Dhaka ০৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটের বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৯ জনের মধ্যে বাউলশিল্পী পেহেলি ভৈরবী ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ: নিহত ৯, আহত অর্ধশতাধিক তীব্র সমালোচনার মুখে সরছে কিনব্রিজের ‘আই লাভ সিলেট’ সাইনেজ জুমার দিনের ফজিলত ও রাসুল (সা.)-এর গুরুত্বপূর্ণ আমল সিলেটে নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ: ‘দি চট্টগ্রাম ডোর অ্যান্ড ফার্নিচার’ সিলগালা সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি হিসেবে আবারও দায়িত্ব পেলেন নাসিম হোসাইন সচিবালয় ঘেরাও করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে জামায়াতের আমির ও নাহিদ সিলেটে শিশু ফাহিমা হত্যা : প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড, দুই সহোদর খালাস সমবায়ের ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাতের:সাবেক জামায়াত নেতা কারাগারে প্রকাশ্যে আসেননি হাসিনা, অন্ধকারে দিলেন ভিডিও ভাষণ

জেলের জালে ৫৪ কেজির বিশাল তবল মাছ,বিক্রি হলো কত টাকায়?

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ৫৪ কেজি ওজনের একটি বিশাল তবল মাছ। ব্যতিক্রমী আকারের মাছটি মহিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হলে তা দেখতে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে মাছটি মহিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হয়। পরে খোলা নিলামে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী রুবেল ঘরামী মাছটি ৩৬ হাজার টাকায় কিনে নেন। এতে প্রতি কেজির দাম পড়ে প্রায় ৬৬৭ টাকা।

জেলে সূত্রে জানা যায়, ‘এফবি সালমা করিম’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে মাছটি ধরে। পরে মহিপুর মৎস্য বন্দরে আখি ফিশ ও তহুরা ফিশের মাধ্যমে মাছটির নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয়ভাবে তবল মাছ ট্রেভ্যালি (Trevally) নামে পরিচিত। কুয়াকাটা অঞ্চলে এটিকে তবলি, বগা বা খাঁদিয়া নামেও ডাকা হয়। সুস্বাদু, পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং তুলনামূলক কম কাঁটাযুক্ত হওয়ায় বাজারে এ মাছের চাহিদা বেশ ভালো।

মৎস্যজীবীরা জানান, গভীর সমুদ্রে তবল মাছ নিয়মিত ধরা পড়লেও ৫৪ কেজির মতো এত বড় মাছ খুব কমই জালে ওঠে। তাই মাছটি বন্দরে আনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়।

ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত, ডাব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, তবল মাছ ক্যারাঙ্গিডি (Carangidae) পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক প্রজাতি। এ ধরনের বড় আকারের মাছের উপস্থিতি বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, তবল মাছ অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি সামুদ্রিক প্রজাতি। ভবিষ্যতে এ ধরনের বড় আকারের মাছ আরও বেশি ধরা পড়লে জেলেরা আর্থিকভাবে আরও লাভবান হবেন।

আরও পড়ুনঃ  আলোচনার পথে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান,শুরু হতে পারে সংলাপ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সিলেটের বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৯ জনের মধ্যে বাউলশিল্পী পেহেলি ভৈরবী

জেলের জালে ৫৪ কেজির বিশাল তবল মাছ,বিক্রি হলো কত টাকায়?

Update Time : ১২:০৬:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ৫৪ কেজি ওজনের একটি বিশাল তবল মাছ। ব্যতিক্রমী আকারের মাছটি মহিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হলে তা দেখতে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে মাছটি মহিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হয়। পরে খোলা নিলামে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী রুবেল ঘরামী মাছটি ৩৬ হাজার টাকায় কিনে নেন। এতে প্রতি কেজির দাম পড়ে প্রায় ৬৬৭ টাকা।

জেলে সূত্রে জানা যায়, ‘এফবি সালমা করিম’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে মাছটি ধরে। পরে মহিপুর মৎস্য বন্দরে আখি ফিশ ও তহুরা ফিশের মাধ্যমে মাছটির নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয়ভাবে তবল মাছ ট্রেভ্যালি (Trevally) নামে পরিচিত। কুয়াকাটা অঞ্চলে এটিকে তবলি, বগা বা খাঁদিয়া নামেও ডাকা হয়। সুস্বাদু, পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং তুলনামূলক কম কাঁটাযুক্ত হওয়ায় বাজারে এ মাছের চাহিদা বেশ ভালো।

মৎস্যজীবীরা জানান, গভীর সমুদ্রে তবল মাছ নিয়মিত ধরা পড়লেও ৫৪ কেজির মতো এত বড় মাছ খুব কমই জালে ওঠে। তাই মাছটি বন্দরে আনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়।

ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত, ডাব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, তবল মাছ ক্যারাঙ্গিডি (Carangidae) পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক প্রজাতি। এ ধরনের বড় আকারের মাছের উপস্থিতি বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, তবল মাছ অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি সামুদ্রিক প্রজাতি। ভবিষ্যতে এ ধরনের বড় আকারের মাছ আরও বেশি ধরা পড়লে জেলেরা আর্থিকভাবে আরও লাভবান হবেন।

আরও পড়ুনঃ  মৃত্যুর আগে কেন সেজেছিলেন ফারজানা?