সাবেক ফুটবলার হিসেবে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সবকিছু তাঁর জানা। তবুও দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার তৃতীয় কর্মদিবসে গতকাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বসেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। নিজের কর্মপরিকল্পনা তুলে দেওয়ার সঙ্গে দীর্ঘসময় সাংবাদিকদের মতামত শোনেন তিনি। বেশ কিছু বিষয়ে সমাধানের পরামর্শও নিয়েছেন আমিনুল। খেলাধুলাকে তৃণমূল থেকে জনপ্রিয় করতে নিজের ইচ্ছার কথা জানান জাতীয় দলের সাবেক এ গোলরক্ষক।
রোববার অনুষ্ঠানের শুরুতে ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে বিএনপির লক্ষ্য ও পরিকল্পনার বিষয়টি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন আমিনুল। এরপর জেলা ক্রীড়া সংস্থা নিয়ে সাংবাদিকের মতামত শুনতে চান। জেলা পর্যায় থেকে খেলোয়াড়রা উঠে এসে জাতীয় দলে খেলেন তেমনি সংগঠকরা জেলা-বিভাগ থেকে মনোনীত হয়ে ফেডারেশনে পদে বসেন। তাই জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। ফুটবলার হিসেবে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সবকিছু তাঁর জানা। তবুও দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার তৃতীয় কর্মদিবসে গতকাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বসেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। নিজের কর্মপরিকল্পনা তুলে দেওয়ার সঙ্গে দীর্ঘসময় সাংবাদিকদের মতামত শোনেন তিনি। বেশ কিছু বিষয়ে সমাধানের পরামর্শও নিয়েছেন আমিনুল। খেলাধুলাকে তৃণমূল থেকে জনপ্রিয় করতে নিজের ইচ্ছার কথা জানান জাতীয় দলের সাবেক এ গোলরক্ষক।
রোববার অনুষ্ঠানের শুরুতে ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে বিএনপির লক্ষ্য ও পরিকল্পনার বিষয়টি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন আমিনুল। এরপর জেলা ক্রীড়া সংস্থা নিয়ে সাংবাদিকের মতামত শুনতে চান। জেলা পর্যায় থেকে খেলোয়াড়রা উঠে এসে জাতীয় দলে খেলেন তেমনি সংগঠকরা জেলা-বিভাগ থেকে মনোনীত হয়ে ফেডারেশনে পদে বসেন। তাই জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বাজেট অত্যন্ত সীমিত। এনএসসি জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে খুবই স্বল্প অনুদান দেয়, তা দিয়ে জেলায় সব খেলা পরিচালনা করা সম্ভব হয় না। তাই সাংবাদিকরা জেলা পর্যায়ে বাজেট বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। জেলা-বিভাগে স্টেডিয়াম থাকলেও সেটা ব্যবহার অনুপযোগী। অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণেও গুরুত্ব আরোপ করেন অনেকে। জেলা ক্রীড়া সংস্থার পাশাপাশি মহিলা জেলা ক্রীড়া সংস্থাও রয়েছে প্রতি জেলায়। তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকদের মতামত ও বক্তব্য শুনে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা খেলাধুলাকে তৃণমূল থেকে জনপ্রিয় করে তুলতে চাই। অবকাঠামো নয়, আমরা খেলার মাঠকে গুরুত্ব দিচ্ছি। যাতে জেলা পর্যায়ে শিশু-কিশোররা খেলার পরিবেশ পায়।’
দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মিত জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান। এবার থেকে তা নিয়মিত দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন আমিনুল। ২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ সালের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার নিয়মিত করতে আমরা ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছি। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের পুরস্কার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করব। এরপর থেকে প্রতিবছর যেন নিয়মিতভাবে এই পুরস্কার দেওয়া যায়, সে চেষ্টা থাকবে।’








