সিলেটে দুই যুবকের কাছ থেকে সরকারি ওয়াকিটকি উদ্ধারের ঘটনায় এসআই কামরুল আলমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। যুবকদের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত ওয়াকিটকিটি ছিল এসআই কামরুল ইসলামের। তিনি সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ভোলাগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে ছিলেন।
তদন্তে আটককৃত দুই যুবকের সাথে ওই এসআইয়ের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাকে বরখঅস্ত করা হয় বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি কোম্পানীগঞ্জের পাড়ুয়া এলাকায় পাথরখেকোদের বিরুদ্ধে অভিযানকালে একটি চায়নিজ কুড়াল উদ্ধার করেন এসআই কামরুল। কিন্তু তিনি কুড়ালটি থানায় জমা না দিয়ে নিজের ব্যবহৃত গাড়িতে রেখে দেন।
মঙ্গলবার রাতে প্রাইভেট কারের ভেতর সরকারি ওয়াকিটকি ও চায়নিজ কুড়াল রেখে কোম্পানীগঞ্জের যুবক লিটন মাহমুদ ও জুনায়েদ আহমদকে গাড়িতে গ্যাস ভরতে সিলেট শহরে পাঠান। শহরে প্রবেশেরমুখে বিমানবন্দর এলাকায় পুলিশের তল্লাশির মুখে পড়েন ওই দুই যুবক। প্রাইভেটকার তল্লাশি করে সরকারি ওয়াকিটকি ও চায়নিজ কুড়াল পেয়ে লিটন ও জুনায়েদকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় যুবকদ্বয়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়। কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম খান জানান, উদ্ধার হওয়া ওয়াকিটকি ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কামরুল আলমের বলে তিনি স্বীকার করেছেন। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে নিয়ম অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।




