Dhaka ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ‘প্রেমিকের’ বাইকে উধাও ভারতীয় তরুণী, অতঃপর… লাইনচ্যুত হওয়া ট্রেনের উদ্ধার কার্যক্রম চলছে, তদন্ত কমিটি গঠন ১৩ বছর পর ধরা পড়লেন ছদ্মবেশে থাকা চঞ্চল সৈকতে গোসলে নেমে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু, উদ্ধার ১৫ তুলসীগঙ্গা নদী থেকে বহুমূল্য কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার বিষ হাতে হৃদয়ের বাড়িতে কিশোরী, বলছে ‘বিয়ে করতেই হবে’ ১০ বছর বয়সেই কুরআনের হাফেজ আশ্রাফ তাহসিফের মৃত্যুর আগে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা মিলল যে দৃশ্য ‘ভালোবাসা যত বড় হয়, জীবনটা তত নয়’, দেড় দশক ধরে স্ত্রীর কবর পরিষ্কার করছেন আইনজীবী সিলেটে রায়হান হত্যা: এসআই আকবরের মৃত্যুদন্ড, দুজনের যাবজ্জীবন, ৩ জনের ৭ বছরের জেল

মেঘনা আলমের ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে ফের আলোচনা

  • desk news
  • Update Time : ০৫:১০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৫৪ Time View

আলোচিত মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলমের সাম্প্রতিক একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে। নিজের রাজনৈতিক অবস্থান এবং দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়েও মন্তব্য করেছেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া স্ট্যাটাসে মেঘনা আলম দাবি করেন, ক্ষমতাসীনদের তোষামোদ করে চলা তার স্বভাব নয়। তিনি বলেন, গত ১৭ বছরের শাসনামলেও তিনি শেখ হাসিনা বা অন্য কোনো ক্ষমতাসীন ব্যক্তিকে খুশি করার চেষ্টা করেননি।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস প্রসঙ্গে মেঘনা আলম দাবি করেন, অন্যরা যখন তাকে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছিলেন, তখনও তার ফেসবুকের কভার ছবিতে অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে তোলা ছবি ছিল। এমনকি তৎকালীন সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী তাকে ‘ম্যাডাম’ বলে সম্বোধন করলেও তাদের সামনেই নিজের ফোনের ওয়ালপেপারে অধ্যাপক ইউনূসের ছবি রাখতেন বলে দাবি করেন তিনি।

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মেঘনা আলম বলেন, তিনি রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ ছিলেন। শেখ হাসিনা সরকারের সময়ও বিএনপির ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। বর্তমানে ক্ষমতাসীন দলকে সমর্থন করা কিংবা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে মুগ্ধ হওয়াকে নিজের স্বাভাবিক রাজনৈতিক অবস্থান হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।

মেঘনা আলম আরও বলেন, কাউকে ভালো বললে তিনি মন থেকেই বলেন; এর সঙ্গে কোনো ধরনের তোষামোদ জড়িত নয়। জীবনের কঠিন সময়, অপপ্রচার ও সামাজিক হেনস্তার কথাও তুলে ধরে তিনি জানান, অচেনা অনেক মানুষের সহযোগিতা ও ভালোবাসায় তিনি ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছেন।

স্ট্যাটাসের শেষ দিকে দেশের স্বার্থ ও মানবতার জন্য ভালো মানুষদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে মেঘনা আলমের আরেকটি ফেসবুক স্ট্যাটাসও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। সেখানে নিজের ব্যক্তিগত জীবনযাপন নিয়ে নানা মন্তব্য করেন তিনি। ওই বক্তব্য নিয়েও নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনা দেখা যায়।

আরও পড়ুনঃ  সিলেটে ভুয়া আইনজীবী সেজে প্রতারণা

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে ‘মিস আর্থ বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন মেঘনা আলম। পাশাপাশি তিনি ‘মিস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যান হিসেবেও পরিচিত। ঢাকায় নিযুক্ত সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসুফ ঈসা আলদুহাইলানের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়টি নিয়েও অতীতে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা হয়েছিল।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ‘প্রেমিকের’ বাইকে উধাও ভারতীয় তরুণী, অতঃপর…

মেঘনা আলমের ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে ফের আলোচনা

Update Time : ০৫:১০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

আলোচিত মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলমের সাম্প্রতিক একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে। নিজের রাজনৈতিক অবস্থান এবং দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়েও মন্তব্য করেছেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া স্ট্যাটাসে মেঘনা আলম দাবি করেন, ক্ষমতাসীনদের তোষামোদ করে চলা তার স্বভাব নয়। তিনি বলেন, গত ১৭ বছরের শাসনামলেও তিনি শেখ হাসিনা বা অন্য কোনো ক্ষমতাসীন ব্যক্তিকে খুশি করার চেষ্টা করেননি।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস প্রসঙ্গে মেঘনা আলম দাবি করেন, অন্যরা যখন তাকে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছিলেন, তখনও তার ফেসবুকের কভার ছবিতে অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে তোলা ছবি ছিল। এমনকি তৎকালীন সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী তাকে ‘ম্যাডাম’ বলে সম্বোধন করলেও তাদের সামনেই নিজের ফোনের ওয়ালপেপারে অধ্যাপক ইউনূসের ছবি রাখতেন বলে দাবি করেন তিনি।

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মেঘনা আলম বলেন, তিনি রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ ছিলেন। শেখ হাসিনা সরকারের সময়ও বিএনপির ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। বর্তমানে ক্ষমতাসীন দলকে সমর্থন করা কিংবা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে মুগ্ধ হওয়াকে নিজের স্বাভাবিক রাজনৈতিক অবস্থান হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।

মেঘনা আলম আরও বলেন, কাউকে ভালো বললে তিনি মন থেকেই বলেন; এর সঙ্গে কোনো ধরনের তোষামোদ জড়িত নয়। জীবনের কঠিন সময়, অপপ্রচার ও সামাজিক হেনস্তার কথাও তুলে ধরে তিনি জানান, অচেনা অনেক মানুষের সহযোগিতা ও ভালোবাসায় তিনি ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছেন।

স্ট্যাটাসের শেষ দিকে দেশের স্বার্থ ও মানবতার জন্য ভালো মানুষদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে মেঘনা আলমের আরেকটি ফেসবুক স্ট্যাটাসও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। সেখানে নিজের ব্যক্তিগত জীবনযাপন নিয়ে নানা মন্তব্য করেন তিনি। ওই বক্তব্য নিয়েও নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনা দেখা যায়।

আরও পড়ুনঃ  সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই আপন আত্মীয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে ‘মিস আর্থ বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন মেঘনা আলম। পাশাপাশি তিনি ‘মিস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যান হিসেবেও পরিচিত। ঢাকায় নিযুক্ত সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসুফ ঈসা আলদুহাইলানের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়টি নিয়েও অতীতে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা হয়েছিল।