র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯) এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই বিভিন্ন ধরনের নৃশংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধ বিশেষ করে মাদক উদ্ধার, হত্যা মামলা, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এছাড়াও যে কোন ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে র্যাবের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে জনসাধারণের জন্য একটি নিরাপদ বাসযোগ্য সমাজ তথা দেশ বিনির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জের একটি আভিযানিক দল সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর থানাধীন চিনাকান্দি বাজারে অবস্থানকালে গত ২৬/০৪/২০২৬ খ্রি. তারিখ আনুমানিক রাত ৯.৪০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর থানাধীন ধনপুর ইউনিয়নের লক্ষীরপাড় এলাকায় কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদ পেয়ে র্যাবের আভিযানিক দলটি আনুমানিক রাত ৯.৫০ ঘটিকার সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছালে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ০১ জন ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তি জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, তার হেফাজতে মাদকদ্রব্য বিদেশী মদ রয়েছে। পরবর্তীতে তার হেফাজতে থাকা ০১টি সাদা রংয়ের প্লাষ্টিকের ব্যাগের ভেতর থেকে ৪৬ বোতল বিদেশী মদসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি- মোঃ সবুজ মিয়া (৫১), পিতা- মৃত কালা মিয়া, সাং- চিনাকান্দি, থানা- বিশ্বম্ভরপুর, জেলা- সুনামগঞ্জ।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে সুনামগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য বিদেশী মদ সংগ্রহ করে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয়ের জন্য নিজ হেফাজতে রেখেছিল।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪; এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের পূর্বক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি ও জব্দকৃত আলামত সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা এবং চলমান অভিযান অব্যাহত রয়েছে
এরশাদুল হক
জেলা প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ




