Dhaka ০৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে নবনিযুক্ত প্রসিকিউটরদের যোগদান এক দফা দাবিতে এবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা আমার নোবেল পাওয়া উচিত, কিন্তু তারা দেবে কি না জানি না: ট্রাম্প বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারে যুক্তরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান রেলস্টেশনে জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ-ক্যামেরাসহ ব্যাগ চুরি কঠিন শর্তে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩৩০ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ নিচ্ছে সরকার মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হয়েও চাকরি হয়নি ক্লীন্টনের, নদীভাঙনে হারিয়েছেন স্থায়ী ঠিকানা পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীদের কড়া বার্তা দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে পাসপোর্ট করতে গিয়ে অকল্পনীয় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি মাদরাসাছাত্র বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম

হোটেলের বাথরুমে চিনি জ্বাল দিয়ে তৈরি হতো খাঁটি মধু, আটক ৪

ফেনীতে একটি আবাসিক হোটেলের বাথরুমে চুলা ও গ্যাস সিলিন্ডার বসিয়ে চিনি জ্বাল দিয়ে ভেজাল মধু তৈরির অভিযোগে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ফেনী পৌর এলাকার বড় মসজিদ রোডের একটি আবাসিক হোটেলের ষষ্ঠ তলায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোটেল ট্যুরিস্ট আবাসিকে অভিযান চালানো হয়। সেখানে একটি বাথরুমের ভেতরে চুলায় চিনি জ্বাল দিয়ে মধুর মতো একটি পণ্য তৈরির কার্যক্রম দেখতে পায় পুলিশ। পরে ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামতসহ চারজনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ মহসিন, মেহেদী হাসান, মো. রাসেল ও জসিম উদ্দিন। তারা কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা ভেজাল মধু তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের ভেজাল খাদ্যপণ্য তৈরির সঙ্গে জড়িত বলে ধারণা করছে পুলিশ।

আটকদের মধ্যে মহসিনকে চক্রটির নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাজারে খাঁটি মধুর তুলনামূলক বেশি দামকে কাজে লাগিয়ে কম দামে মধু বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে ক্রেতাদের কাছে ভেজাল পণ্য সরবরাহ করা হতো।

তদন্তসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, দুই কেজি আসল মধুর সঙ্গে প্রায় ১০ কেজি চিনি মিশিয়ে কথিত মধু তৈরি করা হতো। পরে তা বাজারে মধু হিসেবে বিক্রি করা হতো। প্রতিদিন প্রায় ১০ কেজি পর্যন্ত এ ধরনের পণ্য তৈরির দাবি করেছে আটক ব্যক্তিদের একজন।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে চক্রটির আরও সদস্য থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলেও জানানো হয়েছে। তাদের শনাক্ত ও আটকের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।

হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে ওই আবাসিক হোটেলে অবস্থান করলেও তাদের এমন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তারা অবগত ছিলেন না।

আরও পড়ুনঃ  মৌলভীবাজারে যুবদলের ছয় নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

ফেনী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সজল কান্তি দাশ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে নবনিযুক্ত প্রসিকিউটরদের যোগদান

হোটেলের বাথরুমে চিনি জ্বাল দিয়ে তৈরি হতো খাঁটি মধু, আটক ৪

Update Time : ০১:০৫:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফেনীতে একটি আবাসিক হোটেলের বাথরুমে চুলা ও গ্যাস সিলিন্ডার বসিয়ে চিনি জ্বাল দিয়ে ভেজাল মধু তৈরির অভিযোগে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ফেনী পৌর এলাকার বড় মসজিদ রোডের একটি আবাসিক হোটেলের ষষ্ঠ তলায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোটেল ট্যুরিস্ট আবাসিকে অভিযান চালানো হয়। সেখানে একটি বাথরুমের ভেতরে চুলায় চিনি জ্বাল দিয়ে মধুর মতো একটি পণ্য তৈরির কার্যক্রম দেখতে পায় পুলিশ। পরে ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামতসহ চারজনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ মহসিন, মেহেদী হাসান, মো. রাসেল ও জসিম উদ্দিন। তারা কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা ভেজাল মধু তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের ভেজাল খাদ্যপণ্য তৈরির সঙ্গে জড়িত বলে ধারণা করছে পুলিশ।

আটকদের মধ্যে মহসিনকে চক্রটির নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাজারে খাঁটি মধুর তুলনামূলক বেশি দামকে কাজে লাগিয়ে কম দামে মধু বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে ক্রেতাদের কাছে ভেজাল পণ্য সরবরাহ করা হতো।

তদন্তসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, দুই কেজি আসল মধুর সঙ্গে প্রায় ১০ কেজি চিনি মিশিয়ে কথিত মধু তৈরি করা হতো। পরে তা বাজারে মধু হিসেবে বিক্রি করা হতো। প্রতিদিন প্রায় ১০ কেজি পর্যন্ত এ ধরনের পণ্য তৈরির দাবি করেছে আটক ব্যক্তিদের একজন।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে চক্রটির আরও সদস্য থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলেও জানানো হয়েছে। তাদের শনাক্ত ও আটকের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।

হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে ওই আবাসিক হোটেলে অবস্থান করলেও তাদের এমন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তারা অবগত ছিলেন না।

আরও পড়ুনঃ  সিলেট-ওমান সরাসরি ফ্লাইট চালু, ওয়াটার ক্যানন স্যালুটে সালাম এয়ারকে বরণ

ফেনী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সজল কান্তি দাশ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।