সিলেটের জৈন্তাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ২০২৩ সালের ১২ এপ্রিল সম্পাদিত একটি দলিলকে কেন্দ্র করে সাব-রেজিস্ট্রারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ লঙ্ঘন করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত ভূমি অবৈধভাবে দলিলভুক্ত করেছেন।
দুদক সিলেট জেলা কার্যালয় জানায়, মামলায় আসামী হিসেবে রয়েছেন, ভূমি ক্রেতা ও মূল সুবিধাভোগী মো. কামাল উদ্দিন, সাব-রেজিস্টার আহাদুজ্জামান, ও দলিল লেখক মিছবাহ উদ্দিন।
দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, দলিলের তিনজন গ্রহীতার মধ্যে দুইজন বিদেশে ছিলেন এবং একজন স্বাক্ষর দেননি। অর্থাৎ, সম্পাদনের সময় মো. কামাল উদ্দিন ছাড়া অন্য কেউ উপস্থিত ছিলেন না। দুর্নীতি তদন্তে দেখা গেছে, মো. কামাল উদ্দিন পেমান পাত্রকে প্রভাবিত করে দলিল সম্পাদনে প্ররোচিত করেন।
এছাড়া, দলিলে ভূমির প্রকৃত মূল্য ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা থাকলেও তা ১০ লাখ ৮২ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে। পেমান পাত্রকে মাত্র ২ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়েছিল।
দুদক সহকারী পরিচালক জুয়েল মজুমদার বলেন, আসামিরা রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০-এর ধারা ৯৭ এবং ৪৩(খ) লঙ্ঘন করেছেন। এ ঘটনায় ১৯৫৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ৫(২) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে রুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে এবং তদন্তে আরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যুক্ত করার সম্ভাবনা আছে। দুদক আশা করছে, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




