Dhaka ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ‘প্রেমিকের’ বাইকে উধাও ভারতীয় তরুণী, অতঃপর… লাইনচ্যুত হওয়া ট্রেনের উদ্ধার কার্যক্রম চলছে, তদন্ত কমিটি গঠন ১৩ বছর পর ধরা পড়লেন ছদ্মবেশে থাকা চঞ্চল সৈকতে গোসলে নেমে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু, উদ্ধার ১৫ তুলসীগঙ্গা নদী থেকে বহুমূল্য কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার বিষ হাতে হৃদয়ের বাড়িতে কিশোরী, বলছে ‘বিয়ে করতেই হবে’ ১০ বছর বয়সেই কুরআনের হাফেজ আশ্রাফ তাহসিফের মৃত্যুর আগে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা মিলল যে দৃশ্য ‘ভালোবাসা যত বড় হয়, জীবনটা তত নয়’, দেড় দশক ধরে স্ত্রীর কবর পরিষ্কার করছেন আইনজীবী সিলেটে রায়হান হত্যা: এসআই আকবরের মৃত্যুদন্ড, দুজনের যাবজ্জীবন, ৩ জনের ৭ বছরের জেল

পুকুর থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার সক্রিয় গ্রেনেড উদ্ধার

নীলফামারীর সৈয়দপুরে পুকুর থেকে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে ব্যবহৃত একটি তাজা (সক্রিয়) গ্রেনেট উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের শ্বাসকান্দর ডাঙ্গাপাড়ায় আশির উদ্দিন শাহ নামের এক ব্যক্তির পুকুর থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করছে র‌্যাব -১৩ এর বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ওই পুকুরে তানভির ও আনসারুল নামে দুই যুবক গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গোসল করতে যায়। এসময় তানভিরের পায়ে ওই গ্রেনেডটি স্পর্শ হয়। এতে তারা পানির নিচ থেকে গ্রেনেডটি তুলে পুকুর পাড়ে আনে এবং পলিথিনে পেঁচিয়ে রাখে। তাদের দাবি পরে সৈয়দপুর থানায় খবর দেওয়া হলে থানা পুলিশ সেটাকে খেলনা বলে বিষয়টা এড়িয়ে যায়। পরে এলাকার বাচ্চারা এটিকে খেলনা ভেবে খেলতে থাকে । পরে বাধ্য হয়ে তারা র‌্যাবকে খবর দেয়।

এর প্রেক্ষিতে আজ শুক্রবার নীলফামারী র‌্যাবের স্কোয়াট কমান্ডার এএসপি এটিএম তৌহিদুল ইসলাম ও কোম্পানি কমান্ডার আশরাফুল কবিরে নেতৃত্বে র‌্যাব -১৩ নীলফামারী সিপিসি-২ এর একটি দল উল্লেখিত সময়ে ঘটনাস্থলে এসে পুকুর থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করে।

গ্রেনেডটি তাজা হওয়ায় উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে রংপুর থেকে র‍্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট সার্জেন্ট আব্দুল বারীর নেতৃত্বে একটি দল আসে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গ্রেনেডটি সৈয়দপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। পুকুরটিতে আরও গ্রেনেট থাকার সংকায় তারা সেটিকে সেচ দিয়ে পানি সরানোর কাজ চলছে ।

কোম্পানি কমান্ডার আশরাফুল কবির জানান ,আমারা দুপুরের সংবাদ পাাই । এখানে এসে দেখি গ্রেনেট সদৃশ্য । এটি সম্প্রদিক সময়ের ব্যবহুত কোন গ্রেনেট। ধারনা করা হচ্ছে এটি ১৯৭১ সালের অথবা দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্বের হতে পারে এটি ৩৬ মডেলের একটি হ্যান্ড গ্রেনেট বোমা ।

আরও পড়ুনঃ  চীন মৈত্রী হাসপাতাল গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিণত হবে-নীলফামারীর বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ‘প্রেমিকের’ বাইকে উধাও ভারতীয় তরুণী, অতঃপর…

পুকুর থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার সক্রিয় গ্রেনেড উদ্ধার

Update Time : ০৬:০৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নীলফামারীর সৈয়দপুরে পুকুর থেকে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে ব্যবহৃত একটি তাজা (সক্রিয়) গ্রেনেট উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের শ্বাসকান্দর ডাঙ্গাপাড়ায় আশির উদ্দিন শাহ নামের এক ব্যক্তির পুকুর থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করছে র‌্যাব -১৩ এর বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ওই পুকুরে তানভির ও আনসারুল নামে দুই যুবক গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গোসল করতে যায়। এসময় তানভিরের পায়ে ওই গ্রেনেডটি স্পর্শ হয়। এতে তারা পানির নিচ থেকে গ্রেনেডটি তুলে পুকুর পাড়ে আনে এবং পলিথিনে পেঁচিয়ে রাখে। তাদের দাবি পরে সৈয়দপুর থানায় খবর দেওয়া হলে থানা পুলিশ সেটাকে খেলনা বলে বিষয়টা এড়িয়ে যায়। পরে এলাকার বাচ্চারা এটিকে খেলনা ভেবে খেলতে থাকে । পরে বাধ্য হয়ে তারা র‌্যাবকে খবর দেয়।

এর প্রেক্ষিতে আজ শুক্রবার নীলফামারী র‌্যাবের স্কোয়াট কমান্ডার এএসপি এটিএম তৌহিদুল ইসলাম ও কোম্পানি কমান্ডার আশরাফুল কবিরে নেতৃত্বে র‌্যাব -১৩ নীলফামারী সিপিসি-২ এর একটি দল উল্লেখিত সময়ে ঘটনাস্থলে এসে পুকুর থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করে।

গ্রেনেডটি তাজা হওয়ায় উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে রংপুর থেকে র‍্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট সার্জেন্ট আব্দুল বারীর নেতৃত্বে একটি দল আসে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গ্রেনেডটি সৈয়দপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। পুকুরটিতে আরও গ্রেনেট থাকার সংকায় তারা সেটিকে সেচ দিয়ে পানি সরানোর কাজ চলছে ।

কোম্পানি কমান্ডার আশরাফুল কবির জানান ,আমারা দুপুরের সংবাদ পাাই । এখানে এসে দেখি গ্রেনেট সদৃশ্য । এটি সম্প্রদিক সময়ের ব্যবহুত কোন গ্রেনেট। ধারনা করা হচ্ছে এটি ১৯৭১ সালের অথবা দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্বের হতে পারে এটি ৩৬ মডেলের একটি হ্যান্ড গ্রেনেট বোমা ।

আরও পড়ুনঃ  চীন মৈত্রী হাসপাতাল গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিণত হবে-নীলফামারীর বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা