
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন নিশ্চিত করতে হলে সমাজের প্রতিটি স্তরে ইতিবাচক মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। তিনি মনে করেন, জুলাইয়ের চেতনা ও প্রত্যাশা বাস্তবায়নে ব্যক্তিগত এবং প্রাতিষ্ঠানিক—উভয় ক্ষেত্রেই পরিবর্তন জরুরি।
একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর গত এক বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি দেখেছেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত অগ্রগতি হলেও এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। তার ভাষায়, ঘুষ ও দুর্নীতির মতো অনিয়ম এখনো পুরোপুরি দূর হয়নি এবং অনেক সময় ইতিবাচক উদ্যোগও নানা কারণে বাধার মুখে পড়ছে।
তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ ও সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করে যাচ্ছেন। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় সহযোগিতাও প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে শহীদ মীর মুগ্ধর ভাই মীর স্নিগ্ধ বলেন, একটি বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা থেকেই জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা আত্মত্যাগ করেছিলেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার সফল হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনার পূর্ণ বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা থেকেই ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে। তার মতে, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলায় এ চেতনাকে গুরুত্বের সঙ্গে ধারণ করা উচিত।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্দোলনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সিনিয়র সাংবাদিকরাও জুলাই আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এবিসি টিভি ডেস্ক 






















