Dhaka ০৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইন্দোনেশিয়ায় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়লো সুখোই সু-৩০ যুদ্ধবিমান হাসান মার্কেটের স্থলে অত্যাধুনিক সুপার মার্কেট নির্মাণের ঘোষণা সিসিক প্রশাসকের তামাবিলে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল যুবকের ব্রাজিল ফুটবল দলের বাংলাদেশে খেলা নিয়ে যা জানা গেল শাহপরানে ব্যবসায়ী শাহাব উদ্দিন হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত সিলেটে বেড়াতে এসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল মাদ্রাসাছাত্রীর,আহত ৩ প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে নিজের সাড়ে ৩ বছরের মেয়েকে হত্যা, বাবার মৃত্যুদণ্ড সিলেটে একদিনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত আবারও মেসির সতীর্থ হতে পারেন ডি মারিয়া, আলোচনায় ইন্টার মায়ামি রংপুরে শিক্ষকসহ ৪ হত্যায় নতুন তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

আবারও চালু হচ্ছে যুক্তরাজ্যের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

  • Desk News
  • Update Time : ০৮:২৪:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৮৪ Time View

বৈধ পথে বাংলাদেশি শ্রমিক নিতে চায় যুক্তরাজ্য

অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাজ্যে বৈধভাবে প্রবেশের সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করতে চায় ব্রিটিশ সরকার। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মী নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে দেশটি।

 

ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক সম্প্রতি বাংলাদেশের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে যুক্তরাজ্যের এ আগ্রহের কথা জানান।

 

বৈঠকে সারাহ কুক বলেন, অনিয়মিত অভিবাসন কমাতে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের বৈধ পথ আরও সহজ ও কার্যকর করার পরিকল্পনা করছে ব্রিটিশ সরকার। একই সঙ্গে দেশটির বিভিন্ন খাতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা পূরণে বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।

 

ব্রিটিশ সরকারের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে আশ্রয় আবেদনকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ বর্তমানে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। তবে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে নিরাপদ দেশ হিসেবে বিবেচনা করে। এ কারণে বাংলাদেশি নাগরিকদের আশ্রয় আবেদন অনুমোদনের হার তুলনামূলকভাবে কম।

 

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে যুক্তরাজ্যে মোট আশ্রয় আবেদনের ৪০ শতাংশ অনুমোদিত হলেও বাংলাদেশি আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অনুমোদনের হার ছিল মাত্র ১৪ শতাংশ।

 

বৈঠকে মানবপাচার ও অভিবাসনপ্রত্যাশীদের শোষণের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়। অনিয়মিত পথে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে বৈধ অভিবাসনের সুযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার।

 

এদিকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক বলেন, যুক্তরাজ্যের শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আরও উন্নত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুনঃ  পররাষ্ট্রের দুই প্রতিমন্ত্রীর কার দায়িত্ব কী, জানালো মন্ত্রণালয়
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ইন্দোনেশিয়ায় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়লো সুখোই সু-৩০ যুদ্ধবিমান

আবারও চালু হচ্ছে যুক্তরাজ্যের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

Update Time : ০৮:২৪:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

বৈধ পথে বাংলাদেশি শ্রমিক নিতে চায় যুক্তরাজ্য

অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাজ্যে বৈধভাবে প্রবেশের সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করতে চায় ব্রিটিশ সরকার। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মী নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে দেশটি।

 

ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক সম্প্রতি বাংলাদেশের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে যুক্তরাজ্যের এ আগ্রহের কথা জানান।

 

বৈঠকে সারাহ কুক বলেন, অনিয়মিত অভিবাসন কমাতে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের বৈধ পথ আরও সহজ ও কার্যকর করার পরিকল্পনা করছে ব্রিটিশ সরকার। একই সঙ্গে দেশটির বিভিন্ন খাতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা পূরণে বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।

 

ব্রিটিশ সরকারের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে আশ্রয় আবেদনকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ বর্তমানে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। তবে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে নিরাপদ দেশ হিসেবে বিবেচনা করে। এ কারণে বাংলাদেশি নাগরিকদের আশ্রয় আবেদন অনুমোদনের হার তুলনামূলকভাবে কম।

 

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে যুক্তরাজ্যে মোট আশ্রয় আবেদনের ৪০ শতাংশ অনুমোদিত হলেও বাংলাদেশি আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অনুমোদনের হার ছিল মাত্র ১৪ শতাংশ।

 

বৈঠকে মানবপাচার ও অভিবাসনপ্রত্যাশীদের শোষণের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়। অনিয়মিত পথে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে বৈধ অভিবাসনের সুযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার।

 

এদিকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক বলেন, যুক্তরাজ্যের শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আরও উন্নত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুনঃ  ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপির শেষ জনসভা, ১০ ফেব্রুয়ারি শেষ হচ্ছে প্রচারণা