Dhaka ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এক চোখ অন্ধ, অন্য চোখেও কম দেখেন; অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই ৯১ বছরের ইউনুছ মিয়ার হঠাৎ সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শনে দুই প্রতিমন্ত্রী, অতঃপর… সীমান্তে বিজিবির অভিযান, প্রায় ৮০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ বাথরুমে আটকে রাখা ও গরম খুন্তির ছ্যাঁকা, ১১ বছরের শি শু তানিয়ার শরীরে ধরেছে পচন ভালোবাসে বিয়ে, তিন বছর পর স্বামীর হাতেই প্রাণ গেল মিমের চুল কাটতে বের হয়ে ৭ মাস পর ফিরলেন রায়হান, এক পা কেটে করানো হয় ভিক্ষাবৃত্তি আগামীকাল এক দিনের সফরে সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি, করবেন মাজার জিয়ারত সময় শেষ হলেও পার্থকে আরও ৮ মিনিট বক্তব্যের সুযোগ, স্পিকারের সঙ্গে রসিকতা ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় পুতুলের নিয়োগ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর জন্য লজ্জার’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্ত্রীকে হত্যার পর ফজরের নামাজ পড়ে পালালেন স্বামী, অতঃপর..

দুই প্রজন্মের লড়াইয়ে জকোভিচ-আলকারাজ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১২ Time View

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আজকের ফাইনালে জয়ী হবেন যিনি ফিটনেস ও সহনশীলতায় এগিয়ে থাকবেন। র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা আলকারাজের জন্য অবশ্য এটি সহজ হবে না, কারণ ইতিহাস প্রমাণ করেছে, মেলবোর্নের রড লেভার অ্যারেনায় জকোভিচ কখনো ফাইনালে হেরে যাননি। এখন পর্যন্ত দশবার তিনি অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে উঠেছেন এবং প্রতিবারই শিরোপা নিয়ে মাঠ ত্যাগ করেছেন। আলকারাজের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের সেরা সাফল্য এখনও কোয়ার্টার ফাইনাল।

অনেকে এটিকে দুই প্রজন্মের লড়াই হিসেবে দেখছেন। আলকারাজ ও জকোভিচের মুখোমুখি ৯ ম্যাচে জকোভিচ ৫ বার জিতেছেন, তবে গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপার ক্ষেত্রে আলকারাজ এগিয়ে—৩-২ ব্যবধানে। ষোলো বছরের কম বয়সে আলকারাজ জকোভিচকে হারিয়েছিলেন ২০২৪ সালের উইম্বল্ডন ফাইনালে। জকোভিচ ‘বদলা’ শব্দটি পছন্দ না করলেও, আজকের ম্যাচে জয়লাভ করলে সেই হারকে অন্তত কিছুটা ভুলে যেতে পারবেন।

দুজনেরই ক্লান্তি চোখে পড়ে। সেমিফাইনালে আলকারাজ ৫ ঘণ্টা ২৭ মিনিটের ম্যারাথন ম্যাচের পর প্রায় ৩২ ঘণ্টা বিশ্রাম পেয়েছেন। অন্যদিকে, ৩৮ বছরের জকোভিচ সেমিতে ৫ ঘণ্টা ১২ মিনিট খেলেছেন এবং প্রায় ২৪ ঘণ্টা বিশ্রাম পেয়েছেন।

আজকের ফাইনালটি হবে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ইতিহাসে একটি বিশেষ ম্যাচ। সার্বিয়ান তারকা জকোভিচ ২৫তম গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের হাতছানিতে; যা তাকে নারী ও পুরুষ এককে সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের রেকর্ডে পৌঁছে দেবে, ভেঙে দেবে মার্গারেট কোর্টের ২৪ গ্র্যান্ড স্লাম জয় রেকর্ড। অন্যদিকে, স্প্যানিশ তারকা আলকারাজ ক্যারিয়ারে সবচেয়ে কম বয়সে চারটি ভিন্ন গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে মাঠে নামছেন।

ফেদেরার ও নাদালের যুগের প্রতিনিধি হিসেবে এখনও সক্রিয় জকোভিচের সামনে সাম্প্রতিক সময়ে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছেন নাদালের পরবর্তী স্প্যানিশ তারকা আলকারাজ। নাদালের মতোই আলকারাজের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ গতি এবং শক্তিশালী সার্ভিস। ২০২২ সালে তাদের প্রথম দ্বৈরথ হয় মাদ্রিদ ওপেনে। সর্বশেষ দেখা হয়েছিল গত বছরের ইউএস ওপেন সেমিফাইনালে, যেখানে আলকারাজকে শক্তিশালী মনে হয়েছিল। ম্যাচের ফলাফল ছিল জকোভিচের পক্ষে, ৬-৪, ৭-৬ (৭-৪), ৬-২।

আরও পড়ুনঃ  ফিফার ভিডিওতে উঠে এল বিশ্বকাপ ফাইনালে রেয়াফারির চাঞ্চল্যকর সংলাপ

রাফায়েল নাদাল আজ আলকারাজের পক্ষে সমর্থন জাহির করেছেন। শুধু দেশীয় হওয়ার কারণে নয়, বয়সের কারণে আলকারাজকে সমর্থন দিচ্ছেন নাদাল। তিনি বলেছেন, “কার্লোস এখন তার ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করছে, তরুণ, শক্তিশালী এবং ফিট। তবে নোভাক নোভাকই—তার একনিষ্ঠতা ও পুনরায় ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা অসাধারণ। এই বয়সেও সে দুর্দান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ টেনিস খেলছে, যা সাধারণত দেখা যায় না।”

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

এক চোখ অন্ধ, অন্য চোখেও কম দেখেন; অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই ৯১ বছরের ইউনুছ মিয়ার

দুই প্রজন্মের লড়াইয়ে জকোভিচ-আলকারাজ

Update Time : ০৫:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আজকের ফাইনালে জয়ী হবেন যিনি ফিটনেস ও সহনশীলতায় এগিয়ে থাকবেন। র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা আলকারাজের জন্য অবশ্য এটি সহজ হবে না, কারণ ইতিহাস প্রমাণ করেছে, মেলবোর্নের রড লেভার অ্যারেনায় জকোভিচ কখনো ফাইনালে হেরে যাননি। এখন পর্যন্ত দশবার তিনি অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে উঠেছেন এবং প্রতিবারই শিরোপা নিয়ে মাঠ ত্যাগ করেছেন। আলকারাজের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের সেরা সাফল্য এখনও কোয়ার্টার ফাইনাল।

অনেকে এটিকে দুই প্রজন্মের লড়াই হিসেবে দেখছেন। আলকারাজ ও জকোভিচের মুখোমুখি ৯ ম্যাচে জকোভিচ ৫ বার জিতেছেন, তবে গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপার ক্ষেত্রে আলকারাজ এগিয়ে—৩-২ ব্যবধানে। ষোলো বছরের কম বয়সে আলকারাজ জকোভিচকে হারিয়েছিলেন ২০২৪ সালের উইম্বল্ডন ফাইনালে। জকোভিচ ‘বদলা’ শব্দটি পছন্দ না করলেও, আজকের ম্যাচে জয়লাভ করলে সেই হারকে অন্তত কিছুটা ভুলে যেতে পারবেন।

দুজনেরই ক্লান্তি চোখে পড়ে। সেমিফাইনালে আলকারাজ ৫ ঘণ্টা ২৭ মিনিটের ম্যারাথন ম্যাচের পর প্রায় ৩২ ঘণ্টা বিশ্রাম পেয়েছেন। অন্যদিকে, ৩৮ বছরের জকোভিচ সেমিতে ৫ ঘণ্টা ১২ মিনিট খেলেছেন এবং প্রায় ২৪ ঘণ্টা বিশ্রাম পেয়েছেন।

আজকের ফাইনালটি হবে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ইতিহাসে একটি বিশেষ ম্যাচ। সার্বিয়ান তারকা জকোভিচ ২৫তম গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের হাতছানিতে; যা তাকে নারী ও পুরুষ এককে সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের রেকর্ডে পৌঁছে দেবে, ভেঙে দেবে মার্গারেট কোর্টের ২৪ গ্র্যান্ড স্লাম জয় রেকর্ড। অন্যদিকে, স্প্যানিশ তারকা আলকারাজ ক্যারিয়ারে সবচেয়ে কম বয়সে চারটি ভিন্ন গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে মাঠে নামছেন।

ফেদেরার ও নাদালের যুগের প্রতিনিধি হিসেবে এখনও সক্রিয় জকোভিচের সামনে সাম্প্রতিক সময়ে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছেন নাদালের পরবর্তী স্প্যানিশ তারকা আলকারাজ। নাদালের মতোই আলকারাজের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ গতি এবং শক্তিশালী সার্ভিস। ২০২২ সালে তাদের প্রথম দ্বৈরথ হয় মাদ্রিদ ওপেনে। সর্বশেষ দেখা হয়েছিল গত বছরের ইউএস ওপেন সেমিফাইনালে, যেখানে আলকারাজকে শক্তিশালী মনে হয়েছিল। ম্যাচের ফলাফল ছিল জকোভিচের পক্ষে, ৬-৪, ৭-৬ (৭-৪), ৬-২।

আরও পড়ুনঃ  নেদারল্যান্ডসকে উড়িয়ে বাছাইপর্বে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

রাফায়েল নাদাল আজ আলকারাজের পক্ষে সমর্থন জাহির করেছেন। শুধু দেশীয় হওয়ার কারণে নয়, বয়সের কারণে আলকারাজকে সমর্থন দিচ্ছেন নাদাল। তিনি বলেছেন, “কার্লোস এখন তার ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করছে, তরুণ, শক্তিশালী এবং ফিট। তবে নোভাক নোভাকই—তার একনিষ্ঠতা ও পুনরায় ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা অসাধারণ। এই বয়সেও সে দুর্দান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ টেনিস খেলছে, যা সাধারণত দেখা যায় না।”