স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের ১০ বিদ্যালয়ের ১৬০০ শিক্ষার্থী অবশেষে যথাসময়ে খাবার পেয়েছে। রোববার উপজেলার রামদী ইউনিয়নের বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকেরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কতিপয় ছাত্রদল নেতার বাধায় বৃহস্পতিবার থেকে খাবার সরবরাহ করতে পারছিলেন না সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। এ বিষয়ে সমকালে রোববার সংবাদ প্রকাশিত হয়।
কুলিয়ারচরের ৭৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত ৪ এপ্রিল শুরু হয় স্কুল ফিডিং কর্মসূচি। এর আওতায় শিক্ষার্থীদের ডিম, কলা ও বনরুটি দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু ছাত্রদল নেতাদের বাধার কারণে রামদী ইউনিয়নের বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা গত বৃহস্পতিবার ও শনিবার খাবার পায়নি। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে এ ইউনিয়নের ১০টি বিদ্যালয়েই খাবার পৌঁছে যায়। মনোহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণা সাহা, আগরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মরিয়ম নেছা, জগতচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আওয়াল জানিয়েছেন, গতকাল তাদের প্রতিষ্ঠানে যথাসময়ে খাবার পাঠিয়েছেন ঠিকাদার।
খাবার বিতরণকারী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এসএম এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী দেলোয়ার হোসেন মান্নান গতকাল বলেন, ‘আজ (গতকাল) কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই যথাসময়ে খাবার বিতরণ করেছি।’উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ‘খাবার বিতরণে যাতে কোনো ধরনের সউপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ‘খাবার বিতরণে যাতে কোনো ধরনের সমস্যা না হয়, সে জন্য আমরা নজরদারি করছি। এ বিষয়ে শিগগিরই ঠিকাদার ও বিদ্যালয় প্রধানদের নিয়ে সভায় বসবো।’মস্যা না হয়, সে জন্য আমরা নজরদারি করছি। এ বিষয়ে শিগগিরই ঠিকাদার ও বিদ্যালয় প্রধানদের নিয়ে সভায় বসবো।’




