Dhaka ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ‘প্রেমিকের’ বাইকে উধাও ভারতীয় তরুণী, অতঃপর… লাইনচ্যুত হওয়া ট্রেনের উদ্ধার কার্যক্রম চলছে, তদন্ত কমিটি গঠন ১৩ বছর পর ধরা পড়লেন ছদ্মবেশে থাকা চঞ্চল সৈকতে গোসলে নেমে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু, উদ্ধার ১৫ তুলসীগঙ্গা নদী থেকে বহুমূল্য কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার বিষ হাতে হৃদয়ের বাড়িতে কিশোরী, বলছে ‘বিয়ে করতেই হবে’ ১০ বছর বয়সেই কুরআনের হাফেজ আশ্রাফ তাহসিফের মৃত্যুর আগে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা মিলল যে দৃশ্য ‘ভালোবাসা যত বড় হয়, জীবনটা তত নয়’, দেড় দশক ধরে স্ত্রীর কবর পরিষ্কার করছেন আইনজীবী সিলেটে রায়হান হত্যা: এসআই আকবরের মৃত্যুদন্ড, দুজনের যাবজ্জীবন, ৩ জনের ৭ বছরের জেল

দেশে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই ভাইসহ ৪ প্রবাসী নিহত

{"source_type":"vicut","tiktok_developers_3p_anchor_params":"{"enterFrom":"new_image","source_platform":"mobile_1","region":"BD","pictureId":"16918660-CBEE-42D8-8D7E-0C1D1EBD8CCB","editType":"image_edit","capability_name":"capcut_photo_editor","appVersion":"19.0.0","client_key":"aw889s25wozf8s7e","product":"vicut","source_type":"vicut","os":"ios"}","data":{"enterFrom":"new_image","client_key":"aw889s25wozf8s7e","source_platform":"mobile_1","product":"vicut","source_type":"vicut","pictureId":"16918660-CBEE-42D8-8D7E-0C1D1EBD8CCB","editType":"image_edit","appVersion":"19.0.0","capability_name":"capcut_photo_editor","region":"BD","os":"ios"}}

সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার চার প্রবাসী নিহত হয়েছেন। দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে তায়েফ থেকে জেদ্দা বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার পথে ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা ঘটে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে সৌদি আরবের তায়েফের আল-খুরমা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি এলাকার দুই ভাই করিম উদ্দিন ও খালেদ মিয়া। নিহত অপর দুজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জানা গেছে, দেশে ফেরার জন্য সৌদি আরবের তায়েফ থেকে জেদ্দার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি। তাদের বহনকারী একটি ট্যাক্সি জেদ্দা বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার পথে তায়েফের আল-খুরমা এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে গাড়িতে থাকা চালকসহ চারজন নিহত হন।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা চালায়। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

দেশে ফেরার পথে মর্মান্তিক পরিণতি

প্রবাসজীবনের দীর্ঘ কর্মব্যস্ততা শেষে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন নিহতরা। তায়েফ থেকে জেদ্দা বিমানবন্দরে পৌঁছে বিমানে দেশে ফেরার কথা ছিল তাদের। কিন্তু বিমানবন্দরে পৌঁছানোর আগেই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় তাদের সেই যাত্রা থেমে যায়।

স্বজনদের কাছে দেশে ফেরার আনন্দের খবর পৌঁছানোর কথা থাকলেও এর পরিবর্তে আসে মৃত্যুর সংবাদ। এতে নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোক।

বিশেষ করে কানাইঘাটের গাছবাড়ি এলাকার দুই ভাই করিম উদ্দিন ও খালেদ মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা তাদের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন।

নিহত দুই ভাই করিম ও খালেদ

নিহত করিম উদ্দিন ও খালেদ মিয়া কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তারা দুই ভাই দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  পেটে ‘টিউমার’ সন্দেহে কিশোরীর মেডিকেল টেস্ট, পরে মিলল গা শিউরে ওঠা তথ্য

প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের জন্য অর্থ উপার্জন করছিলেন তারা। দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে তারা যাত্রা শুরু করেছিলেন। কিন্তু সেই যাত্রাই তাদের জীবনের শেষ যাত্রায় পরিণত হয়েছে।

দুই ভাইয়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর খবরে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যেও নেমে এসেছে শোকের আবহ।

এখনো শনাক্ত হয়নি অপর দুইজন

এ দুর্ঘটনায় নিহত চারজনের মধ্যে করিম উদ্দিন ও খালেদ মিয়ার পরিচয় নিশ্চিত হলেও অপর দুইজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তাদের পরিচয় শনাক্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। পরিচয় নিশ্চিত হলে তাদের বাড়ি, স্বজন ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য জানা সম্ভব হবে।

পরিবারে শোকের মাতম

নিহতদের মৃত্যুর সংবাদ দেশে পৌঁছানোর পর পরিবারে শোকের মাতম চলছে। প্রিয়জনকে জীবিত অবস্থায় দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের কাছে হঠাৎ করে মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছানোয় তারা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, প্রবাসীরা পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতার জন্য বছরের পর বছর বিদেশে অবস্থান করেন। অনেক কষ্ট ও পরিশ্রমের পর যখন তারা দেশে ফেরার প্রস্তুতি নেন, তখনই এমন দুর্ঘটনা পুরো পরিবারকে নিঃস্ব করে দেয়।

করিম উদ্দিন ও খালেদ মিয়ার ক্ষেত্রেও তেমনই একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। দেশে ফেরার আনন্দের বদলে পরিবারকে এখন তাদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে।

মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া

নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর তাদের নিজ নিজ এলাকায় জানাজা ও দাফনের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে নিহত অপর দুই প্রবাসীর পরিচয় নিশ্চিত হলে তাদের সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।

সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য সড়কপথে যাতায়াতের সময় নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কর্মস্থল থেকে বিমানবন্দরে যাওয়া-আসার সময় দ্রুতগতির যানবাহন ও দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে।

আরও পড়ুনঃ  প্রবাস থেকে ফিরলেন, তবে জীবিত নয়—কফিনবন্দি হয়ে; কান্নায় ভেঙে পড়ল দুই পরিবার

কানাইঘাটের চার প্রবাসীর এই মর্মান্তিক মৃত্যু আবারও প্রবাসীদের নিরাপদ যাতায়াতের বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। পরিবারের স্বপ্ন ও স্বজনদের অপেক্ষা শেষ করে দেশে ফেরার আগেই তাদের এমন মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ‘প্রেমিকের’ বাইকে উধাও ভারতীয় তরুণী, অতঃপর…

দেশে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই ভাইসহ ৪ প্রবাসী নিহত

Update Time : ১১:২৩:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার চার প্রবাসী নিহত হয়েছেন। দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে তায়েফ থেকে জেদ্দা বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার পথে ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা ঘটে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে সৌদি আরবের তায়েফের আল-খুরমা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি এলাকার দুই ভাই করিম উদ্দিন ও খালেদ মিয়া। নিহত অপর দুজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জানা গেছে, দেশে ফেরার জন্য সৌদি আরবের তায়েফ থেকে জেদ্দার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি। তাদের বহনকারী একটি ট্যাক্সি জেদ্দা বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার পথে তায়েফের আল-খুরমা এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে গাড়িতে থাকা চালকসহ চারজন নিহত হন।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা চালায়। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

দেশে ফেরার পথে মর্মান্তিক পরিণতি

প্রবাসজীবনের দীর্ঘ কর্মব্যস্ততা শেষে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন নিহতরা। তায়েফ থেকে জেদ্দা বিমানবন্দরে পৌঁছে বিমানে দেশে ফেরার কথা ছিল তাদের। কিন্তু বিমানবন্দরে পৌঁছানোর আগেই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় তাদের সেই যাত্রা থেমে যায়।

স্বজনদের কাছে দেশে ফেরার আনন্দের খবর পৌঁছানোর কথা থাকলেও এর পরিবর্তে আসে মৃত্যুর সংবাদ। এতে নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোক।

বিশেষ করে কানাইঘাটের গাছবাড়ি এলাকার দুই ভাই করিম উদ্দিন ও খালেদ মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা তাদের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন।

নিহত দুই ভাই করিম ও খালেদ

নিহত করিম উদ্দিন ও খালেদ মিয়া কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তারা দুই ভাই দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  গণপিটুনিতে নিহত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম ও তার ছেলে চিত্রনায়ক শান্তর মরদেহ উত্তোলন

প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের জন্য অর্থ উপার্জন করছিলেন তারা। দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে তারা যাত্রা শুরু করেছিলেন। কিন্তু সেই যাত্রাই তাদের জীবনের শেষ যাত্রায় পরিণত হয়েছে।

দুই ভাইয়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর খবরে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যেও নেমে এসেছে শোকের আবহ।

এখনো শনাক্ত হয়নি অপর দুইজন

এ দুর্ঘটনায় নিহত চারজনের মধ্যে করিম উদ্দিন ও খালেদ মিয়ার পরিচয় নিশ্চিত হলেও অপর দুইজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তাদের পরিচয় শনাক্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। পরিচয় নিশ্চিত হলে তাদের বাড়ি, স্বজন ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য জানা সম্ভব হবে।

পরিবারে শোকের মাতম

নিহতদের মৃত্যুর সংবাদ দেশে পৌঁছানোর পর পরিবারে শোকের মাতম চলছে। প্রিয়জনকে জীবিত অবস্থায় দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের কাছে হঠাৎ করে মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছানোয় তারা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, প্রবাসীরা পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতার জন্য বছরের পর বছর বিদেশে অবস্থান করেন। অনেক কষ্ট ও পরিশ্রমের পর যখন তারা দেশে ফেরার প্রস্তুতি নেন, তখনই এমন দুর্ঘটনা পুরো পরিবারকে নিঃস্ব করে দেয়।

করিম উদ্দিন ও খালেদ মিয়ার ক্ষেত্রেও তেমনই একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। দেশে ফেরার আনন্দের বদলে পরিবারকে এখন তাদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে।

মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া

নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর তাদের নিজ নিজ এলাকায় জানাজা ও দাফনের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে নিহত অপর দুই প্রবাসীর পরিচয় নিশ্চিত হলে তাদের সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।

সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য সড়কপথে যাতায়াতের সময় নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কর্মস্থল থেকে বিমানবন্দরে যাওয়া-আসার সময় দ্রুতগতির যানবাহন ও দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে।

আরও পড়ুনঃ  প্রবাস থেকে ফিরলেন, তবে জীবিত নয়—কফিনবন্দি হয়ে; কান্নায় ভেঙে পড়ল দুই পরিবার

কানাইঘাটের চার প্রবাসীর এই মর্মান্তিক মৃত্যু আবারও প্রবাসীদের নিরাপদ যাতায়াতের বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। পরিবারের স্বপ্ন ও স্বজনদের অপেক্ষা শেষ করে দেশে ফেরার আগেই তাদের এমন মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।