Dhaka ০১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মাদরাসায় বলাৎকার, কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে দুই মেগা প্রকল্প, ৬৬০৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফিজিক্স টেস্ট সম্পন্ন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের অপেক্ষা ৭ বছর বয়সী শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, গণধোলাইয়ের পর মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার আজ থেকে রাত ৮টায় বন্ধ করতে হবে দোকানপাট সিলেটে টিলা কাটার দায়ে ২ জনকে লাখ টাকা জরিমানা সিলেটে খুন হওয়া যুবদল নেতার বাড়িতে মন্ত্রী আরিফ, আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ সিলেটে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ২০০ ছাড়াল, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর প্রাণহানি সিলিন্ডারের আগুনে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, আইসিইউতে মেয়ে দেড় মিনিটের বক্তব্যে মন্ত্রীকে ২৫ বার ‘স্যার’ বললেন ইউএনও

২৫ আগস্ট আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের

সিলেট প্রতিনিধি: পরিকল্পিত, সমন্বিত, টেকসই ও আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে সিলেটকে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে আগামী ২৫ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)। ওইদিন দুপুর ১২টায় সিউকের প্রধান কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হবে। একই দিন সকাল ১১টায় নগরের বন্দরবাজার-সংলগ্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে সিউকের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে সিউকের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, সিলেট ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাকে পরিকল্পিত, সমন্বিত, টেকসই ও আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কর্তৃপক্ষ কাজ করবে। এ কাজে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, পেশাজীবী সংগঠন, সুশীল সমাজসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

সিউকের আওতাধীন এলাকা নির্ধারণের জন্য ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবিত এলাকায় সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা, গোলাপগঞ্জ ও বিশ্বনাথ উপজেলার ৪১টি ইউনিয়ন এবং সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকা অন্তর্ভুক্ত করার কথা রয়েছে। প্রস্তাবিত এলাকার আয়তন প্রায় ১ হাজার ১৬৮ বর্গকিলোমিটার।

সিউক জানিয়েছে, প্রস্তাবিত এলাকার পাহাড়, টিলা, নদী ও খালসহ প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিত রেখে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

২৫ আগস্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং উদ্বোধক হিসেবে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের থাকার কথা রয়েছে। বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রবাসী ও বৈদেশিক কল্যাণ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর উপস্থিত থাকবেন বলে সিউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে ভূমির যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, ভবন নির্মাণ ও অনুমোদনসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা, নতুন আবাসন প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং নিম্নবিত্ত ও বস্তিবাসী মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া।

আরও পড়ুনঃ  যে কারণে সিলেটে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনায় গেলেন না বিএনপির অনেক শীর্ষ নেতা

এছাড়া আধুনিক নাগরিক সুবিধা সৃষ্টি ও সংরক্ষণ, বনায়ন, পরিবেশদূষণ প্রতিরোধ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন, উড়ালসেতু নির্মাণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং নালা-খাল-নর্দমার উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সুযোগ রয়েছে সিউকের।

প্রাথমিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সিউকের স্থায়ী কার্যালয়ে কার্যক্রম স্থানান্তর, দুটি জোনাল অফিস স্থাপনের জন্য স্থান নির্বাচন, আবাসন প্রকল্পগুলোতে ভবন, পার্ক ও রাস্তার পাশে উপযোগী সবুজ বৃক্ষরোপণ এবং গ্রিন বিল্ডিং সার্টিফিকেশনের ব্যবস্থা করার কথা জানানো হয়েছে।

সিলেট সিটি করপোরেশন-সংলগ্ন এলাকায় নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণ, পরিকল্পিত নগরায়ণ ও ভূমির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, সিলেট-আম্বরখানা সড়কসংলগ্ন আবাসিক এলাকার উন্নয়ন, বাদাঘাট এলাকায় রেললাইনসংলগ্ন আবাসিক এলাকার উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সংযোগ সড়ক, বাইপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

সিউকের রাজস্ব খাতে ৬৭টি ক্যাটাগরিতে মোট ৭১৪টি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে। পদগুলোর যৌক্তিকতা, বেতন স্কেল, নিয়োগযোগ্যতা নির্ধারণ ও প্রবিধানমালা প্রণয়ন করে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এরই মধ্যে স্থায়ী ও আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্থায়ী কার্যালয়ের জন্য জমি পেতে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন পাঠানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

সিউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের পাশাপাশি স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) ২০২০ এবং সিউক আইন ২০২৩ অনুযায়ী প্রকৌশলী, স্থপতি ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত করার কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারদেরও তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে।

গণবিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিত্যক্ত বা অবৈধ দখলে থাকা জমি উদ্ধার করে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কার্যক্রম শুরুর পর সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, পেশাজীবী সংগঠন ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হবে। আধুনিক নগর পরিকল্পনা বিষয়ে স্থপতি ও ডেভেলপারদের নিয়ে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালার আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বিশ্বনাথে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপি নেতা ও ছেলে আটক

সংবাদ সম্মেলনে সিউকের নির্বাহী পরিচালক মো. সাদি উর রহিম জাদিদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মাদরাসায় বলাৎকার, কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার

২৫ আগস্ট আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের

Update Time : ০২:৫৫:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

সিলেট প্রতিনিধি: পরিকল্পিত, সমন্বিত, টেকসই ও আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে সিলেটকে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে আগামী ২৫ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)। ওইদিন দুপুর ১২টায় সিউকের প্রধান কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হবে। একই দিন সকাল ১১টায় নগরের বন্দরবাজার-সংলগ্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে সিউকের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে সিউকের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, সিলেট ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাকে পরিকল্পিত, সমন্বিত, টেকসই ও আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কর্তৃপক্ষ কাজ করবে। এ কাজে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, পেশাজীবী সংগঠন, সুশীল সমাজসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

সিউকের আওতাধীন এলাকা নির্ধারণের জন্য ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবিত এলাকায় সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা, গোলাপগঞ্জ ও বিশ্বনাথ উপজেলার ৪১টি ইউনিয়ন এবং সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকা অন্তর্ভুক্ত করার কথা রয়েছে। প্রস্তাবিত এলাকার আয়তন প্রায় ১ হাজার ১৬৮ বর্গকিলোমিটার।

সিউক জানিয়েছে, প্রস্তাবিত এলাকার পাহাড়, টিলা, নদী ও খালসহ প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিত রেখে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

২৫ আগস্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং উদ্বোধক হিসেবে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের থাকার কথা রয়েছে। বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রবাসী ও বৈদেশিক কল্যাণ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর উপস্থিত থাকবেন বলে সিউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে ভূমির যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, ভবন নির্মাণ ও অনুমোদনসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা, নতুন আবাসন প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং নিম্নবিত্ত ও বস্তিবাসী মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া।

আরও পড়ুনঃ  মা ও ৮ মাসের ভাতিজিকে হ ত্যা নিয়ে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

এছাড়া আধুনিক নাগরিক সুবিধা সৃষ্টি ও সংরক্ষণ, বনায়ন, পরিবেশদূষণ প্রতিরোধ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন, উড়ালসেতু নির্মাণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং নালা-খাল-নর্দমার উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সুযোগ রয়েছে সিউকের।

প্রাথমিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সিউকের স্থায়ী কার্যালয়ে কার্যক্রম স্থানান্তর, দুটি জোনাল অফিস স্থাপনের জন্য স্থান নির্বাচন, আবাসন প্রকল্পগুলোতে ভবন, পার্ক ও রাস্তার পাশে উপযোগী সবুজ বৃক্ষরোপণ এবং গ্রিন বিল্ডিং সার্টিফিকেশনের ব্যবস্থা করার কথা জানানো হয়েছে।

সিলেট সিটি করপোরেশন-সংলগ্ন এলাকায় নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণ, পরিকল্পিত নগরায়ণ ও ভূমির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, সিলেট-আম্বরখানা সড়কসংলগ্ন আবাসিক এলাকার উন্নয়ন, বাদাঘাট এলাকায় রেললাইনসংলগ্ন আবাসিক এলাকার উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সংযোগ সড়ক, বাইপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

সিউকের রাজস্ব খাতে ৬৭টি ক্যাটাগরিতে মোট ৭১৪টি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে। পদগুলোর যৌক্তিকতা, বেতন স্কেল, নিয়োগযোগ্যতা নির্ধারণ ও প্রবিধানমালা প্রণয়ন করে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এরই মধ্যে স্থায়ী ও আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্থায়ী কার্যালয়ের জন্য জমি পেতে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন পাঠানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

সিউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের পাশাপাশি স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) ২০২০ এবং সিউক আইন ২০২৩ অনুযায়ী প্রকৌশলী, স্থপতি ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত করার কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারদেরও তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে।

গণবিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিত্যক্ত বা অবৈধ দখলে থাকা জমি উদ্ধার করে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কার্যক্রম শুরুর পর সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, পেশাজীবী সংগঠন ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হবে। আধুনিক নগর পরিকল্পনা বিষয়ে স্থপতি ও ডেভেলপারদের নিয়ে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালার আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  একের পর এক অচেতন হয়ে পড়েন একই পরিবারের ১৫ জন, ঘটনা কী

সংবাদ সম্মেলনে সিউকের নির্বাহী পরিচালক মো. সাদি উর রহিম জাদিদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।