Dhaka ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ‘প্রেমিকের’ বাইকে উধাও ভারতীয় তরুণী, অতঃপর… লাইনচ্যুত হওয়া ট্রেনের উদ্ধার কার্যক্রম চলছে, তদন্ত কমিটি গঠন ১৩ বছর পর ধরা পড়লেন ছদ্মবেশে থাকা চঞ্চল সৈকতে গোসলে নেমে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু, উদ্ধার ১৫ তুলসীগঙ্গা নদী থেকে বহুমূল্য কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার বিষ হাতে হৃদয়ের বাড়িতে কিশোরী, বলছে ‘বিয়ে করতেই হবে’ ১০ বছর বয়সেই কুরআনের হাফেজ আশ্রাফ তাহসিফের মৃত্যুর আগে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা মিলল যে দৃশ্য ‘ভালোবাসা যত বড় হয়, জীবনটা তত নয়’, দেড় দশক ধরে স্ত্রীর কবর পরিষ্কার করছেন আইনজীবী সিলেটে রায়হান হত্যা: এসআই আকবরের মৃত্যুদন্ড, দুজনের যাবজ্জীবন, ৩ জনের ৭ বছরের জেল

গাজী নজরুলকে নিয়ে সংসদে যে টিপস দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • desk news
  • Update Time : ০৭:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫৩৬ Time View

জাতীয় সংসদে বিরোধী দল থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে সংসদীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে আকর্ষণীয় তর্ক-বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও তাকে নিয়ে সংসদে কিছু টিপস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বিরোধীদলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বাকযুদ্ধের সৃষ্টি হয়। এসময় সংসদ কার্যপ্রণালি চলাকালে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বিরোধী দলীয় নেতা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং স্পিকারের অংশগ্রহণে পুরো অধিবেশন জুড়ে নীতি, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ এবং রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে নানামুখী আলোচনা উঠে আসে।

আলোচনার শুরুতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেন, গাজী নজরুল ইসলাম পূর্বে কয়েকটি স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু বিরোধী দলীয় নেতার চিঠি ও অনুরোধের প্রেক্ষিতে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। একজন সংসদ সদস্য হিসেবে যতক্ষণ পর্যন্ত তার পদ বহাল থাকে, ততক্ষণ সব সদস্যকে কার্যক্রমে যুক্ত করা এবং তাদের অবদান রাখার সুযোগ দেওয়া স্পিকারের দায়িত্ব। বিরোধী দল বা সরকারি দলের বাইরের কোনো কমিটিতে তাকে রাখা সম্ভব না হওয়ায় এবং ইম্পর্ট্যান্ট দুটি কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার পর অন্য কোনো উপযুক্ত কমিটি না থাকায় তাকে একটি কম গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে রাখা হয়েছিল, যা বছরে হয়ত এক-দুবার বসে। তবে বিরোধী দলের যদি এতে আপত্তি থাকে, তবে তার নাম বাদ দিতে সরকারি দলের কোনো দ্বিধা নেই।

চিফ হুইপের বক্তব্যের পরপরই মাইক নিয়ে কথা বলেন বিরোধী দলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান। তিনি জানান, তাদের কোটা থেকে গাজী নজরুলকে এই বরাদ্দ দেওয়া হয়নি বলেই তারা নিশ্চিত হতে চেয়েছিলেন। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে তাকে প্রস্তাব করা হয়নি এবং যেহেতু নৈতিক কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তাই জাতীয় সংসদের মতো মর্যাদাপূর্ণ স্থানে তাকে কোনো কমিটিতে না রাখাটাই সঙ্গত ও নৈতিক হতো। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ যেহেতু আছে, তাই তাকে বাদ দেওয়াটাই একটি ভালো দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুনঃ  অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটে বন্ধ সিলেট-হবিগঞ্জ রুটে বাস চলাচল

এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পিকারের অনুমতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন এবং রাজনৈতিক কৌশলে বিরোধী দলকে পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী কেবল দল থেকে বহিষ্কার করলেই সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয় না, ৭০ অনুচ্ছেদ সেখানে সরাসরি প্রযোজ্য হয় না, যদি না সদস্য নিজে পদত্যাগ করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলকে বুদ্ধি দিয়ে বলেন যে, গাজী নজরুল যেহেতু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন, তাই ৭০ অনুচ্ছেদ টেনে বিরোধী দল স্পিকার বা নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিলে তার আসন শূন্য হতে পারে। তবে বিরোধী দলের আপত্তির মুখে তাদের নেতার প্রতি সম্মান জানিয়ে গাজী নজরুলকে সংশ্লিষ্ট কমিটি থেকে বাদ দিতে তাদের কোনো আপত্তি নেই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে বিরোধী দলীয় নেতা কিছুটা হাস্যরসের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, দুর্বল মানুষকে জব্দ করতে গ্রামে যেমন মেম্বার ইলেকশনে দাঁড় করিয়ে দেওয়ার কথা প্রচলিত আছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও মাঝে মাঝে সংসদকে প্রাণবন্ত করতে এমন কিছু টিপস দেন। তিনি পরিষ্কার করেন যে, যাকে দল থেকে ইতোমধ্যে বহিষ্কার করা হয়েছে, সে যে দলের সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করে ফ্লোর ক্রসিং করেছে তা নতুন করে দাবি করার সুযোগ তাদের নেই। তবে নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাকে কমিটিতে না রাখার যে আর্জি তারা জানিয়েছেন, তা বিবেচনা করায় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

পরবর্তী সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুনরায় ফ্লোর নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্যের জবাবে বলেন, বিরোধী দলের অবস্থান থেকে এটি স্পষ্ট যে তারা গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ বহাল রাখতে চান কিন্তু কমিটিতে রাখতে চান না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুনর্নিশ্চিত করেন যে, সংবিধানের আইন অনুযায়ী তিনি এখনও বৈধ সংসদ সদস্য এবং বিরোধী দল যদি ৭০ অনুচ্ছেদের অধীনে কোনো পদক্ষেপ না নেয়, তবে তার সদস্যপদ বহাল থাকবে। তবে বিরোধী দলীয় নেতার সম্মানার্থে তাকে প্রস্তাবিত কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  সালমান শাহ হ ত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ফের পেছালো

বিতর্ক ও আলোচনার শেষ পর্যায়ে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি পুনরায় দাঁড়িয়ে সব সংসদ সদস্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এবং বিরোধী দলীয় নেতার ইচ্ছা ও সম্মানকে প্রাধান্য দিয়ে সংশোধনসহ ‘সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটি’ পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ২৪৫ বিধি অনুযায়ী তিনি গাজী নজরুল ইসলামকে বাদ দিয়ে নতুন কমিটির সদস্যদের নাম পাঠ করেন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ‘প্রেমিকের’ বাইকে উধাও ভারতীয় তরুণী, অতঃপর…

গাজী নজরুলকে নিয়ে সংসদে যে টিপস দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Update Time : ০৭:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় সংসদে বিরোধী দল থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে সংসদীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে আকর্ষণীয় তর্ক-বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও তাকে নিয়ে সংসদে কিছু টিপস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বিরোধীদলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বাকযুদ্ধের সৃষ্টি হয়। এসময় সংসদ কার্যপ্রণালি চলাকালে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বিরোধী দলীয় নেতা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং স্পিকারের অংশগ্রহণে পুরো অধিবেশন জুড়ে নীতি, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ এবং রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে নানামুখী আলোচনা উঠে আসে।

আলোচনার শুরুতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেন, গাজী নজরুল ইসলাম পূর্বে কয়েকটি স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু বিরোধী দলীয় নেতার চিঠি ও অনুরোধের প্রেক্ষিতে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। একজন সংসদ সদস্য হিসেবে যতক্ষণ পর্যন্ত তার পদ বহাল থাকে, ততক্ষণ সব সদস্যকে কার্যক্রমে যুক্ত করা এবং তাদের অবদান রাখার সুযোগ দেওয়া স্পিকারের দায়িত্ব। বিরোধী দল বা সরকারি দলের বাইরের কোনো কমিটিতে তাকে রাখা সম্ভব না হওয়ায় এবং ইম্পর্ট্যান্ট দুটি কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার পর অন্য কোনো উপযুক্ত কমিটি না থাকায় তাকে একটি কম গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে রাখা হয়েছিল, যা বছরে হয়ত এক-দুবার বসে। তবে বিরোধী দলের যদি এতে আপত্তি থাকে, তবে তার নাম বাদ দিতে সরকারি দলের কোনো দ্বিধা নেই।

চিফ হুইপের বক্তব্যের পরপরই মাইক নিয়ে কথা বলেন বিরোধী দলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান। তিনি জানান, তাদের কোটা থেকে গাজী নজরুলকে এই বরাদ্দ দেওয়া হয়নি বলেই তারা নিশ্চিত হতে চেয়েছিলেন। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে তাকে প্রস্তাব করা হয়নি এবং যেহেতু নৈতিক কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তাই জাতীয় সংসদের মতো মর্যাদাপূর্ণ স্থানে তাকে কোনো কমিটিতে না রাখাটাই সঙ্গত ও নৈতিক হতো। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ যেহেতু আছে, তাই তাকে বাদ দেওয়াটাই একটি ভালো দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুনঃ  সিলেটে তিন বছর পর বাণিজ্য মেলা, শুরু ১০ অক্টোবর

এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পিকারের অনুমতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন এবং রাজনৈতিক কৌশলে বিরোধী দলকে পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী কেবল দল থেকে বহিষ্কার করলেই সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয় না, ৭০ অনুচ্ছেদ সেখানে সরাসরি প্রযোজ্য হয় না, যদি না সদস্য নিজে পদত্যাগ করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলকে বুদ্ধি দিয়ে বলেন যে, গাজী নজরুল যেহেতু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন, তাই ৭০ অনুচ্ছেদ টেনে বিরোধী দল স্পিকার বা নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিলে তার আসন শূন্য হতে পারে। তবে বিরোধী দলের আপত্তির মুখে তাদের নেতার প্রতি সম্মান জানিয়ে গাজী নজরুলকে সংশ্লিষ্ট কমিটি থেকে বাদ দিতে তাদের কোনো আপত্তি নেই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে বিরোধী দলীয় নেতা কিছুটা হাস্যরসের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, দুর্বল মানুষকে জব্দ করতে গ্রামে যেমন মেম্বার ইলেকশনে দাঁড় করিয়ে দেওয়ার কথা প্রচলিত আছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও মাঝে মাঝে সংসদকে প্রাণবন্ত করতে এমন কিছু টিপস দেন। তিনি পরিষ্কার করেন যে, যাকে দল থেকে ইতোমধ্যে বহিষ্কার করা হয়েছে, সে যে দলের সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করে ফ্লোর ক্রসিং করেছে তা নতুন করে দাবি করার সুযোগ তাদের নেই। তবে নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাকে কমিটিতে না রাখার যে আর্জি তারা জানিয়েছেন, তা বিবেচনা করায় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

পরবর্তী সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুনরায় ফ্লোর নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্যের জবাবে বলেন, বিরোধী দলের অবস্থান থেকে এটি স্পষ্ট যে তারা গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ বহাল রাখতে চান কিন্তু কমিটিতে রাখতে চান না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুনর্নিশ্চিত করেন যে, সংবিধানের আইন অনুযায়ী তিনি এখনও বৈধ সংসদ সদস্য এবং বিরোধী দল যদি ৭০ অনুচ্ছেদের অধীনে কোনো পদক্ষেপ না নেয়, তবে তার সদস্যপদ বহাল থাকবে। তবে বিরোধী দলীয় নেতার সম্মানার্থে তাকে প্রস্তাবিত কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য শ্রীকৃষ্ণ পৃথিবীতে এসেছেন: রিজভী

বিতর্ক ও আলোচনার শেষ পর্যায়ে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি পুনরায় দাঁড়িয়ে সব সংসদ সদস্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এবং বিরোধী দলীয় নেতার ইচ্ছা ও সম্মানকে প্রাধান্য দিয়ে সংশোধনসহ ‘সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটি’ পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ২৪৫ বিধি অনুযায়ী তিনি গাজী নজরুল ইসলামকে বাদ দিয়ে নতুন কমিটির সদস্যদের নাম পাঠ করেন।