Dhaka ০১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সরকারি প্রতিষ্ঠানের পর ক্রীড়া সংস্থায় সাবেক ছাত্রদল নেতাদের জায়গা বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সিকৃবি ভিসির অপসারণ দাবিতে আন্দোলন, ১৮ অভিযোগ তুলে লিফলেট জৈন্তাপুরে লরি থেকে এস্কেভেটর পড়ে চালকের মৃত্যু শনিবার বিদ্যুৎ থাকবে না সিলেটের অর্ধশতাধিক এলাকায় টিকা না নেওয়া শিশুরাই নতুন করে হামে আক্রান্ত হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহাখালী রেলগেটে সাততলা ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট মাত্র ১৩৫ দিনে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হলেন ৮ বছরের সাজিদ ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার’ ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধ, টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত অর্ধশত

এবার দুদকের বিরুদ্ধেই মামলার হুমকি আসিফ মাহমুদের

  • desk news
  • Update Time : ০৪:৫৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫৭১ Time View

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তোলা অভিযোগকে ‘ভুলভাবে উপস্থাপন’ করা হয়েছে দাবি করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা প্রার্থনা ও প্রকাশিত খবর প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যথায় দুদকের বিরুদ্ধেই মানহানির মামলা করার হুমকি দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আসিফ মাহমুদ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে তার দায়িত্ব পালনকালে পদায়ন ও পদোন্নতি নিয়ে দুদকের অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও ১৫০ জনকে পদোন্নতি দেওয়ার ঘটনায় মোট ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে এসব ঘটনায় তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত ছিলেন না।

তিনি দাবি করেন, ৩৮ কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিলের বিষয়টি ছিল আদালতের রায় বাস্তবায়নের অংশ। ২০২১ সালে নিয়মবহির্ভূতভাবে ১১২ জন কর্মকর্তাকে নবম গ্রেডের পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পরে আদালত ওই আদেশ অবৈধ ঘোষণা করলে দায়িত্বে থাকা ৩৮ জনকে তাঁদের মূল পদে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।পদোন্নতির অভিযোগ প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, প্রকৃতপক্ষে ১৫০ নয়, পিএসসির সুপারিশের ভিত্তিতে ১৮২ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল। সংশ্লিষ্টদের চাকরির রেকর্ড, এসিআর, বিভাগীয় মামলা ও অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাই করেই পিএসসি সুপারিশ করেছিল বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের পদায়ন ও পদোন্নতির বিষয় সচিব পর্যায়ে নিষ্পত্তি হয়। দুটি আদেশেরই সাইনিং অথরিটি ছিলেন সচিব, তিনি নন।

দুদকের এক কর্মকর্তা অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা বলার পর সেই বক্তব্য থেকে সরে আসার প্রসঙ্গ তুলে আসিফ মাহমুদ বলেন, এতে তাঁর ব্যক্তিগত মানহানি হয়েছে। তাই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চেয়ে প্রকাশিত খবর প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় তিনি আইনি পদক্ষেপ ও মানহানির মামলা করবেন বলে জানান।

আরও পড়ুনঃ  কিশোরীকে ধ র্ষ ণ ২০ হাজার টাকায় মীমাংসা!
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সরকারি প্রতিষ্ঠানের পর ক্রীড়া সংস্থায় সাবেক ছাত্রদল নেতাদের জায়গা

এবার দুদকের বিরুদ্ধেই মামলার হুমকি আসিফ মাহমুদের

Update Time : ০৪:৫৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তোলা অভিযোগকে ‘ভুলভাবে উপস্থাপন’ করা হয়েছে দাবি করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা প্রার্থনা ও প্রকাশিত খবর প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যথায় দুদকের বিরুদ্ধেই মানহানির মামলা করার হুমকি দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আসিফ মাহমুদ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে তার দায়িত্ব পালনকালে পদায়ন ও পদোন্নতি নিয়ে দুদকের অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও ১৫০ জনকে পদোন্নতি দেওয়ার ঘটনায় মোট ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে এসব ঘটনায় তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত ছিলেন না।

তিনি দাবি করেন, ৩৮ কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিলের বিষয়টি ছিল আদালতের রায় বাস্তবায়নের অংশ। ২০২১ সালে নিয়মবহির্ভূতভাবে ১১২ জন কর্মকর্তাকে নবম গ্রেডের পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পরে আদালত ওই আদেশ অবৈধ ঘোষণা করলে দায়িত্বে থাকা ৩৮ জনকে তাঁদের মূল পদে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।পদোন্নতির অভিযোগ প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, প্রকৃতপক্ষে ১৫০ নয়, পিএসসির সুপারিশের ভিত্তিতে ১৮২ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল। সংশ্লিষ্টদের চাকরির রেকর্ড, এসিআর, বিভাগীয় মামলা ও অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাই করেই পিএসসি সুপারিশ করেছিল বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের পদায়ন ও পদোন্নতির বিষয় সচিব পর্যায়ে নিষ্পত্তি হয়। দুটি আদেশেরই সাইনিং অথরিটি ছিলেন সচিব, তিনি নন।

দুদকের এক কর্মকর্তা অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা বলার পর সেই বক্তব্য থেকে সরে আসার প্রসঙ্গ তুলে আসিফ মাহমুদ বলেন, এতে তাঁর ব্যক্তিগত মানহানি হয়েছে। তাই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চেয়ে প্রকাশিত খবর প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় তিনি আইনি পদক্ষেপ ও মানহানির মামলা করবেন বলে জানান।

আরও পড়ুনঃ  শিবিরকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুললেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামী