Dhaka ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
খেজুরের বিচি, কামড়ানো শসা ও পোড়ানো চুড়ির সূত্রে শিক্ষক পরিবারের চার হত্যার রহস্য উদঘাটন এনসিপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন সোমবার যুদ্ধের মধ্যেই জ্বালানি নিয়ে বড় সুখবর দিল ইরান মাদ্রাসাছাত্রীকে ধ র্ষ ণের দায়ে দুজনের যাবজ্জীবন ইসলামি বক্তা মিসবাহের ‘১০ নম্বর স্ত্রী’ হতে চান কনটেন্ট ক্রিয়েটর মীম সিলেটে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, ২৪ ঘণ্টায় ৭৩ আসামি গ্রেপ্তার রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব হলেন আবু আউয়াল সিলেটের মেয়ে রুবাইয়ার  ৭৩ লাখ ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন শাহজালাল বিমানবন্দরে ৩ কেজি কুশসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার এয়ার হোস্টেস থেকে পুলিশ কর্মকর্তা, এবার কোটি টাকার জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগে বরখাস্ত

ইসলামি বক্তা মিসবাহের ‘১০ নম্বর স্ত্রী’ হতে চান কনটেন্ট ক্রিয়েটর মীম

ইসলামি বক্তা হাবিবুর রহমান মিসবাহের ১০ নম্বর স্ত্রী হতে চান—এমন মন্তব্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর অ্যাথিনা তাবাসসুম মীম। তাঁর এই পোস্টকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মীম লিখেছেন, ‘আমি কি ১০ নম্বর বউ হতে পারি?’ এরপর তিনি মিসবাহকে বিয়ে করে জান্নাতে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

মীমের ওই পোস্ট এমন সময়ে এসেছে, যখন হাবিবুর রহমান মিসবাহের বিরুদ্ধে তাঁর স্ত্রী মোসা. হুমায়রা জান্নাত যৌতুকের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন। গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ৮ নম্বর আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়।

মিসবাহের বিরুদ্ধে স্ত্রীর মামলা

মামলার নালিশি অভিযোগে হুমায়রা জান্নাত দাবি করেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে ২০২০ সালের ৪ মে শরিয়াহ অনুযায়ী হাবিবুর রহমান মিসবাহের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের দাম্পত্য জীবনে ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি ‘আফরাদ মিসবাহ’ নামে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।

বাদীর অভিযোগ, বিয়ের সময় মিসবাহ তাঁর আগের চারটি বিয়ের বিষয় গোপন করেছিলেন। পরে তিনি জানতে পারেন, তাঁকে ছাড়াও মিসবাহ আরও একাধিক বিয়ে করেছেন। মামলায় তাঁর মোট নয়টি বিয়ের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের দাবি, এসব বিয়ের কোনোটি কাবিননামা বা বিবাহ নিবন্ধনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়নি।

আদালতে মামলা, জারি সমন

হুমায়রা জান্নাতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এবিএম ইবরাহিম খলিল সাংবাদিকদের জানান, তাঁর মক্কেলের অভিযোগের ভিত্তিতে যৌতুক আইনে মামলা করা হয়েছে। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন

আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, হুমায়রা জান্নাতের সঙ্গে মিসবাহের পরিচয় হয় তাঁর ওয়াজ মাহফিল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যের মাধ্যমে। পরে ফেসবুকে যোগাযোগের সূত্র ধরে তাঁদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে তাঁরা বিয়ে করেন।

আরও পড়ুনঃ  নির্বাচনী মাঠে থাকছে কড়া নিরাপত্তা ১ লাখ সেনা ও ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য প্রস্তুত

আইনজীবী আরও দাবি করেন, মামলার আবেদনে মিসবাহের একাধিক বিয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন নারীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার ও তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

মীমের পোস্ট ঘিরে আলোচনা

এর মধ্যেই মিসবাহের ‘১০ নম্বর স্ত্রী’ হতে চেয়ে কনটেন্ট ক্রিয়েটর অ্যাথিনা তাবাসসুম মীমের পোস্ট নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাঁর পোস্টে বিয়ে ও জান্নাতে যাওয়ার প্রসঙ্গ থাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

তবে মীমের এই পোস্টটি ব্যঙ্গ, রসিকতা নাকি বাস্তব আগ্রহ থেকে দেওয়া—তা তিনি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেননি

এদিকে মিসবাহের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। পরবর্তী সময়ে আদালতে আসামির হাজিরা ও বক্তব্যের পর অভিযোগগুলোর বিষয়ে আরও তথ্য জানা যেতে পারে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

খেজুরের বিচি, কামড়ানো শসা ও পোড়ানো চুড়ির সূত্রে শিক্ষক পরিবারের চার হত্যার রহস্য উদঘাটন

ইসলামি বক্তা মিসবাহের ‘১০ নম্বর স্ত্রী’ হতে চান কনটেন্ট ক্রিয়েটর মীম

Update Time : ০৬:৩৬:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

ইসলামি বক্তা হাবিবুর রহমান মিসবাহের ১০ নম্বর স্ত্রী হতে চান—এমন মন্তব্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর অ্যাথিনা তাবাসসুম মীম। তাঁর এই পোস্টকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মীম লিখেছেন, ‘আমি কি ১০ নম্বর বউ হতে পারি?’ এরপর তিনি মিসবাহকে বিয়ে করে জান্নাতে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

মীমের ওই পোস্ট এমন সময়ে এসেছে, যখন হাবিবুর রহমান মিসবাহের বিরুদ্ধে তাঁর স্ত্রী মোসা. হুমায়রা জান্নাত যৌতুকের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন। গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ৮ নম্বর আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়।

মিসবাহের বিরুদ্ধে স্ত্রীর মামলা

মামলার নালিশি অভিযোগে হুমায়রা জান্নাত দাবি করেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে ২০২০ সালের ৪ মে শরিয়াহ অনুযায়ী হাবিবুর রহমান মিসবাহের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের দাম্পত্য জীবনে ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি ‘আফরাদ মিসবাহ’ নামে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।

বাদীর অভিযোগ, বিয়ের সময় মিসবাহ তাঁর আগের চারটি বিয়ের বিষয় গোপন করেছিলেন। পরে তিনি জানতে পারেন, তাঁকে ছাড়াও মিসবাহ আরও একাধিক বিয়ে করেছেন। মামলায় তাঁর মোট নয়টি বিয়ের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের দাবি, এসব বিয়ের কোনোটি কাবিননামা বা বিবাহ নিবন্ধনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়নি।

আদালতে মামলা, জারি সমন

হুমায়রা জান্নাতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এবিএম ইবরাহিম খলিল সাংবাদিকদের জানান, তাঁর মক্কেলের অভিযোগের ভিত্তিতে যৌতুক আইনে মামলা করা হয়েছে। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন

আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, হুমায়রা জান্নাতের সঙ্গে মিসবাহের পরিচয় হয় তাঁর ওয়াজ মাহফিল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যের মাধ্যমে। পরে ফেসবুকে যোগাযোগের সূত্র ধরে তাঁদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে তাঁরা বিয়ে করেন।

আরও পড়ুনঃ  অপেক্ষায় সাকিব

আইনজীবী আরও দাবি করেন, মামলার আবেদনে মিসবাহের একাধিক বিয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন নারীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার ও তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

মীমের পোস্ট ঘিরে আলোচনা

এর মধ্যেই মিসবাহের ‘১০ নম্বর স্ত্রী’ হতে চেয়ে কনটেন্ট ক্রিয়েটর অ্যাথিনা তাবাসসুম মীমের পোস্ট নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাঁর পোস্টে বিয়ে ও জান্নাতে যাওয়ার প্রসঙ্গ থাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

তবে মীমের এই পোস্টটি ব্যঙ্গ, রসিকতা নাকি বাস্তব আগ্রহ থেকে দেওয়া—তা তিনি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেননি

এদিকে মিসবাহের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। পরবর্তী সময়ে আদালতে আসামির হাজিরা ও বক্তব্যের পর অভিযোগগুলোর বিষয়ে আরও তথ্য জানা যেতে পারে।