
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে কালের কণ্ঠ মাল্টিমিডিয়ার সিলেট বিভাগীয় ইনচার্জ সাংবাদিক কবির আহমদের ওপর হামলার ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো হামলাকারীকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাদাপাথর থেকে ফেরার পথে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় সাংবাদিক কবির আহমদসহ অন্তত তিনজন আহত হন। আহতদের মধ্যে গাজীপুর থেকে সিলেটে বেড়াতে আসা দুই পর্যটকও রয়েছেন।
সাংবাদিক কবির আহমদের অভিযোগ, বরখাস্ত হওয়া স্থানীয় ইউপি সদস্য দুলাল মিয়া দুলার অনুসারীরা তার ওপর হামলা চালিয়েছে। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাদাপাথর থেকে ফেরার সময় পর্যটকদের বহনকারী একটি গাড়িকে পেছন থেকে একটি গাড়ি একাধিকবার ধাক্কা দেয়। এ নিয়ে কারণ জানতে চাইলে পর্যটক ও গাড়িচালকের সঙ্গে অপর পক্ষের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
পর্যটকদের রক্ষা করতে সাংবাদিক কবির আহমদ এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এ সময় ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল হামলায় অংশ নেয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি।
হামলায় কবির আহমদের ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া এবং আরেকটি মোবাইল ফোন ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে।
ঘটনার সময় কোম্পানীগঞ্জ থানার এক উপপরিদর্শক হামলাকারীদের গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করেন বলে জানা গেছে। তবে হামলাকারীরা দলবদ্ধভাবে বাধা দিয়ে গাড়িটি নিয়ে চলে যায় বলে অভিযোগ।
পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওসমান গণি। তিনি জানান, হামলার বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হামলার ঘটনায় কাউকে আটক করার খবর পাওয়া যায়নি। এতে সাংবাদিক ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
এবিসি টিভি ডেস্ক 
























