Dhaka ০৪:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
১১ মাসে কোরআনের হাফেজ মুগ্ধ, বড় হয়ে হতে চান ডাক্তার সিলেটে ৪টি কমলা ৫০ হাজার, আধা কেজি খেজুর ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন হাবিপ্রবি’র ১৬ শিক্ষার্থী চাঁদা না পেয়ে প্রবাসীর মাছের প্রজেক্টে কালামের তাণ্ডব, অতঃপর… সিলেট মহানগরের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নতুন নেতৃত্বকে কয়েস লোদীর অভিনন্দন সারা দেশে হামের প্রকোপ, সিলেটে আরও দুই শিশুর মৃত্যু প্রবাস থেকে ফিরলেন, তবে জীবিত নয়—কফিনবন্দি হয়ে; কান্নায় ভেঙে পড়ল দুই পরিবার নিজের স্ত্রীকে রেখে অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে পালালেন ইমাম সাহেব শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী হেঁটে ছয় তলায় ওঠানোয় ক্ষোভ, হাতকড়া সামনে পরানোর আর্জি পলকের

১৪ টুকরো করার হু.মকির পর মিলল ছাত্রদল নেতার লা.শ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় মোহাম্মদ ইসফাতুল ইসলাম জিসান নামে এক ছাত্রদল নেতাকে অপহরণের কয়েক ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।

জিসান কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি উপজেলার দক্ষিণ লোটনী এলাকার নাজম উদ্দিনের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, রোববার রাতে কাকারা মাইজপাড়া এলাকার একটি দোকানের সামনে অবস্থান করছিলেন জিসান। এ সময় একটি সাদা রঙের নোয়াহ মাইক্রোবাস সেখানে আসে। গাড়ি থেকে কয়েকজন নেমে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ পরিবারের।

পরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে জিসানকে তুলে নিয়ে যাওয়া মাইক্রোবাসটি শনাক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অপহরণের সময় ঘটনাস্থলে ৮ থেকে ১০ জনের উপস্থিতির তথ্য পাওয়া গেছে। গাড়িটি কোথা থেকে এসেছিল এবং অপহরণের পর কোথায় গিয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এর আগে জিসানের বড় ভাইকে ফোন করে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিওতে ওই ব্যক্তিকে জিসানকে হত্যার হুমকি দিতে শোনা যায় বলে পরিবারের দাবি।

তবে ওই হুমকির সঙ্গে জিসানের হত্যাকাণ্ডের সরাসরি কোনো সম্পর্ক এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান জানান, জিসানের মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এসব আঘাত গুলির কারণে হয়েছে কি না, ময়নাতদন্তের পর তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। হুমকির বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) অহিদুল রহমান জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

এদিকে নিহতের স্বজন ও স্থানীয় নেতারা দ্রুত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে নতুন কমিটি ভূমিকা রাখবে: রিজভী
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

১১ মাসে কোরআনের হাফেজ মুগ্ধ, বড় হয়ে হতে চান ডাক্তার

১৪ টুকরো করার হু.মকির পর মিলল ছাত্রদল নেতার লা.শ

Update Time : ০৩:২৩:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজারের চকরিয়ায় মোহাম্মদ ইসফাতুল ইসলাম জিসান নামে এক ছাত্রদল নেতাকে অপহরণের কয়েক ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।

জিসান কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি উপজেলার দক্ষিণ লোটনী এলাকার নাজম উদ্দিনের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, রোববার রাতে কাকারা মাইজপাড়া এলাকার একটি দোকানের সামনে অবস্থান করছিলেন জিসান। এ সময় একটি সাদা রঙের নোয়াহ মাইক্রোবাস সেখানে আসে। গাড়ি থেকে কয়েকজন নেমে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ পরিবারের।

পরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে জিসানকে তুলে নিয়ে যাওয়া মাইক্রোবাসটি শনাক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অপহরণের সময় ঘটনাস্থলে ৮ থেকে ১০ জনের উপস্থিতির তথ্য পাওয়া গেছে। গাড়িটি কোথা থেকে এসেছিল এবং অপহরণের পর কোথায় গিয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এর আগে জিসানের বড় ভাইকে ফোন করে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিওতে ওই ব্যক্তিকে জিসানকে হত্যার হুমকি দিতে শোনা যায় বলে পরিবারের দাবি।

তবে ওই হুমকির সঙ্গে জিসানের হত্যাকাণ্ডের সরাসরি কোনো সম্পর্ক এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান জানান, জিসানের মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এসব আঘাত গুলির কারণে হয়েছে কি না, ময়নাতদন্তের পর তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। হুমকির বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) অহিদুল রহমান জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

এদিকে নিহতের স্বজন ও স্থানীয় নেতারা দ্রুত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  রাতেই খুলে দেওয়া হচ্ছে কাপ্তাইয়ের ১৬ জলকপাট, বাড়ছে সতর্কতা