Dhaka ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
খেজুরের বিচি, কামড়ানো শসা ও পোড়ানো চুড়ির সূত্রে শিক্ষক পরিবারের চার হত্যার রহস্য উদঘাটন এনসিপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন সোমবার যুদ্ধের মধ্যেই জ্বালানি নিয়ে বড় সুখবর দিল ইরান মাদ্রাসাছাত্রীকে ধ র্ষ ণের দায়ে দুজনের যাবজ্জীবন ইসলামি বক্তা মিসবাহের ‘১০ নম্বর স্ত্রী’ হতে চান কনটেন্ট ক্রিয়েটর মীম সিলেটে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, ২৪ ঘণ্টায় ৭৩ আসামি গ্রেপ্তার রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব হলেন আবু আউয়াল সিলেটের মেয়ে রুবাইয়ার  ৭৩ লাখ ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন শাহজালাল বিমানবন্দরে ৩ কেজি কুশসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার এয়ার হোস্টেস থেকে পুলিশ কর্মকর্তা, এবার কোটি টাকার জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগে বরখাস্ত

সিলেটে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা, মানুষের ঢল!

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫০৯ Time View

আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছ


নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।

আরও পড়ুনঃ  ইবি শিক্ষক আসমা সাদিয়া হত্যার ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি
Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

খেজুরের বিচি, কামড়ানো শসা ও পোড়ানো চুড়ির সূত্রে শিক্ষক পরিবারের চার হত্যার রহস্য উদঘাটন

সিলেটে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা, মানুষের ঢল!

Update Time : ০৬:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছ


নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।আজ পহেলা বৈশাখ—বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সিলেটের এই দৃশ্য যেন সেই উৎসবের প্রাণচঞ্চলতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে নদীর পাড়ঘেঁষা এক ব্যস্ত সড়ক, যেখানে মানুষের ঢল নেমেছে। চারদিকে লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশুদের হাসি, আর রঙিন বেলুনের সমাহার—সব মিলিয়ে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সড়কের দুই পাশে সারি সারি দোকানপাট ও অস্থায়ী স্টল বসেছে। কোথাও পান্তা-ইলিশ, কোথাও চিতই পিঠা, আবার কোথাও নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও খেলনা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ডাকাডাকি আর ক্রেতাদের ভিড় মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত বাজারের আবহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য বেলুন, বাঁশি, মুখোশ ও রঙিন খেলনার দোকানগুলো যেন আলাদা আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
নদীর ধারে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন সিলেটবাসীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়েছে এই দিনটি উপভোগ করতে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছে, আবার কেউবা শুধু হাঁটাহাঁটি করে পরিবেশ উপভোগ করছে। সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মিলনমেলা।

আরও পড়ুনঃ  চিরকুমার থাকার কারণ জানালেন অক্ষয় খান্না