Dhaka ১০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ‘প্রেমিকের’ বাইকে উধাও ভারতীয় তরুণী, অতঃপর… লাইনচ্যুত হওয়া ট্রেনের উদ্ধার কার্যক্রম চলছে, তদন্ত কমিটি গঠন ১৩ বছর পর ধরা পড়লেন ছদ্মবেশে থাকা চঞ্চল সৈকতে গোসলে নেমে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু, উদ্ধার ১৫ তুলসীগঙ্গা নদী থেকে বহুমূল্য কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার বিষ হাতে হৃদয়ের বাড়িতে কিশোরী, বলছে ‘বিয়ে করতেই হবে’ ১০ বছর বয়সেই কুরআনের হাফেজ আশ্রাফ তাহসিফের মৃত্যুর আগে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা মিলল যে দৃশ্য ‘ভালোবাসা যত বড় হয়, জীবনটা তত নয়’, দেড় দশক ধরে স্ত্রীর কবর পরিষ্কার করছেন আইনজীবী সিলেটে রায়হান হত্যা: এসআই আকবরের মৃত্যুদন্ড, দুজনের যাবজ্জীবন, ৩ জনের ৭ বছরের জেল

আকাশে গভীর চন্দ্রগ্রহণ, লালচে হবে চাঁদ

 

আগামী ২৮ আগস্ট আকাশে দেখা যাবে চলতি বছরের অন্যতম আকর্ষণীয় মহাজাগতিক ঘটনা—গভীর আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। এ সময় পৃথিবীর ছায়ায় চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশ পৃষ্ঠ ঢেকে যাবে। গ্রহণের প্রভাবে চাঁদের বড় একটি অংশ লালচে বা তামাটে রঙ ধারণ করতে পারে।

পৃথিবী যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে চলে আসে, তখন পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে। এভাবেই চন্দ্রগ্রহণের সৃষ্টি হয়। এবারের গ্রহণটি পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ নয়। চাঁদের একটি ছোট অংশ পৃথিবীর সবচেয়ে গাঢ় ছায়ার বাইরে থাকবে।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার তথ্য অনুযায়ী, ২৮ আগস্ট গ্রিনিচ মান সময় ভোর ৪টা ১২ মিনিটের দিকে গ্রহণের সর্বোচ্চ পর্যায় হবে। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী তা হবে সকাল ১০টা ১২ মিনিটে। তবে বাংলাদেশ থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে না।

উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল থেকে পুরো গ্রহণটি দেখা যাবে। ইউরোপ ও আফ্রিকার কিছু অঞ্চলের মানুষ চাঁদ ওঠা বা অস্ত যাওয়ার সময় গ্রহণের আংশিক দৃশ্য দেখতে পারবেন।

লালচে হবে কেন?

চন্দ্রগ্রহণের সময় সূর্যের আলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছায়। এ সময় বায়ুমণ্ডলে আলোর বিচ্ছুরণ ও প্রতিসরণের কারণে নীল আলোর তুলনায় লাল আলোর প্রভাব বেশি থাকে। ফলে পৃথিবীর ছায়ায় থাকা চাঁদের অংশে লালচে বা তামাটে আভা দেখা দিতে পারে। এ কারণেই এমন দৃশ্যকে অনেক সময় ‘ব্লাড মুন’ বলা হয়।

গ্রহণের পুরো প্রক্রিয়া পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলবে। তবে গভীর আংশিক পর্যায় থাকবে তুলনামূলকভাবে অল্প সময়। সর্বোচ্চ পর্যায়ে চাঁদের ব্যাসের প্রায় ৯৩ শতাংশ অংশ পৃথিবীর মূল ছায়া বা আমব্রার মধ্যে থাকবে।

চন্দ্রগ্রহণ দেখার জন্য সূর্যগ্রহণের মতো বিশেষ চোখের সুরক্ষা প্রয়োজন হয় না। খালি চোখেই এটি নিরাপদে দেখা যায়। পরিষ্কার আকাশ ও দিগন্তে বাধাহীন দৃশ্য থাকলে গ্রহণটি উপভোগ করা সবচেয়ে সহজ হবে। চাইলে বাইনোকুলার বা টেলিস্কোপ ব্যবহার করেও চাঁদের পরিবর্তন আরও স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।

আরও পড়ুনঃ  মোটরসাইকেলে চড়ে বাড়ি ফেরা হলো না দুই চাচতো ভাইয়ের
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ‘প্রেমিকের’ বাইকে উধাও ভারতীয় তরুণী, অতঃপর…

আকাশে গভীর চন্দ্রগ্রহণ, লালচে হবে চাঁদ

Update Time : ০৭:১১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

 

আগামী ২৮ আগস্ট আকাশে দেখা যাবে চলতি বছরের অন্যতম আকর্ষণীয় মহাজাগতিক ঘটনা—গভীর আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। এ সময় পৃথিবীর ছায়ায় চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশ পৃষ্ঠ ঢেকে যাবে। গ্রহণের প্রভাবে চাঁদের বড় একটি অংশ লালচে বা তামাটে রঙ ধারণ করতে পারে।

পৃথিবী যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে চলে আসে, তখন পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে। এভাবেই চন্দ্রগ্রহণের সৃষ্টি হয়। এবারের গ্রহণটি পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ নয়। চাঁদের একটি ছোট অংশ পৃথিবীর সবচেয়ে গাঢ় ছায়ার বাইরে থাকবে।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার তথ্য অনুযায়ী, ২৮ আগস্ট গ্রিনিচ মান সময় ভোর ৪টা ১২ মিনিটের দিকে গ্রহণের সর্বোচ্চ পর্যায় হবে। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী তা হবে সকাল ১০টা ১২ মিনিটে। তবে বাংলাদেশ থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে না।

উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল থেকে পুরো গ্রহণটি দেখা যাবে। ইউরোপ ও আফ্রিকার কিছু অঞ্চলের মানুষ চাঁদ ওঠা বা অস্ত যাওয়ার সময় গ্রহণের আংশিক দৃশ্য দেখতে পারবেন।

লালচে হবে কেন?

চন্দ্রগ্রহণের সময় সূর্যের আলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছায়। এ সময় বায়ুমণ্ডলে আলোর বিচ্ছুরণ ও প্রতিসরণের কারণে নীল আলোর তুলনায় লাল আলোর প্রভাব বেশি থাকে। ফলে পৃথিবীর ছায়ায় থাকা চাঁদের অংশে লালচে বা তামাটে আভা দেখা দিতে পারে। এ কারণেই এমন দৃশ্যকে অনেক সময় ‘ব্লাড মুন’ বলা হয়।

গ্রহণের পুরো প্রক্রিয়া পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলবে। তবে গভীর আংশিক পর্যায় থাকবে তুলনামূলকভাবে অল্প সময়। সর্বোচ্চ পর্যায়ে চাঁদের ব্যাসের প্রায় ৯৩ শতাংশ অংশ পৃথিবীর মূল ছায়া বা আমব্রার মধ্যে থাকবে।

চন্দ্রগ্রহণ দেখার জন্য সূর্যগ্রহণের মতো বিশেষ চোখের সুরক্ষা প্রয়োজন হয় না। খালি চোখেই এটি নিরাপদে দেখা যায়। পরিষ্কার আকাশ ও দিগন্তে বাধাহীন দৃশ্য থাকলে গ্রহণটি উপভোগ করা সবচেয়ে সহজ হবে। চাইলে বাইনোকুলার বা টেলিস্কোপ ব্যবহার করেও চাঁদের পরিবর্তন আরও স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।

আরও পড়ুনঃ  মোটরসাইকেলে চড়ে বাড়ি ফেরা হলো না দুই চাচতো ভাইয়ের