শিক্ষকদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
গতকাল রোববার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের দাবির বিষয় গুরুত্ব সহকারে দেখব। তবে শুধু সমস্যা দেখলে হবে না, শিক্ষার উন্নয়নে আপনাদের কী করা উচিত সেটাও ভাবতে হবে। শিক্ষকদের শিক্ষার প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকতে হবে।’সভায় শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া শিক্ষকদের পক্ষে ১৩ দফা দাবি উপস্থাপন করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে– বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি, পৃথক বেতন স্কেল চালু, চাকরি জাতীয়করণ, অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের বকেয়া পরিশোধ, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণ এবং এনটিআরসিএর নিয়োগ প্রক্রিয়া সংস্কার।
সভায় জানানো হয়, আলোচিত বিষয়গুলো লিখিত আকারে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে এবং অগ্রগতি শিক্ষক সমাজকে অবহিত করা হবে। সরকার ও শিক্ষক সংগঠনের মধ্যে সংলাপের মাধ্যমেই দাবি-দাওয়ার সমাধান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, বর্তমান ভাতা ও বেতন কাঠামোতে শিক্ষক-কর্মচারীদের পক্ষে সম্মানজনক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে অবিলম্বে আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি ও কাঠামোগত সংস্কার জরুরি।
এসব দাবির জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজপথে নামার প্রয়োজন হবে না। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি জানান, যৌক্তিক দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ পর্যায়ক্রমে পর্যালোচনা ও সমাধানের আশ্বাস দেন শিক্ষামন্ত্রী।




