Dhaka ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
খেজুরের বিচি, কামড়ানো শসা ও পোড়ানো চুড়ির সূত্রে শিক্ষক পরিবারের চার হত্যার রহস্য উদঘাটন এনসিপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন সোমবার যুদ্ধের মধ্যেই জ্বালানি নিয়ে বড় সুখবর দিল ইরান মাদ্রাসাছাত্রীকে ধ র্ষ ণের দায়ে দুজনের যাবজ্জীবন ইসলামি বক্তা মিসবাহের ‘১০ নম্বর স্ত্রী’ হতে চান কনটেন্ট ক্রিয়েটর মীম সিলেটে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, ২৪ ঘণ্টায় ৭৩ আসামি গ্রেপ্তার রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব হলেন আবু আউয়াল সিলেটের মেয়ে রুবাইয়ার  ৭৩ লাখ ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন শাহজালাল বিমানবন্দরে ৩ কেজি কুশসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার এয়ার হোস্টেস থেকে পুলিশ কর্মকর্তা, এবার কোটি টাকার জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগে বরখাস্ত

মাজারের ডেগে মিলল হেনার আকুতিভরা চিরকুট, ‘যারা আমার স্বামীকে কুপথে নিয়েছে, আল্লাহ তুমি তাদের বিচার করো’

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে দানের ডেগে এবার মিলেছে এক নারীর আবেগঘন চিরকুট। চিরকুটে নিজের জীবনের কষ্ট, স্বামীকে নিয়ে দুশ্চিন্তা এবং অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে মহান আল্লাহর কাছে বিচার ও হেদায়েতের আকুতি জানিয়েছেন ‘হেনা’ নামের এক নারী।

চিরকুটের শুরুতেই লেখা— **“হে আল্লাহ, আমি তোমার ওলির মাজারে আমার মনের কথাটি তুলে ব্যক্ত করেছি।”** এরপর নিজের কষ্টের কথা তুলে ধরে ওই নারী লিখেছেন, **“যারা আমার স্বামীকে কুপথে নিয়ে গেছে, আল্লাহ তুমি তাদের বিচার করিও এবং তাদের হেদায়েত করিও।”**

স্বামীকে ঘিরে নিজের জীবনে নেমে আসা কষ্ট যেন অন্য কোনো নারীকে সহ্য করতে না হয়—এমন আকুতিও ফুটে উঠেছে চিরকুটে। সেখানে লেখা হয়েছে, **“যেন কেউ না পায় আমার মতো কষ্ট।”**

শুধু নিজের কিংবা স্বামীর জন্য নয়, সমাজের বৃহত্তর কল্যাণের কথাও উঠে এসেছে ওই চিরকুটে। মাদকদ্রব্য পৃথিবী থেকে নিষিদ্ধ করে দেওয়ার জন্যও মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি।

এক টুকরো কাগজে লেখা কয়েকটি বাক্যে যেন ফুটে উঠেছে একজন নারীর নীরব কান্না, স্বামীকে হারানোর ভয় এবং ভালোবাসার মানুষটিকে সঠিক পথে ফিরে পাওয়ার আকুতি। নিজের কষ্ট কাউকে না বলে সেই কথাগুলোই তিনি তুলে দিয়েছেন মহান আল্লাহর দরবারে।

চিরকুটের শেষে লেখা রয়েছে **‘হেনা’** নাম।

তবে ‘হেনা’ নামে ওই নারীর পরিচয়, তার স্বামীর পরিচয় এবং চিরকুটে উল্লেখ করা ঘটনার বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। চিরকুটটি কবে মাজারের ডেগে রাখা হয়েছে, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মাজারের দানের ডেগে সাধারণত অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রীর পাশাপাশি মানুষের ব্যক্তিগত মানত, প্রার্থনা ও মনের আকুতিভরা চিরকুটও পাওয়া যায়। হেনার এই চিরকুটটিও যেন তার জীবনের গভীর কষ্ট ও প্রিয় মানুষটির জন্য করা এক নীরব প্রার্থনার সাক্ষী হয়ে রইল।

আরও পড়ুনঃ  বাবার মরদেহ উঠানে রেখে পরীক্ষা, ঋতুর জিপিএ-৫; উচ্চশিক্ষার খরচ নিয়ে শঙ্কা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

খেজুরের বিচি, কামড়ানো শসা ও পোড়ানো চুড়ির সূত্রে শিক্ষক পরিবারের চার হত্যার রহস্য উদঘাটন

মাজারের ডেগে মিলল হেনার আকুতিভরা চিরকুট, ‘যারা আমার স্বামীকে কুপথে নিয়েছে, আল্লাহ তুমি তাদের বিচার করো’

Update Time : ১০:১০:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে দানের ডেগে এবার মিলেছে এক নারীর আবেগঘন চিরকুট। চিরকুটে নিজের জীবনের কষ্ট, স্বামীকে নিয়ে দুশ্চিন্তা এবং অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে মহান আল্লাহর কাছে বিচার ও হেদায়েতের আকুতি জানিয়েছেন ‘হেনা’ নামের এক নারী।

চিরকুটের শুরুতেই লেখা— **“হে আল্লাহ, আমি তোমার ওলির মাজারে আমার মনের কথাটি তুলে ব্যক্ত করেছি।”** এরপর নিজের কষ্টের কথা তুলে ধরে ওই নারী লিখেছেন, **“যারা আমার স্বামীকে কুপথে নিয়ে গেছে, আল্লাহ তুমি তাদের বিচার করিও এবং তাদের হেদায়েত করিও।”**

স্বামীকে ঘিরে নিজের জীবনে নেমে আসা কষ্ট যেন অন্য কোনো নারীকে সহ্য করতে না হয়—এমন আকুতিও ফুটে উঠেছে চিরকুটে। সেখানে লেখা হয়েছে, **“যেন কেউ না পায় আমার মতো কষ্ট।”**

শুধু নিজের কিংবা স্বামীর জন্য নয়, সমাজের বৃহত্তর কল্যাণের কথাও উঠে এসেছে ওই চিরকুটে। মাদকদ্রব্য পৃথিবী থেকে নিষিদ্ধ করে দেওয়ার জন্যও মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি।

এক টুকরো কাগজে লেখা কয়েকটি বাক্যে যেন ফুটে উঠেছে একজন নারীর নীরব কান্না, স্বামীকে হারানোর ভয় এবং ভালোবাসার মানুষটিকে সঠিক পথে ফিরে পাওয়ার আকুতি। নিজের কষ্ট কাউকে না বলে সেই কথাগুলোই তিনি তুলে দিয়েছেন মহান আল্লাহর দরবারে।

চিরকুটের শেষে লেখা রয়েছে **‘হেনা’** নাম।

তবে ‘হেনা’ নামে ওই নারীর পরিচয়, তার স্বামীর পরিচয় এবং চিরকুটে উল্লেখ করা ঘটনার বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। চিরকুটটি কবে মাজারের ডেগে রাখা হয়েছে, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মাজারের দানের ডেগে সাধারণত অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রীর পাশাপাশি মানুষের ব্যক্তিগত মানত, প্রার্থনা ও মনের আকুতিভরা চিরকুটও পাওয়া যায়। হেনার এই চিরকুটটিও যেন তার জীবনের গভীর কষ্ট ও প্রিয় মানুষটির জন্য করা এক নীরব প্রার্থনার সাক্ষী হয়ে রইল।

আরও পড়ুনঃ  সন্তানদের অশ্রুসিক্ত বিদায়ে দাফন আব্দুস সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতির