Dhaka ০১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
‘মহিলাদের আমার ভাল্লাগে না’—প্রতি রাতে ১/২ জন ছাত্রকে হুজুরের রুমে নিতেন পত্রিকা অফিস থেকে সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে ব্ল্যাকমেল, এআই দিয়ে নারীর ছবি বিকৃত করে ছড়ানোর অভিযোগ সাগর-রুনি হত্যা: সাড়ে ১৩ বছর কারাগারে সিলেটের এনাম, মেলেনি সম্পৃক্ততার প্রমাণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের পর ক্রীড়া সংস্থায় সাবেক ছাত্রদল নেতাদের জায়গা বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সিকৃবি ভিসির অপসারণ দাবিতে আন্দোলন, ১৮ অভিযোগ তুলে লিফলেট জৈন্তাপুরে লরি থেকে এস্কেভেটর পড়ে চালকের মৃত্যু শনিবার বিদ্যুৎ থাকবে না সিলেটের অর্ধশতাধিক এলাকায় টিকা না নেওয়া শিশুরাই নতুন করে হামে আক্রান্ত হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চা শ্রমিক  রানী কানুর গ্রেপ্তারে সিলেটে বিক্ষোভ, ৫০০ টাকা মজুরির দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত

 

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিক নেত্রী গীতা রানী কানুকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সিলেটে বিক্ষোভ করেছেন চা শ্রমিক ও আন্দোলনকারীরা। বিক্ষোভ থেকে অবিলম্বে গীতা রানী কানুর মুক্তি, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা করার দাবি জানানো হয়েছে।

চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন চা-বাগানে যখন ধারাবাহিক কর্মসূচি চলছে, ঠিক তখনই গীতা রানী কানুর গ্রেপ্তারের ঘটনায় আন্দোলনকারীদের মধ্যে নতুন করে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, ন্যায্য মজুরির দাবিতে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে তাকে হয়রানিমূলক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সম্প্রতি শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কর্মসূচি শেষে চা শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়কে ঘিরে মারামারি, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হলে গীতা রানী কানুসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

পরে ওই মামলায় গীতা রানী কানুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

গ্রেপ্তারে ক্ষোভ শ্রমিকদের

গীতা রানী কানুর গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চা শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। আন্দোলনকারীরা বলেন, চা শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে নানা বৈষম্য ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে জীবনযাপন করছেন। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে বিদ্যমান মজুরি দিয়ে একটি পরিবার পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তাদের দাবি, চা শ্রমিকদের মজুরি শুধু শ্রমের মূল্য নয়; এর সঙ্গে তাদের পরিবার, সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা, খাদ্য ও জীবনযাত্রার বিষয়টি সরাসরি জড়িত। তাই বর্তমান বাস্তবতায় দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা করা সময়ের দাবি।

আন্দোলনকারীরা আরও বলেন, শ্রমিকদের দাবি নিয়ে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। কিন্তু এর মধ্যেই একজন শ্রমিক নেত্রীকে গ্রেপ্তারের ঘটনা তাদের হতাশ করেছে। এতে শ্রমিকদের মধ্যে ভয় সৃষ্টি করার পাশাপাশি চলমান আন্দোলনকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুনঃ  ব্রাজিল ফুটবল দলের বাংলাদেশে খেলা নিয়ে যা জানা গেল

অভিযোগ অস্বীকার আন্দোলনকারীদের

গীতা রানী কানুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তার সমর্থক ও আন্দোলনকারীরা। তাদের ভাষ্য, শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। বিভিন্ন কর্মসূচিতে শ্রমিকদের পক্ষে কথা বলার কারণেই তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে।

তারা দাবি করেন, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক প্রভাব ছাড়াই তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

মজুরি ৫০০ টাকা করার দাবি

চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা করার দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলন চলছে। শ্রমিক নেতাদের দাবি, বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

শ্রমিকরা বলেন, বাজারে চাল, ডাল, তেল, সবজি, চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যয়সহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই খরচ বেড়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় তাদের আয় বাড়েনি। ফলে চা-বাগানের শ্রমিক পরিবারগুলোকে সীমিত আয়ের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

তাদের মতে, শ্রমিকদের জীবনমান উন্নত করতে হলে শুধু মজুরি নয়, আবাসন, চিকিৎসা, শিক্ষা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার দিকেও কর্তৃপক্ষকে নজর দিতে হবে।

পুলিশের বক্তব্য

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, একটি মামলার অভিযোগের ভিত্তিতেই গীতা রানী কানুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলায় চা শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে ঢুকে হাঙ্গামা ও ভাঙচুরের অভিযোগের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, মামলার অভিযোগ তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আন্দোলন আরও জোরালো করার হুঁশিয়ারি

এদিকে, গীতা রানী কানুর মুক্তি এবং শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন আরও জোরালো করার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট শ্রমিক নেতারা।

তারা বলেন, কোনো গ্রেপ্তার বা মামলা দিয়ে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি থেকে সরিয়ে রাখা যাবে না। শ্রমিকদের দাবি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সিকৃবি ভিসির অপসারণ দাবিতে আন্দোলন, ১৮ অভিযোগ তুলে লিফলেট

বিক্ষোভ থেকে নেতারা বলেন, চা শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তাদের জীবনমান এখনও কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তাই তাদের ন্যায্য মজুরি ও অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

গীতা রানী কানুর গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে সিলেট ও মৌলভীবাজারের চা শ্রমিকদের মধ্যে নতুন করে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। একই সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মজুরি সংক্রান্ত বিরোধের সমাধান এবং শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি জানানোর সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

‘মহিলাদের আমার ভাল্লাগে না’—প্রতি রাতে ১/২ জন ছাত্রকে হুজুরের রুমে নিতেন

চা শ্রমিক  রানী কানুর গ্রেপ্তারে সিলেটে বিক্ষোভ, ৫০০ টাকা মজুরির দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত

Update Time : ০২:৩৬:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিক নেত্রী গীতা রানী কানুকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সিলেটে বিক্ষোভ করেছেন চা শ্রমিক ও আন্দোলনকারীরা। বিক্ষোভ থেকে অবিলম্বে গীতা রানী কানুর মুক্তি, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা করার দাবি জানানো হয়েছে।

চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন চা-বাগানে যখন ধারাবাহিক কর্মসূচি চলছে, ঠিক তখনই গীতা রানী কানুর গ্রেপ্তারের ঘটনায় আন্দোলনকারীদের মধ্যে নতুন করে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, ন্যায্য মজুরির দাবিতে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে তাকে হয়রানিমূলক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সম্প্রতি শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কর্মসূচি শেষে চা শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়কে ঘিরে মারামারি, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হলে গীতা রানী কানুসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

পরে ওই মামলায় গীতা রানী কানুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

গ্রেপ্তারে ক্ষোভ শ্রমিকদের

গীতা রানী কানুর গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চা শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। আন্দোলনকারীরা বলেন, চা শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে নানা বৈষম্য ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে জীবনযাপন করছেন। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে বিদ্যমান মজুরি দিয়ে একটি পরিবার পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তাদের দাবি, চা শ্রমিকদের মজুরি শুধু শ্রমের মূল্য নয়; এর সঙ্গে তাদের পরিবার, সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা, খাদ্য ও জীবনযাত্রার বিষয়টি সরাসরি জড়িত। তাই বর্তমান বাস্তবতায় দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা করা সময়ের দাবি।

আন্দোলনকারীরা আরও বলেন, শ্রমিকদের দাবি নিয়ে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। কিন্তু এর মধ্যেই একজন শ্রমিক নেত্রীকে গ্রেপ্তারের ঘটনা তাদের হতাশ করেছে। এতে শ্রমিকদের মধ্যে ভয় সৃষ্টি করার পাশাপাশি চলমান আন্দোলনকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুনঃ  ইকরা তালাক চেয়েছিল: জাহের আলভী 

অভিযোগ অস্বীকার আন্দোলনকারীদের

গীতা রানী কানুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তার সমর্থক ও আন্দোলনকারীরা। তাদের ভাষ্য, শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। বিভিন্ন কর্মসূচিতে শ্রমিকদের পক্ষে কথা বলার কারণেই তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে।

তারা দাবি করেন, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক প্রভাব ছাড়াই তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

মজুরি ৫০০ টাকা করার দাবি

চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা করার দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলন চলছে। শ্রমিক নেতাদের দাবি, বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

শ্রমিকরা বলেন, বাজারে চাল, ডাল, তেল, সবজি, চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যয়সহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই খরচ বেড়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় তাদের আয় বাড়েনি। ফলে চা-বাগানের শ্রমিক পরিবারগুলোকে সীমিত আয়ের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

তাদের মতে, শ্রমিকদের জীবনমান উন্নত করতে হলে শুধু মজুরি নয়, আবাসন, চিকিৎসা, শিক্ষা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার দিকেও কর্তৃপক্ষকে নজর দিতে হবে।

পুলিশের বক্তব্য

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, একটি মামলার অভিযোগের ভিত্তিতেই গীতা রানী কানুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলায় চা শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে ঢুকে হাঙ্গামা ও ভাঙচুরের অভিযোগের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, মামলার অভিযোগ তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আন্দোলন আরও জোরালো করার হুঁশিয়ারি

এদিকে, গীতা রানী কানুর মুক্তি এবং শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন আরও জোরালো করার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট শ্রমিক নেতারা।

তারা বলেন, কোনো গ্রেপ্তার বা মামলা দিয়ে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি থেকে সরিয়ে রাখা যাবে না। শ্রমিকদের দাবি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  পে স্কেলের গেজেট না হওয়ায় আন্দোলন জোরদার, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

বিক্ষোভ থেকে নেতারা বলেন, চা শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তাদের জীবনমান এখনও কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তাই তাদের ন্যায্য মজুরি ও অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

গীতা রানী কানুর গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে সিলেট ও মৌলভীবাজারের চা শ্রমিকদের মধ্যে নতুন করে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। একই সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মজুরি সংক্রান্ত বিরোধের সমাধান এবং শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি জানানোর সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।