সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস–এ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে সংঘটিত এই হামলার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে—দুটি ড্রোন ব্যবহার করে দূতাবাস ভবনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। হামলার পরপরই দূতাবাস প্রাঙ্গণে সামান্য অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যায়। ভবনের কিছু অংশে সাধারণ ক্ষতি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপদে আছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। হামলার পর এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং আশপাশের সড়কে তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ড্রোন দুটি কোথা থেকে ছোড়া হয়েছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত—তা শনাক্ত করতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে ড্রোনের উৎস ও গতিপথ নির্ধারণের কাজ চলছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা ঠেকাতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই হামলা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়তে পারে।
ঘটনার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি কর্তৃপক্ষের মধ্যে উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।









