
নেত্রকোনা সদর উপজেলায় এক ১৪ বছর বয়সী স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের পর স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণের মতো ফৌজদারি অপরাধ কোনো সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তিযোগ্য নয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার রাতে ভুক্তভোগী কিশোরী বাড়িতে একা থাকার সুযোগে অভিযুক্ত তাকে ডেকে নিয়ে যৌন নির্যাতন করেন। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে রোববার রাতে নন্দুরা বাজারে একটি সালিশ বৈঠক বসে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে অভিযুক্তকে উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা যায়। তবে ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, তারা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা চান। কিশোরীর বাবা বলেন, তারা স্বামী-স্ত্রী মিলে চায়ের দোকান পরিচালনা করেন। সেই সুযোগে বাড়িতে একা থাকা মেয়ের ওপর এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, ধর্ষণ বা নারী নির্যাতনের মতো অভিযোগ স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তির সুযোগ নেই। এমন ঘটনা মীমাংসার চেষ্টা করলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে ভুক্তভোগীর পরিবারকে অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং ভাইরাল ভিডিওতে সালিশে অংশ নেওয়া কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তকে আটক করার চেষ্টা চলছে।
নেত্রকোনা প্রতিনিধি 


















