নাটোরের গুরুদাসপুরে একটি আবাসিক হাফেজিয়া মাদরাসায় খাদিজা খাতুন (১৬) নামে এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মাদরাসার সুপার ও এক শিক্ষিকাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
দুপুরে উপজেলার একটি আবাসিক হাফেজিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। খাদিজা ওই প্রতিষ্ঠানের আবাসিক ছাত্রী ছিলেন।
মাদরাসা কর্তৃপক্ষ তাকে দ্রুত নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্যমতে, খাদিজার শরীরে বাইরে থেকে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে ঘটনার পর মাদরাসার সুপার সুলাইমান সরদার এবং তার স্ত্রী ও মাদরাসার শিক্ষিকা মদিনা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
খাদিজার মৃত্যুর কারণ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ভিন্ন ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। কোনো কোনো সূত্রে গোসলখানায় পড়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। আবার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এসব তথ্যের কোনোটিকেই নিশ্চিত মৃত্যুর কারণ হিসেবে বলা যাচ্ছে না।
পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য ও ময়নাতদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাটোর প্রতিনিধি 


















