মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পাঁচ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় শোকাহত দেশ। তাদেরই একজন হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার বাসিন্দা সদর আলী।
শুক্রবার রাতে সাহ্রি রান্নার সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ওই পাঁচ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। নিহত সদর আলী উপজেলা সদরের মহব্বতখানী গ্রামের মৃত এরশাদ আলীর ছেলে। পেশায় ছিলেন রাজমিস্ত্রি। পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে জীবিকার সন্ধানে মালদ্বীপ যান সদর আলী। দেশে তাঁর স্ত্রী ও তিন সন্তান ছিল।
সদর আলীর বড় মেয়ে মীম আক্তার জানান, আনুমানিক রাত ৪টার দিকে তারা জানতে পারেন, সদর আলী ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন এবং গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে রুমে আগুন ছড়িয়ে পড়লে তাঁর বাবাসহ সেখানে থাকা সবাই মারা যান। বিষয়টি তারা মালদ্বীপপ্রবাসী আরেক আত্মীয় তারেক মিয়ার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছেন।
মীম বানিয়াচং সরকারি জনাব আলী কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশোনা করেন। তিনি সমকালকে জানান, বাবা বৃহস্পতিবার রাতে কথা বলার জন্য কল করেছিলেন; কিন্তু তারাবি নামাজের কারণে কথা বলতে পারিনি সে। তাই শেষবার আর বাবার সঙ্গে কথা হয়নি মীমের।
পরিবারের সদস্যরা জানান, মীমের বোন এলিজা দশম শ্রেণি ও ভাই সৌরভ নবম শ্রেণিতে পড়ে। বাবার মৃত্যুতে সংসারের দায়িত্ব পালন করার আর কেউ রইল না। তাদের বাবার কিছু ঋণ আছে।
সদর আলীর আত্মীয় খলিলুর রহমান রাজু বলেন, তারা যোগাযোগ রাখছেন। লাশ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।




