র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯) এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই বিভিন্ন ধরনের নৃশংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধ বিশেষ করে মাদক উদ্ধার, হত্যা মামলা, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এছাড়াও যে কোন ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে র্যাবের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে জনসাধারণের জন্য একটি নিরাপদ বাসযোগ্য সমাজ তথা দেশ বিনির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জের একটি আভিযানিক দল সুনামগঞ্জ জেলার সদর মডেল থানাধীন ওয়েজখালী বাজার এলাকায় অবস্থানকালে অদ্য ০৩/০৪/২০২৬ খ্রি. তারিখ আনুমানিক বিকাল ৩.২৫ ঘটিকার সময় গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, সুনামগঞ্জ জেলার সদর মডেল থানাধীন মল্লিকপুর নতুন বাসষ্ট্যান্ডে FAHAD & MAYSHA NEW SOUDIA নামক যাত্রীবাহী বাসে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্যসহ যাত্রীবেশে অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদ পেয়ে র্যাবের আভিযানিক দলটি আনুমানিক বিকাল ৩.৩৫ সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছালে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ০২ জন ব্যক্তি যাত্রীবাহী বাস থেকে নেমে পালানোর চেষ্টাকালে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিদ্বয়কে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা জানায় যে, তাদের হেফাজতে মাদকদ্রব্য ইয়াবা রয়েছে। পরবর্তীতে তাদের দেহ তল্লাশী করে তাদের পরিহিত প্যান্টের পকেট থেকে কালো রংয়ের বায়ুরোধক ০৩টি প্যাকেট থেকে ৫১৫ পিস ইয়াবাসহ তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদ্বয়- ১। মোঃ আরজু আলম (৩৪), পিতা- মৃত মনির উদ্দিন এবং ০২। আলী আজাদ (২২), পিতা- আলী নেওয়াজ, উভয় সাং- বেতাল আলীপুর, থানা- জামালগঞ্জ, জেলা-সুনামগঞ্জ
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিত্বয় জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, তারা পরস্পর যোগসাজসে সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য ইয়াবা সংগ্রহ পূর্বক বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিল।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ খ্রি. এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের পূর্বক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদ্বয় ও জব্দকৃত আলামত সুনামগঞ্জ জেলার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা এবং চলমান অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এরশাদুল হক
জেলা প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ




