
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় একটি দাখিল মাদ্রাসার মৃত শিক্ষকের ইনডেক্স নম্বর ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে দীর্ঘদিন সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে, যা তদন্তের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার এক জুনিয়র শিক্ষক ১৯৯৪ সালে নিয়োগ পান। পরবর্তীতে তার মৃত্যুর পর পদটি শূন্য হয়ে যায়। পরে একই নামের আরেক ব্যক্তি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর পূর্বের শিক্ষকের ইনডেক্স নম্বর ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে এমপিওভুক্ত বেতন-ভাতা উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মাদ্রাসার সুপার বিষয়টি নজরে আসার পর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।
লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতিক এমপিও সংক্রান্ত নথিতেও সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগকারীর ভাষ্য, দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি অর্থ অনিয়মের মাধ্যমে উত্তোলন হয়ে থাকলে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করেছেন, একই হিসাব নম্বর থাকলেও ওই হিসাব থেকে তিনি বেতন গ্রহণ করেননি। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
এদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগটি তদন্ত করে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















