ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ তিন সপ্তাহে প্রবেশ করলেও শান্তি ফেরার কোনো লক্ষণ নেই। হরমুজ প্রণালি দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও মিত্র দেশগুলো হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর ব্যাপারে তেমন সাড়া দেয়নি। কোনো দেশ সরাসরি এখনও জাহাজ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তবে যুক্তরাজ্য ট্রাম্পের আহ্বান বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছে। দেশটি হরমুজ চালু করতে বিকল্প কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়, তা নিয়ে ভাবছে। ফ্রান্স ও জাপান হরমুজে জাহাজ পাঠাবে না বলে সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করবে। চীন সব পক্ষকে শত্রুতা এড়িয়ে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে। ইরান বলেছে, হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ছাড়া সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। অন্যদিকে, দেশটির বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। গতকাল রোববার ইসরায়েলে ক্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের পক্ষ থেকে তোলা যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব তাঁর কাছে পৌঁছেছে। তবে তাতে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত পূরণের ব্যাপারে শতভাগ সংহতির কথা নেই। মার্কিন এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ শেষ হবে। ইরান অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র আরেকটি নাইন-ইলেভেন ঘটিয়ে ইরানকে দোষারোপ করতে চায়। ইরানের খার্গ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালানোর পর একটি ট্যাঙ্কারে তেল লোড করতে দেখা গেছে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা কাতার ও সাইপ্রাসে টাইফুন এবং এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে।








