ডোবার পানি সেচে ও মাটি খুঁড়ে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর: প্রস্তুতি সভায় মন্ত্রীর নানা নির্দেশনা

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কয়শা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দুই দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে বাড়ির পাশে ইটের টুকরায় রক্তের দাগ পাওয়া গেলে পুলিশকে জানানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।

পরবর্তীতে সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন তথ্য দেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হাত ধরে টানাটানি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে ২০২৪ সালের ২২ জুন রাতে ছোট ভাইয়ের সহযোগিতায় সুমনকে ডেকে নিয়ে গ্রামের নির্জন রাস্তায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ পাশের একটি শুকনো ডোবায় মাটিচাপা দেন। তার সহযোগী ছোট ভাই কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর সুমনের মোবাইল ফোন নিজের কাছে রেখে বন্ধ করে দেন আসামি। পরে সেটি চালু করে ব্যবহার শুরু করলে প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।

আত্রাই থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে রমজানের পুকুরের ডোবার পানি সেচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাড়গোড় ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।